ঈদযাত্রায় ভোগান্তি কমাতে আরও একদিনের ছুটির প্রস্তাব
ফাইল ছবি
পবিত্র ঈদুল ফিতরে রাজধানী ছেড়ে যাওয়া প্রায় দেড় কোটি মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে আগামী ১৮ মার্চ নির্বাহী আদেশে একদিনের অতিরিক্ত ছুটি ঘোষণার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। যাত্রী ভোগান্তি ও সড়ক দুর্ঘটনা কমানোর পাশাপাশি স্বস্তিদায়ক ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে ছুটির এই বিন্যাস জরুরি বলে মনে করছে সংগঠনটি।
বুধবার (০৪ মার্চ) সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ দাবি জানানো হয়।
তিনি বলেন, আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরে প্রায় দেড় কোটি মানুষ রাজধানী ছাড়বেন। কিন্তু দেশের বিদ্যমান গণপরিবহন সংকট, রেলস্টেশন ও সড়ক অবকাঠামোর সীমাবদ্ধতা এবং স্বল্পসময়ে বিপুল যাত্রীর চাপ সামাল দেওয়ার সক্ষমতার ঘাটতির কারণে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ে। এর ফলে ঘরমুখো যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েন এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্যের শিকার হন।
আরও পড়ুন: ঈদ যাত্রায় ট্রেনের দ্বিতীয় দিনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি চলছে
বিবৃতিতে বলা হয়, এবার ঈদ উপলক্ষে ১৭ মার্চ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত মোট ৯ দিনের দীর্ঘ ছুটি রয়েছে। তবে ১৮ মার্চ একদিনের অতিরিক্ত ছুটি ঘোষণা বা ছুটির বিন্যাস করা হলে যাত্রীরা পর্যায়ক্রমে গ্রামে যেতে পারবেন। এতে একসঙ্গে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হবে না, সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমবে এবং সামগ্রিকভাবে স্বস্তিদায়ক ঈদযাত্রা নিশ্চিত করা সহজ হবে।
এদিকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সরকারিভাবে আগামী ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত ঈদের ছুটি নির্ধারিত রয়েছে। ইতোমধ্যে ২৪ ও ২৫ মার্চ আরও দুই দিন ছুটি বাড়ানোর প্রস্তাব মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে, যা বৃহস্পতিবারের মন্ত্রিসভা বৈঠকে উপস্থাপনের কথা রয়েছে। প্রস্তাব অনুমোদিত হলে ২৬ মার্চের স্বাধীনতা দিবস এবং ২৭ ও ২৮ মার্চের সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে সরকারি চাকরিজীবীরা টানা ১০ দিনের ছুটি উপভোগ করতে পারবেন।
এই প্রেক্ষাপটে যাত্রী কল্যাণ সমিতি মনে করছে, অতিরিক্ত একদিনের ছুটি কার্যকর করা গেলে ঈদকেন্দ্রিক ভোগান্তি ও দুর্ঘটনা হ্রাসে তা তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং সামগ্রিক যাত্রা ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সহায়ক হবে।
নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি








