স্টাফ রিপোর্টার || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১৪:১৭, ১৪ আগস্ট ২০২৬

রাজধানীর বাজারে অধিকাংশ সবজি ৮০ টাকার ওপরে

রাজধানীর বাজারে অধিকাংশ সবজি ৮০ টাকার ওপরে

ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর বাজারগুলোতে বেশির ভাগ সবজির দাম এখনো ৮০ টাকার ঘরে। কিছু সবজির দাম ছাড়িয়েছে ১০০ টাকা। বাজারে সবজির সরবরাহ মোটামুটি স্বাভাবিক থাকলেও দামে স্বস্তি নেই ক্রেতাদের। বিশেষ করে টমেটো, গাজর, কাঁচা মরিচ ও ধনেপাতার দাম বেশ চড়া।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজারভেদে দামে কিছুটা পার্থক্য থাকলেও অধিকাংশ সবজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ১৪০ টাকা কেজির মধ্যে। প্রতি কেজি পটল, বেগুন, উচ্ছে ও লতি ৮০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। ঢেঁড়স ও শসার দাম ৬০ টাকা। পেঁপে ৫০ টাকা, ঝিঙে ও চিচিঙ্গা ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে, টমেটো ও গাজর বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা কেজি দরে। কাঁচা মরিচ ২৫০ টাকা এবং ধনেপাতা ৩০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

যাত্রাবাড়ী আড়তে সকালে ক্রেতাদের উপস্থিতি ভালো দেখা গেলেও অনেকেই পছন্দের সবজি পরিমাণে কম কিনছেন। ক্রেতাদের অভিযোগ, একসঙ্গে কয়েক ধরনের সবজি কিনতে গেলেই ব্যাগের খরচ দ্রুত বেড়ে যাচ্ছে। এক সপ্তাহের তুলনায় কিছু সবজির দাম কমলেও সামগ্রিকভাবে বাজারে স্বস্তি ফেরেনি।

সাদমান নামে এক ক্রেতা বলেন, এক কেজি করে কয়েক ধরনের সবজি কিনলেই ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা চলে যাচ্ছে। মাছ-মাংসের সঙ্গে সবজির বাজার সামলানোও কঠিন হয়ে পড়েছে। কিছু সবজির দাম কমেছে, কিন্তু বেশির ভাগ এখনো ৮০ টাকার আশপাশে।

আরেক ক্রেতা বলেন, পেঁপে ও শসার মতো কিছু সবজি তুলনামূলক কম দামে পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু টমেটো, গাজর, মরিচ ও ধনেপাতার দাম অনেক বেশি। দাম কমার কথা শুনলেও বাজারে এসে তেমন পার্থক্য দেখা যাচ্ছে না।

বিক্রেতারা বলছেন, খুচরা বাজারে সবজির দাম বাড়ানোর ক্ষেত্রে তাদের এককভাবে কোনো ভূমিকা নেই। পাইকারি বাজার থেকে বেশি দামে সবজি কিনতে হচ্ছে। এর সঙ্গে পরিবহন ব্যয়, শ্রমিকের মজুরি, দোকান খরচ ও পচে নষ্ট হওয়ার ক্ষতি যোগ হওয়ায় খুচরা বাজারে দাম বেড়ে যাচ্ছে।

সবজি বিক্রেতা সাবিক হোসেন বলেন, কিছু সবজির সরবরাহ এখন ভালো থাকায় দাম একটু কমেছে। কিন্তু টমেটো, গাজর, মরিচ ও ধনেপাতার দাম এখনো বেশি। আড়তে দাম কমলে খুচরা বাজারেও দাম কমে যাবে।

ব্যবসায়ীদের দাবি, আবহাওয়া, পরিবহন ব্যয় এবং বিভিন্ন বাজারে সরবরাহের তারতম্যের কারণে সবজির দামে ওঠানামা করছে। কিছু সবজি দ্রুত নষ্ট হওয়ায় বিক্রি না হলে লোকসানের আশঙ্কাও থাকে। তাই দিনের বাজার পরিস্থিতি অনুযায়ী অনেক সময় দাম নির্ধারণ করতে হয়।

আরও পড়ুন: দেশের বাজারে কমলো স্বর্ণের দাম

তবে ক্রেতাদের দাবি, বাজারে নিয়মিত তদারকি বাড়ানোর পাশাপাশি পাইকারি থেকে খুচরা পর্যায়ে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি বন্ধ করা গেলে সবজির দাম আরও সহনীয় পর্যায়ে আসতে পারে।

রাজধানীর বাজারে কিছু সবজির দাম কম থাকলেও অধিকাংশের দাম এখনো সাধারণ ক্রেতাদের কাছে বাড়তি মনে হচ্ছে। ফলে বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতি থাকলেও দামের কারণে তাদের অসন্তোষ কাটেনি।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এসবি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়