কৃষি শ্রমিকদের দ্রুত ভিসা দেবে অস্ট্রেলিয়া
ছবি: সংগৃহীত
ফসল কাটার মৌসুম সামনে রেখে জরুরি শ্রমিকদের ভিসা আবেদনে অগ্রাধিকার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া সরকার।
কৃষি খাতের জরুরি প্রয়োজন বিবেচনায় বিদেশি শ্রমিকদের ভিসা আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি করতে সম্মত হয়েছে অস্ট্রেলিয়া সরকার। অভিবাসন নীতিতে কড়াকড়ির কারণে শ্রমিক সংকট এবং ফসল কাটার কাজে ব্যাঘাতের আশঙ্কা থেকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) কৃষি খাতের সংগঠন গ্রেইন প্রডিউসারস অস্ট্রেলিয়া (জিপিএ) এ তথ্য জানিয়েছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অস্ট্রেলিয়া বিশ্বের অন্যতম বড় গম, বার্লি ও ক্যানোলা রপ্তানিকারক দেশ। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এসব ফসল কাটার মৌসুম শুরু হওয়ার কথা। এ সময়ে ফসল ঘরে তুলতে দেশটির অনেক খামার অস্থায়ী বিদেশি শ্রমিকের ওপর নির্ভর করে।
জিপিএ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বছরে অভিবাসীর সংখ্যা ব্যাপকভাবে কমানোর নীতি ঘোষণা করেছে অস্ট্রেলিয়া সরকার। এর ফলে কৃষি খাতে শ্রমিক সংকট তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের সঙ্গে আলোচনার পর কৃষি খাতের সংগঠনগুলোকে জরুরি শ্রমিকদের ভিসা আবেদন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জমা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
জিপিএর চেয়ারম্যান ম্যাথিউ ম্যাডেন বলেন, এটি একটি সমাধান। এমন পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সরকারকে ধন্যবাদ জানাই। তবে এ প্রক্রিয়া বাস্তবে কতটা কার্যকর হবে, কতসংখ্যক ভিসা দ্রুত প্রক্রিয়াকরণ করা সম্ভব হবে এবং এতে দ্রুত অনুমোদন নিশ্চিত হবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
তিনি বলেন, প্রক্রিয়াটি বাস্তবে কীভাবে কাজ করে, তা পর্যবেক্ষণ করা হবে। তবে আশা করা হচ্ছে, এর মাধ্যমে কৃষকেরা ফসল কাটার মৌসুমে প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ শ্রমিকদের অস্ট্রেলিয়ায় আনতে পারবেন।
সরকারের নতুন ব্যবস্থায় ভিসা প্রক্রিয়াকরণের জন্য তিন মাসের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগও সীমিত করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: হুতিদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের আহ্বান সৌদি গ্র্যান্ড মুফতির
এদিকে কৃষি খাতের সংগঠনগুলো জানিয়েছে, খামার ও অন্যান্য গ্রামীণ ব্যবসায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত ওয়ার্কিং হলিডে মেকার ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে কয়েক দিন থেকে কয়েক মাস পর্যন্ত দীর্ঘ হয়েছে।
নতুন ব্যবস্থায় জরুরি কৃষিশ্রমিকদের ভিসা আবেদনের প্রক্রিয়া কতটা দ্রুত হবে, তা এখন দেখার বিষয়।
নিউজবাংলাদেশ.কম/এসবি








