সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিই দেশের গৌরব: প্রধানমন্ত্রী
ফাইল ছবি
পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীসমূহের ঐতিহ্যবাহী প্রধান সামাজিক উৎসব ‘বৈসাবি’ (বিজু, সাংগ্রাই, বৈসু, বিষু, চাংক্রান ও চাংলান) এবং বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে পাহাড়ে বসবাসরত সকল সম্প্রদায়সহ দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (১১ এপ্রিল) তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা ইয়াকুব আলী স্বাক্ষরিত এক বাণীতে তিনি এই শুভেচ্ছা জানান।
প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে উল্লেখ করেন, বাংলা নববর্ষ ও চৈত্র সংক্রান্তিকে ঘিরে পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী এই উৎসবগুলো আমাদের জাতীয় উৎসবেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ।
তিনি বলেন, পাহাড়ি অঞ্চলের বিভিন্ন নৃ-গোষ্ঠীর ঐতিহ্য, কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ইতিহাস বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাস ও সংস্কৃতিকে গৌরবময়, প্রাচুর্যময় ও সৌন্দর্যমণ্ডিত করেছে। মানুষে-মানুষে সম্প্রীতি ও মিলনের যে অমিয় বাণী আমাদের লোকজ ঐতিহ্যে মিশে আছে, এই উৎসবগুলো তারই বহিঃপ্রকাশ। এসব উৎসব জাতীয় জীবনে অনাবিল শান্তি ও আনন্দ বয়ে আনবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
আরও পড়ুন: লন্ডন হাইকমিশনের প্রেস মিনিস্টার পদ ছাড়লেন আকবর হোসেন
দেশের প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকারের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সারা বিশ্বে দেশের মর্যাদায় এক উজ্জ্বলতর ভিন্নমাত্রা যোগ করেছে। আমরা দেশের ক্ষুদ্র-বৃহৎ সকল জাতিগোষ্ঠীর সমান অগ্রগতি, বিকাশ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। সংবিধানে বর্ণিত মৌলিক অধিকারের সুরক্ষা প্রতিটি নাগরিকের প্রাপ্য।
তিনি দৃঢ়তার সাথে স্মরণ করিয়ে দেন যে, পাহাড়ে কিংবা সমতলে বসবাসকারী প্রতিটি বাংলাদেশি নাগরিকের সমান অধিকার রাষ্ট্র নিশ্চিত করবে।
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে পাহাড় ও সমতলের সকল মানুষের ধর্মীয় ও সামাজিক মেলবন্ধনই আমাদের শক্তির উৎস। বৈচিত্র্যময় এই সংস্কৃতির সুরক্ষা ও বিকাশের মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি পার্বত্য এলাকার জনসাধারণের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তির শেষে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, নতুন বছর এবং নৃ-গোষ্ঠীসমূহের এই সামাজিক উৎসবগুলো সবার জীবনে নতুন উদ্দীপনা নিয়ে আসবে।
নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি








