৪ আসনের ব্যালট ও রেজাল্ট শিট হেফাজতের নির্দেশ
ফাইল ছবি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগের প্রেক্ষিতে কুড়িগ্রাম-২, রংপুর-৪, রংপুর-৬ এবং রাজশাহী-১ আসনের নির্বাচনী নথিপত্র ও ব্যালট পেপার সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
সোমবার (০২ মার্চ) এসব আসনের বিএনপি প্রার্থীদের করা পৃথক আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল এই আদেশ দেন।
আদালতে আবেদনের প্রেক্ষিতে যে চার আসনের ব্যালট পেপার ও রেজাল্ট শিট সরকারি হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সেগুলোর বাদী হলেন সংশ্লিষ্ট আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থীগণ।
তারা হলেন কুড়িগ্রাম-২ আসনের সোহেল হোসাইন কায়কোবাদ, রংপুর-৬ আসনের সাইফুল ইসলাম, রংপুর-৪ আসনের এমদাদুল হক ভরসা, রাজশাহী-১ আসনের মেজর জেনারেল (অব.) মো. শরীফ উদ্দিন।
আরও পড়ুন: ‘ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় স্বচ্ছতার মাধ্যমে এগিয়ে যেতে চায় সরকার’
নির্বাচনী অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে এই বিশেষ নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে। বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত এই একক বেঞ্চ বর্তমানে এসব আবেদনের শুনানি গ্রহণ করছেন। হাইকোর্টের কার্যতালিকা অনুযায়ী, ২০০১ সালের সংশোধিত গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ মোতাবেক নির্বাচনী আবেদনপত্র গ্রহণ ও শুনানির এখতিয়ার এই বেঞ্চের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন দলের ৯ জন প্রার্থী পৃথকভাবে আবেদন জানিয়েছেন। এর মধ্যে আজ চারজনের আবেদন আমলে নিয়ে আদালত এই নির্দেশনা প্রদান করলেন। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত বিএনপির ৭টি এবং জামায়াতে ইসলামীর ৩টি আসনের ব্যালট ও রেজাল্ট শিট হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, আরও বেশ কিছু আসনে কারচুপির অভিযোগ এনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে, যা পর্যায়ক্রমে এই ট্রাইব্যুনালে শুনানির জন্য উত্থাপিত হবে। সংশ্লিষ্ট আসনগুলোর নির্বাচনী ফলাফল ও ভোটগ্রহণের স্বচ্ছতা যাচাইয়ে এই নির্দেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি








