আন্তর্জাতিক ডেস্ক || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১০:২৫, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইরানবিরোধী নিষেধাজ্ঞায় ৩ মুসলিম দেশ, ধন্যবাদ যুক্তরাষ্ট্রের

ইরানবিরোধী নিষেধাজ্ঞায় ৩ মুসলিম দেশ, ধন্যবাদ যুক্তরাষ্ট্রের

ছবি: সংগৃহীত

ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্রের নেওয়া অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট ধীরে ধীরে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিস্তৃত হচ্ছে। ইরানের বিমান চলাচল, ব্যাংকিং ও বাণিজ্যিক যোগাযোগ সীমিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের আহ্বানে সাড়া দিয়ে যুক্তরাজ্য, তুরস্ক, ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ায় ওয়াশিংটন এ উদ্যোগকে নিজেদের নিষেধাজ্ঞা কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখছে। 

রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) আল জাজিরাসহ আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এসব দেশের সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন এবং বলেছেন, ইরানের অর্থনৈতিক নেটওয়ার্ক সংকুচিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের পাঠানো প্রতিনিধি দলগুলোর প্রচেষ্টা ফল দিতে শুরু করেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বেসেন্ট জানান, অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট শুরুর পর ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে এবং দেশটির অর্থনৈতিক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করার বিষয়ে মিত্র ও অংশীদার দেশগুলোর সঙ্গে কাজ করতে মার্কিন প্রশাসন বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রতিনিধি পাঠিয়েছে। 

তার ভাষ্য অনুযায়ী, সেই কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ফলে তুরস্ক ও ওমান ইরানি বেসরকারি বিমান সংস্থা মাহান এয়ারের ফ্লাইট বন্ধ করেছে এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত ইরানি বিমান সংস্থাগুলোর ওপর নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। একই সময়ে ইরানের সঙ্গে ব্যাংকিং লেনদেনও সীমিত করা হয়েছে। 

মার্কিন ট্রেজারি দপ্তরের ভাষ্য অনুযায়ী, ওয়াশিংটনের লক্ষ্য শুধু ইরানের নিজস্ব প্রতিষ্ঠানকে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা নয়; বরং যেসব বিদেশি প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, বিমান সংস্থা, কার্গো অপারেটর ও মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে ইরান আন্তর্জাতিক অর্থ ও সরবরাহব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে, তাদের ওপরও চাপ সৃষ্টি করা।

এই অভিযানের বড় ধাপ আসে ৮ সেপ্টেম্বর। ওই দিন মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের বৈদেশিক সম্পদ নিয়ন্ত্রণ দপ্তর (OFAC) ইরানের বিমান খাতকে লক্ষ্য করে মোট ৩৬টি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনে। এর মধ্যে ইরানের আগে নিষেধাজ্ঞার তালিকায় না থাকা ২৭টি বিমান সংস্থা রয়েছে। 

মার্কিন ট্রেজারি বলেছে, ইরানের বিমান খাত অস্ত্র, জনবল ও অবৈধ পণ্য পরিবহনে ব্যবহৃত হচ্ছে এবং এ খাতকে সচল রাখতে বিদেশি মধ্যস্থতাকারী, ফ্রন্ট কোম্পানি ও গোপন পণ্য স্থানান্তর নেটওয়ার্কও সক্রিয় রয়েছে। একই পদক্ষেপের অংশ হিসেবে তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া ও কাজাখস্তানের সঙ্গে যুক্ত কয়েকটি বিদেশি প্রতিষ্ঠানকেও টার্গেট করা হয়।

মাহান এয়ারকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ অবশ্য নতুন নয়। মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা এই বিমান সংস্থাটির বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের অভিযোগ, এটি ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) কুদস ফোর্সকে সহায়তা এবং সামরিক ও অন্যান্য সরঞ্জাম পরিবহনে ভূমিকা রেখেছে। ২০২৬ সালের নতুন নিষেধাজ্ঞায় মাহান এয়ারের সরাসরি কার্যক্রমের পাশাপাশি বিমান, কার্গো ও বিক্রয়-সহায়তা দেওয়ার অভিযোগে বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোকেও লক্ষ্য করা হয়েছে।

মার্কিন ট্রেজারি বলেছে, ইরানের বিমান খাতের ওপর চাপ প্রয়োগের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি বিমান ও প্রযুক্তি ইরানের কাছে পৌঁছানোর কথিত মধ্যস্থতাকারী নেটওয়ার্কও ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপের সরাসরি প্রভাব পড়ে মাহান এয়ারের আন্তর্জাতিক রুটে। ওমানের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের পর তেহরান-মাসকাট রুটে মাহান এয়ারের ফ্লাইট ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে বন্ধ হয়। এরপর তুরস্কের কর্তৃপক্ষের নির্দেশনার কথা উল্লেখ করে সংস্থাটি ২১ সেপ্টেম্বর থেকে তেহরান-ইস্তাম্বুল ও তেহরান-আঙ্কারা রুটের ফ্লাইট স্থগিত করে। শেষ ফ্লাইটগুলো ২০ সেপ্টেম্বর পরিচালিত হওয়ার কথা জানানো হয়েছিল। একই সময় জর্জিয়াতেও মাহান এয়ারের ফ্লাইট স্থগিতের ঘোষণা আসে। 

মাহান এয়ার নিজেই জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের পর এসব রুট বন্ধ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: হুতিদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের আহ্বান সৌদি গ্র্যান্ড মুফতির

এর ফলে ইরানের আন্তর্জাতিক বিমান যোগাযোগের ওপর চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। আল জাজিরার সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিভিন্ন দেশের আকাশসীমা, বিমানবন্দর ও গ্রাউন্ড-সার্ভিস ব্যবহারে ইরানি বিমান সংস্থাগুলোর ওপর বিধিনিষেধ বাড়ায় যাত্রীদের একটি অংশকে বিকল্প হিসেবে দীর্ঘ ও ব্যয়বহুল স্থলপথ বেছে নিতে হচ্ছে। আন্তর্জাতিক রুট সংকুচিত হওয়ায় ইরানের সঙ্গে বিদেশে বসবাসকারী নাগরিকদের যাতায়াত, ব্যবসা-বাণিজ্য ও পারিবারিক যোগাযোগও জটিল হয়ে উঠছে।

ইরানের ব্যাংকিং ব্যবস্থার ওপরও একই সময়ে চাপ বাড়ানো হয়েছে। ২৩ সেপ্টেম্বর সংযুক্ত আরব আমিরাতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেশটিতে কার্যরত ব্যাংক মেল্লি ইরানের সব শাখাকে ইরানের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন বন্ধের নির্দেশ দেয়। এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় ইরানে অর্থ স্থানান্তর ও গ্রহণের পাশাপাশি ট্রেড ফাইন্যান্স বা বাণিজ্য অর্থায়নও রয়েছে। 

আমিরাতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, তাদের পরিদর্শনে ব্যাংকটির বিরুদ্ধে অর্থপাচার, সন্ত্রাসে অর্থায়ন ও অস্ত্র বিস্তারসংক্রান্ত অর্থায়ন প্রতিরোধের বিধিবিধানসহ স্থানীয় আইন ও তদারকি নির্দেশনা না মানার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

তুরস্কও ইরানের আর্থিক নেটওয়ার্কের ওপর চাপ বাড়িয়েছে। সাম্প্রতিক মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় তুরস্কভিত্তিক কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্যবস্তু করার পর মাহান এয়ারের ফ্লাইট স্থগিতের ঘটনাটি আসে। একই ধারাবাহিকতায় ইরানের ব্যাংক মেল্লাতের তুরস্কে কার্যক্রমের লাইসেন্স বাতিলের তথ্যও সামনে এসেছে। এর ফলে ইরানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক বাণিজ্য ও আর্থিক যোগাযোগের একটি পথ আরও সংকুচিত হয়েছে। মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আওতায় বিদেশি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোও পড়তে পারে এই ঝুঁকিই তৃতীয় দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ইরানের সঙ্গে লেনদেনের ক্ষেত্রে বড় চাপ তৈরি করছে।

ইরানের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের অবস্থান বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। দেশটি দীর্ঘদিন ধরে ইরানের সঙ্গে উল্লেখযোগ্য বাণিজ্যিক যোগাযোগের একটি কেন্দ্র এবং দুবাই ইরানি ব্যবসা ও বিমান চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক গন্তব্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ফলে আমিরাতের ব্যাংকিং ও বিমান চলাচলসংক্রান্ত বিধিনিষেধ ইরানের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও আর্থিক লেনদেনের ওপর বাড়তি প্রভাব ফেলতে পারে। ২৩ সেপ্টেম্বর ব্যাংক মেল্লির আমিরাতের শাখাগুলোকে ইরানের সঙ্গে লেনদেন বন্ধের সিদ্ধান্ত সেই চাপকে আরও দৃশ্যমান করেছে।

অন্যদিকে যুক্তরাজ্যও ইরানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরও বিস্তৃত করার উদ্যোগ নিয়েছে। ৮ সেপ্টেম্বর ব্রিটিশ সরকার নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ ঘোষণা করে, যাতে ইরানের অর্থনীতি, জ্বালানি, ধাতু, স্বর্ণ, সফটওয়্যার, জাহাজ চলাচল, বিমা ও ব্যাংকিং খাতে অতিরিক্ত বিধিনিষেধ যুক্ত হচ্ছে। একই সঙ্গে ইরানি বিমানের যুক্তরাজ্যে অবতরণের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিধানও রাখা হয়েছে, কিছু সীমিত ব্যতিক্রম ছাড়া। তবে এসব নতুন ব্যবস্থার বড় অংশ ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে কার্যকর হওয়ার কথা; ফলে ২৭ সেপ্টেম্বরের হিসাবে যুক্তরাজ্যের পদক্ষেপকে নতুন নিষেধাজ্ঞা কাঠামো প্রণয়ন ও কার্যকরের প্রস্তুতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ব্রিটিশ সরকারের ঘোষিত নতুন বিধিনিষেধের আওতায় ইরানের সঙ্গে ঋণ, বিনিয়োগ ও নির্দিষ্ট আর্থিক সম্পর্ক সীমিত করার পাশাপাশি তেল, পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য, প্রাকৃতিক গ্যাস, জ্বালানি-প্রযুক্তি, স্বর্ণ ও মূল্যবান ধাতু, সামুদ্রিক পণ্য ও প্রযুক্তি এবং কিছু সফটওয়্যার ও প্রযুক্তি খাতে বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা সম্প্রসারণের কথা বলা হয়েছে। তৃতীয় দেশের মাধ্যমে বাণিজ্য ও প্রযুক্তি স্থানান্তরের ক্ষেত্রেও নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে। 

ব্রিটিশ সরকার জানিয়েছে, এসব পদক্ষেপের উদ্দেশ্য ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও সংশ্লিষ্ট সক্ষমতার ওপর চাপ বাড়ানো।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট শুধু বিমান ও ব্যাংকিং খাতে সীমাবদ্ধ নেই। ২৪ আগস্ট ২০২৬-এ মার্কিন ট্রেজারি দপ্তর এই অভিযানের কাঠামো ঘোষণা করে এবং পরবর্তী সময়ে ইরানের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ খাত ও বিদেশি সহায়ক নেটওয়ার্ককে লক্ষ্য করে ধারাবাহিক নিষেধাজ্ঞা জারি করে। ৮ সেপ্টেম্বরের বিমান খাতের পদক্ষেপে ২৭টি ইরানি বিমান সংস্থাকে একযোগে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়। এর মাধ্যমে ইরানের বেসামরিক বিমান পরিবহন ব্যবস্থার প্রায় পুরো আন্তর্জাতিক কাঠামোর ওপর সরাসরি চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে।

মার্কিন চাপের কার্যকারিতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে তৃতীয় দেশের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কারণ শুধু যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব নিষেধাজ্ঞা দিয়ে ইরানের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব নয়; ইরানের সঙ্গে লেনদেনকারী বিদেশি ব্যাংক, বিমানবন্দর, কার্গো কোম্পানি, গ্রাউন্ড-হ্যান্ডলিং প্রতিষ্ঠান ও মধ্যস্থতাকারীদের ওপরও ঝুঁকি তৈরি করতে হচ্ছে। সাম্প্রতিক মার্কিন পদক্ষেপে তুরস্ক ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ কয়েকটি দেশের প্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্য করার ঘটনাও সেই কৌশলের অংশ। বিদেশি ব্যাংক মার্কিন আর্থিক ব্যবস্থায় প্রবেশাধিকার হারানোর আশঙ্কায় ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক কমিয়ে দিলে নিষেধাজ্ঞার প্রভাব আরও বিস্তৃত হয়।

তবে ইরানের আন্তর্জাতিক যোগাযোগ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়নি। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দেখা যাচ্ছে, কিছু রুট ও কিছু দেশ এখনো ইরানের সঙ্গে বিমান ও বাণিজ্যিক যোগাযোগ বজায় রেখেছে। বিশেষ করে চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে ইরানের সম্পর্ক অব্যাহত রয়েছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে। ফলে বর্তমান পরিস্থিতিকে ইরানের সম্পূর্ণ অর্থনৈতিক বিচ্ছিন্নতা নয়, বরং দেশটির আন্তর্জাতিক আর্থিক, বাণিজ্যিক ও বিমান যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ পথগুলো ক্রমশ সংকুচিত করার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এই পরিস্থিতিতে ইরানের ওপর চাপের দুটি দিক স্পষ্ট হয়ে উঠেছে একদিকে যুক্তরাষ্ট্র নিজস্ব নিষেধাজ্ঞার আওতা বাড়াচ্ছে, অন্যদিকে মিত্র ও আঞ্চলিক অংশীদারদের একই ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য করতে উৎসাহিত করছে। যুক্তরাজ্যের নতুন নিষেধাজ্ঞা কাঠামো, তুরস্ক ও ওমানে মাহান এয়ারের রুট বন্ধ, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ব্যাংক মেল্লির লেনদেন নিষিদ্ধ এবং ইরানি বিমান সংস্থাগুলোর আন্তর্জাতিক চলাচলে ক্রমবর্ধমান বিধিনিষেধ সব মিলিয়ে ইরানের অর্থনৈতিক ও পরিবহন নেটওয়ার্কের ওপর চাপ একাধিক স্তরে বিস্তৃত হয়েছে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এই ধারাবাহিক পদক্ষেপকেই ওয়াশিংটনের কৌশলের সাফল্যের উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেছেন এবং বলেছেন, ইরানের আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক যোগাযোগের অবশিষ্ট পথগুলো নিয়েও কাজ চালিয়ে যাবে যুক্তরাষ্ট্র।

নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়