স্টাফ রিপোর্টার || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১৮:৪০, ২৬ জুলাই ২০২৬
আপডেট: ১৮:৪০, ২৬ জুলাই ২০২৬

সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে হজের প্রাথমিক নিবন্ধন

সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে হজের প্রাথমিক নিবন্ধন

ফাইল ছবি

হজের প্রাথমিক নিবন্ধন সোমবার (২৭ জুলাই) থেকে শুরু  হচ্ছে। যারা আগামী ২০২৭ সালে হজ পালন করতে যাবেন তারাই কেবল এই নিবন্ধনে অংশ নিতে পারবেন। নিবন্ধন চলবে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

জানা যায়, এই সময়ের মধ্যেই হজে যেতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের প্রাথমিক নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় কর্তৃক ঘোষিত হজ কার্যক্রমের রোডম্যাপ অনুযায়ী এ সময়সূচি ঘোষণা করেছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

নিবন্ধন করতে সরকার নির্ধারিত ফি জমা দিতে হবে। এবার তা সাড়ে ৩ লাখ টাকা করা হয়েছে। সেই টাকা জমা দিয়ে সরকারি ও বেসরকারি যেকোনো মাধ্যমে হজের প্রাথমিক নিবন্ধন করা যাবে। প্রাথমিক নিবন্ধিত ব্যক্তিদের চলতি বছরের ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে প্যাকেজ মূল্যের অবশিষ্ট অর্থ পরিশোধ করে চূড়ান্ত নিবন্ধন করতে হবে। এছাড়া প্রাথমিক নিবন্ধনের আগে হজযাত্রীদের আবশ্যিকভাবে ৩০ হাজার টাকা দিয়ে প্রাক-নিবন্ধন করতে হবে।

যেসব স্থান থেকে নিবন্ধন করা যাবে
সরকারি মাধ্যমে ই-হজ সিস্টেমে ইউজার তৈরি করে নিজেই নিবন্ধন করা যাবে। এছাড়া ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, জেলা ও উপজেলা মডেল মসজিদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বায়তুল মোকাররম অফিস ও ঢাকা হজ অফিসে হজের নিবন্ধন করা যাবে। সরকারি মাধ্যমে হজে গমনেচ্ছু ব্যক্তিদের সোনালী ব্যাংকের যেকোনো শাখায় ভাউচারের মাধ্যমে টাকা জমা দিয়ে প্রাথমিক নিবন্ধন করতে হবে। বেসরকারি মাধ্যমের হজযাত্রীদের হজ কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে এজেন্সির নির্ধারিত হিসাবে টাকা জমা দিতে হবে। এজেন্সির ব্যাংক হিসাবের তথ্য হজ পোর্টালে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির প্রোফাইলে পাওয়া যাবে।

হজে যেতে পারবে না যারা
কারা হজে যেতে পারবে আর কারা পারবে না তা নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। এবার ১৫ বছরের কম বয়সী কেউ হজে যেতে পারবে না।

এছাড়াও দুরারোগ্য ব্যাধি যেমন: হৃদযন্ত্র, ফুসফুস, লিভার বা কিডনি রোগ, স্নায়ুবিক বা মানসিক ব্যাধিতে আক্রান্ত ও ডিমনেশিয়া রোগী, কেমোথেরাপি বা বায়োলজিক্যাল থেরাপি বা রেডিওথেরাপি নিচ্ছেন, এমন ক্যানসার আক্রান্ত রোগী হজে যেতে পারবে না।

আরও পড়ুন: বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজের সর্বনিম্ন খরচ ৫,১৩,৫৪৫ টাকা

এসব রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা ছাড়াও জনস্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলে এমন সক্রিয় সংক্রামক রোগ যেমন: যক্ষ্মা ও হেমোরেজিক ফিভারে আক্রান্ত ব্যক্তি হজে যেতে পারবে না। গর্ভাবস্থার শেষ দুই মাস ও ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থায় কোনো মহিলা হজযাত্রী ফিটনেস সনদ পাবে না।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এসবি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়