artk
সোমবার, আগষ্ট ১৯, ২০১৯ ৪:০৬   |  ৪,ভাদ্র ১৪২৬
বুধবার, জুন ১২, ২০১৯ ৫:১৯

নিজের চরকায় তেল দিন, ওবায়দুল কাদেরকে গয়েশ্বর

স্টাফ রিপোর্টার
media

‘বিএনপি একটি বিশৃঙ্খল রাজনৈতিক দল‘ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, ওবায়দুল কাদের সাহেবকে বলবো, উনি নিজের চরকায় তেল দেক, তার চেহারাটা আয়নায় দেখুক। কারণ আমার সংগঠনকে তিরস্কার করে তার সংগঠনের দুরবস্থা থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার কোনো কারণ নেই। 

‘বিএনপি একটি বিশৃঙ্খল রাজনৈতিক দল‘ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, ওবায়দুল কাদের সাহেবকে বলবো, উনি নিজের চরকায় তেল দেক, তার চেহারাটা আয়নায় দেখুক। কারণ আমার সংগঠনকে তিরস্কার করে তার সংগঠনের দুরবস্থা থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার কোনো কারণ নেই। 

বুধবার রাজধানীর নয়াপল্টন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের চেম্বারে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

এই প্রশ্নের জবাবে ছাত্রদলের আন্দোলন ও কমিটির বিষয়ে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, এটা নিয়ে আমরা উভয় সংকটে। এই যে ওরা (ছাত্ররা) দীর্ঘদিন জেল খাটলো, মামলা এবং পুলিশের হয়রানির স্বীকার হলো, অথচ ওদের অবদানের বিনিময়ে ওরা কি পাবে? ওদের কি মূল্যায়ন হবে? দোষটা কার? দোষ কারো না। কারণ গণতান্ত্রিক পরিবেশ না থাকলে কোন রাজনৈতিক দল তার কাজটি সঠিকভাবে করতে পারে না।

বয়সসীমা না করে ধারাবাহিক কমিটির দাবিতে ছাত্রদলের আন্দোলনে বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ছাত্রদল বিরাট একটি সংগঠন। এই সংগঠনের আন্দোলন-সংগ্রামের অনেক ঐতিহ্য আছে। তবে অতীতের মত ওদের আন্দোলনের ধারাবাহিক ঐতিহ্যটা নাই। কিন্তু তারপরও তো তারা প্রচেষ্টা করে। ছাত্ররা কোথায় থাকবে? কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে। তবে দীর্ঘ ১২ বছর যাবৎ তারা ক্যাম্পাসে যেতে পারে না! তাই তাদের কর্মকান্ডটা ক্যাম্পাস ভিত্তিক কিংবা ছাত্রদের নিয়ে কর্মকান্ডটা তারা করতে পারছে না।

গয়েশ্বর বলেন, ছাত্রদলের নিয়মিত কাউন্সিল হওয়া দরকার। কিন্তু কাউন্সিল হওয়ার মতো হয়তো পরিস্থিতি নাই। যার কারণে আমাদের কাউন্সিলগুলো হতে বিলম্ব হয়। একারণে অনেকের ছাত্রত্ব থাকে না। আর কাউন্সিল নিয়মিত হলে ছাত্ররা তাদের অবদান অনুযায়ি পুরস্কৃত হয়।

তিনি বলেন, মঙ্গলবার যেটা হয়েছে, সেটাকে আমি অস্বাভাবিক মনে করি না। কারণ বড় বড় রাজনৈতিক দলের ছাত্র সংগঠনে প্রতিযোগিতাগুলো অনেক সময় প্রতিহিংসারও রূপ নেয়। সুতরাং এটাকে বড় করে বা নীতিবাচক করে দেখার কিছুই নাই। তবে এক্ষেত্রে আমাদের কিছু দায়িত্ব আছে- সেটা হলো, ওদেরকে বুঝানো এবং এই সিদ্ধান্ত বানচালের ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করতে হবে। আর তাদের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তকে মূল্যায়ন করে তাদের মূল্যায়ন কিভাবে করা যায়, তা আমরা করবো। তাই আমি সবাইকে বলবো, এটাকে স্বাভাবিকভাবে নেন।

ছাত্রদলের বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, আমরা তাদের কথাগুলো শুনবো এবং সেই কথাগুলো শুনে আমরা সমাধান করা চেষ্টা করবো। আমি বিশ্বাস করি, ওরা এটা বুঝবে। সুতরাং ওদের সঙ্গে আলাপ করে আমরা এটার সমাধান করবো।

প্রশ্ন উঠেছে যে, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট করে বিএনপির কি লাভ হলো- এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখানে কোনো দলের লাভ-ক্ষতির হিসাব করার সময় না। আর আমি যদি দলীয় লাভের হিসেব করি তাহলো তো ঐক্য হবে না।

কবে নাগাদ বিএনপি মাঠে নামবে- জানতে চাইলে গয়েশ্বর বলেন, আমরা তো মাঠে নামি। কিন্তু আমাদের মাঠে নামাটা নামার মতো কেউ দেখে নাই। সেই দেখানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আর বিএনপির জন্ম বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রশ্নে। আর যদি ঐক্য নাও হয় তাহলে বিএনপি ঘরে বসে থাকবে? তাহলে তো জনগণের দল হিসেবে বিএনপি দায়িত্বশীল দল হলো না।

আন্দোলনের জন্য বিএনপি কতটা সংগঠিত- এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কোন সময় কোন দল শতভাগ প্রস্তুতি নিয়ে এবং শতভাগ দল গুছিয়ে কেউ আন্দোলন করে না। কারণ আন্দোলনের মাধ্যমেই দলটা গুছিয়ে আসে।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়ে কোন আন্তর্জাতিক চাপ নেই- ক্ষমতাসীন দলের এই বক্তব্যের প্রক্রিয়া জানতে চাইলে গয়েশ্বর বলেন, আমরা মনে করি, আমার দেশে আমি বাস করি। সুতরাং আমার দেশের সমস্যা আমাকেই সমাধান করতে হবে।

বেগম জিয়াকে কেরানীগঞ্জ কারাগারে নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সরকারের যখন ইচ্ছে তখন যে কোন জেলখানার নিতে পারে। এটা সরকারে ইচ্ছা। এখানে কোনো প্রতিক্রিয়া নাই।

হামলার পরেও মৌলিক সেবা থেকে বঞ্চিত করেছে- ভিপি নুর রাতে ঢাকায় আসছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গুগল ম্যাপের সাহায্যে বাড়ি ফিরলো মেয়েটি নবম ওয়েজ বোর্ড নিয়ে আপিলের আদেশ মঙ্গলবার ধর্ষণের থেকে মুক্তি চাইতে গিয়ে ভাইয়ের কাছেও... রাজধানীতে ‘আল্লাহর সরকার’ ৪ জঙ্গি আটক ২০৫০-মধ্যে তলিয়ে যেতে পারে জাকার্তা মার্কিনকে চাপ অগ্রাহ্য করে জিব্রাল্টার ছাড়ল ইরানি ট্যাংকার কনস্টেবলের লক্ষ্যভ্রষ্ট গুলি এএসপির বাসায় স্বামীর লাশ দেখে মারা গেলেন স্ত্রীও পদ্মায় ফেরি-লঞ্চ সংর্ঘষ, অল্পের জন্য বেঁচে যান ৩ শতাধিক যাত্রী মেসিকে খুশি রাখতেই নেইমার ‘নাটক’ জেলা প্রশাসকের কাছে সততার পুরস্কার পেলেন অটোচালক সিরাজগঞ্জে কাপড় ব্যবসায়ীর স্ত্রী-কন্যা নিখোঁজ পেয়ারা পাড়তে গিয়ে স্কুলছাত্রীর করুণ মৃত্যু খুলনার সঙ্গে রেল যোগাযোগ বন্ধ ভারত পরমাণু যুদ্ধ বাধাতে পারে: ইমরান খান রাঙামাটিতে সন্ত্রাসীদের গুলিতে সেনা সদস্য নিহত এক মাসেই তিনবার বাড়লো সোনার দাম ছাত্রদলের নেতেৃত্বে আসতে মনোনয়নপত্র কিনলেন ১০৮ জন ‘অদৃশ্য খুঁটির’ জোরে ৪ লাখ টাকার গাছ ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি সিপিডির ভবনে এডিস মশার লার্ভা, ২০ হাজার টাকা জরিমানা শোক দিবসের আলোচনা সভা করবেন ড. কামাল চামড়া শিল্পে আপাতত সমস্যা নেই: শিল্পমন্ত্রী শোক দিবসের অনুষ্ঠানে ছাত্রলীগের রক্তদান সোমবার রাতে ঢাকায় আসছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অতিরিক্ত ডিআইজি হলেন পুলিশের ২০ কর্মকর্তা এএসপির মেয়ের টেবিলের ওপর আঘাত হানলো কনস্টেবলের গুলি চামড়া বিক্রি বন্ধের সিদ্ধান্তে নেই আড়তদাররা দেশে এলো কলকাতায় নিহত ২ বাংলাদেশির মরদেহ