শ্যামলী টিবি হাসপাতালের সভাপতি ববি হাজ্জাজ
ফাইল ছবি
রাজধানীর শ্যামলীতে অবস্থিত ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট টিবি হাসপাতালের হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হিসেবে ঢাকা-১৩ আসনের সংসদ সদস্য এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজকে মনোনয়ন দিয়েছে সরকার। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ মনোনয়ন কার্যকর করা হয়েছে।
বুধবার (০৫ আগস্ট) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-১ শাখা গত ৩০ জুলাই এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। উপসচিব কাজী শরীফ উদ্দিন আহমেদের সই করা ওই প্রজ্ঞাপনে নির্দেশক্রমে রাজধানীর শ্যামলীর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট টিবি হাসপাতালের হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হিসেবে ববি হাজ্জাজকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। একই সঙ্গে উল্লেখ করা হয়, জনস্বার্থে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতির দায়িত্বের মধ্যে হাসপাতালের সার্বিক প্রশাসনিক কার্যক্রম তদারকি, সেবার মানোন্নয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় এবং রোগীবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান অন্তর্ভুক্ত থাকে। সরকারি হাসপাতালগুলোর ব্যবস্থাপনা কমিটি হাসপাতালের কার্যক্রমে জবাবদিহি ও সমন্বয় বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
আরও পড়ুন: মানবিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ার আহ্বান জুবাইদা রহমানের
ববি হাজ্জাজ চলতি বছরের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে তিনি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এর আগে তিনি ন্যাশনালিস্ট ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট (এনডিএম)-এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ছিলেন এবং পরবর্তী সময়ে বিএনপির মনোনয়নে নির্বাচনে অংশ নেন। নির্বাচনের পর থেকে শিক্ষা, স্থানীয় উন্নয়ন ও জনসেবামূলক বিভিন্ন কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন।
স্বাস্থ্য খাত সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, রাজধানীর অন্যতম বিশেষায়িত যক্ষ্মা চিকিৎসাকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত শ্যামলীর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট টিবি হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির নেতৃত্বে নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত সভাপতি হাসপাতালের সেবা ব্যবস্থাপনা, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং রোগীকেন্দ্রিক কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় জোরদারে ভূমিকা রাখতে পারবেন। তবে হাসপাতালের দৈনন্দিন প্রশাসনিক ও চিকিৎসাসংক্রান্ত কার্যক্রম আগের মতোই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিদ্যমান প্রশাসনিক কাঠামোর অধীনেই পরিচালিত হবে।
নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি








