ইতালি যেতে অবৈধ পথ ঠেকাতে সচেতনতা কর্মশালা
ছবি: সংগৃহীত
অবৈধ পথে বাংলাদেশিদের ইতালি যাওয়ার প্রবণতা ঠেকাতে শরীয়তপুর, মাদারীপুর, ফরিদপুরসহ সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করে সচেতনতামূলক কর্মসূচি আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বৈধ শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের অংশগ্রহণ বাড়ানো, দক্ষতা ও ভাষা প্রশিক্ষণ জোরদার এবং দুই দেশের মধ্যে নগর ব্যবস্থাপনা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
সোমবার (০৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রোর সৌজন্য সাক্ষাতের পর স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান। বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী ও স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহিদুল হাসান উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইতালিতে বসবাসরত বাংলাদেশিদের বড় একটি অংশ শরীয়তপুর, মাদারীপুর ও আশপাশের অঞ্চলের। রাষ্ট্রদূতের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে বর্তমানে প্রায় আড়াই লাখ বাংলাদেশি বসবাস করছেন এবং তাদের প্রায় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ এসব অঞ্চলসহ পার্শ্ববর্তী এলাকার। এই অভিবাসী জনগোষ্ঠীর একটি অংশ দীর্ঘদিন ধরে ইতালির অর্থনীতি ও বাংলাদেশের রেমিট্যান্স প্রবাহে অবদান রাখলেও অবৈধ পথে নতুন করে যাওয়া নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। রাষ্ট্রদূত বিশেষ করে সমুদ্রপথে লিবিয়া হয়ে ইতালি যাওয়ার ঝুঁকির কথা তুলে ধরেছেন।
তার মতে, এ ধরনের যাত্রায় মানবিক বিপর্যয় ও প্রাণহানির আশঙ্কা থাকে; ফলে অভিবাসনকে নিরাপদ, নিয়মতান্ত্রিক ও বৈধ পথে পরিচালনা করা জরুরি।
এই প্রেক্ষাপটে সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোতে স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং জনগণকে নিয়ে যৌথ ওয়ার্কশপ আয়োজনের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, এসব কর্মসূচির মাধ্যমে মানুষকে বোঝানো হবে যে অবৈধভাবে বিদেশ যাওয়ার প্রয়োজন নেই; বৈধভাবে যাওয়ার সুযোগ থাকলে সেটি কাজে লাগানোই নিরাপদ ও টেকসই পথ। স্থানীয় সরকারমন্ত্রীও প্রয়োজন হলে নিজে সংশ্লিষ্ট এলাকায় গিয়ে মানুষকে সচেতন করার কথা জানিয়েছেন। তবে ওয়ার্কশপের নির্দিষ্ট তারিখ, স্থান বা অংশগ্রহণকারীদের তালিকা এখনো জানানো হয়নি।
বৈঠকের পর প্রতিমন্ত্রী জানান, ইতালিতে বাংলাদেশি কর্মীদের বৈধভাবে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর প্রায় ১০ হাজার শ্রমিক বৈধভাবে যাওয়ার সুযোগ পেতে পারেন; পরিবারসহ এই সংখ্যা আরও ১২ হাজার পর্যন্ত হতে পারে।
তিনি বলেন, এই সুযোগ কাজে লাগাতে আগ্রহীদের বৈধ প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। তবে এসব সংখ্যা কোনো নির্দিষ্ট বছরের চূড়ান্ত অনুমোদিত কোটা, নাকি সম্ভাব্য সুযোগ তা বৈঠকের বক্তব্যে বিস্তারিতভাবে স্পষ্ট করা হয়নি। তাই এগুলোকে সম্ভাব্য বৈধ অভিবাসন সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে, নিশ্চিত ভিসা বা চাকরির নিশ্চয়তা হিসেবে নয়।
রাষ্ট্রদূত আরও বলেছেন, ইতালিতে বৈধভাবে বাংলাদেশি শ্রমিক নেওয়ার সুযোগ নিয়মিত থাকে এবং প্রতিবছর নির্দিষ্ট সংখ্যক কর্মী নেওয়া সম্ভব হলেও সংখ্যাটি কমবেশি হতে পারে।
এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বৈধ পথে যাওয়ার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও দালালের মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রযাত্রা বেছে নেওয়া অপ্রয়োজনীয়। বৈধ কর্মসংস্থান, পারিবারিক পুনর্মিলন ও অন্যান্য অনুমোদিত অভিবাসন ব্যবস্থার সুযোগ সম্পর্কে মানুষকে সঠিক তথ্য জানানোই হবে সচেতনতামূলক কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য।
এর আগে ২০২৫ সালের নভেম্বরে ঢাকায় একটি সেমিনারে ইতালির রাষ্ট্রদূত জানিয়েছিলেন, ওই বছর প্রায় ১৮ হাজার বাংলাদেশি লিবিয়া হয়ে অবৈধভাবে ইতালিতে প্রবেশ করেছিলেন এবং প্রায় ৯ হাজার বাংলাদেশি বৈধ ভিসা পেয়েছিলেন, যাঁদের মধ্যে ৫৩০ জন শিক্ষার্থী ছিলেন। তবে এই তথ্যের সঙ্গে সোমবারের বৈঠকে উল্লেখ করা সংখ্যাগুলো এক নয়; ফলে এগুলো ভিন্ন সময়ের ভিন্ন হিসাব হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।
বাংলাদেশিদের ইতালি যাওয়ার প্রবণতা বিশেষ করে মাদারীপুর ও শরীয়তপুর অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত। সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার এক তরুণের ইতালি যাওয়ার জন্য দালালের কাছে পাসপোর্ট জমা দেওয়ার কথা উঠে এসেছে। সেখানে বলা হয়, ইতালি পৌঁছানোর পর পরিবারকে আট লাখ টাকা দেওয়ার আশ্বাসে তিনি যাত্রার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।
আরও পড়ুন: ইমাম-মুয়াজ্জিন- পুরোহিতদের ভাতা ও সম্মানীর প্রজ্ঞাপন জারি
প্রতিবেদনে আরও উঠে এসেছে, এলাকায় ইতালি যাওয়ার প্রবণতা অনেক পরিবারের সামাজিক ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করছে। এই বাস্তবতা দেখায়, অবৈধ অভিবাসন শুধু সীমান্ত বা সমুদ্রপথের নিরাপত্তার বিষয় নয়; এর সঙ্গে স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান, সামাজিক প্রত্যাশা, ঋণগ্রস্ততা ও দালালচক্রের প্রভাবও জড়িত।
বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী বলেন, অবৈধভাবে যারা ইতালিতে অবস্থান করছেন, তাদের বৈধ করার বিষয়ে আলোচনা হয়নি। আর দালালের মাধ্যমে যারা অবৈধভাবে যাচ্ছে, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন। রাষ্ট্রদূত অবৈধভাবে লোক পাঠানোর ক্ষেত্রে দালাল শব্দটি ব্যবহার করেছেন বলেও জানান তিনি। স্থানীয় সরকারের পক্ষ থেকে এসব ব্যক্তিকে অবৈধ এজেন্ট হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে সচেতনতা কর্মসূচির পাশাপাশি অবৈধ নিয়োগ, ভুয়া প্রতিশ্রুতি, প্রতারণামূলক ভিসা ও ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
বাংলাদেশ থেকে ইতালিতে বৈধ কর্মসংস্থানের সুযোগ থাকলেও সেই প্রক্রিয়ায় নিয়োগ অনুমোদন, ভিসা আবেদন, নথি যাচাই ও দূতাবাসের প্রক্রিয়াগত বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ। ইতালির ফ্লুসি ব্যবস্থার আওতায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের দেশগুলো থেকে মৌসুমি ও অ-মৌসুমি খাতে শ্রমিক নেওয়া হয়। বাংলাদেশ ২০২২ সালে দীর্ঘ বিরতির পর এই ব্যবস্থায় পুনরায় সুযোগ পায়। তবে ২০২৪ সালে জাল ও ভুয়া নথির অভিযোগে বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের নাগরিকদের জন্য ইস্যু করা কিছু নুল্লা ওস্তা যাচাই না হওয়া পর্যন্ত স্থগিত রাখা হয়েছিল।
ইতালির দূতাবাস জানিয়েছিল, সংশ্লিষ্ট প্রাদেশিক অভিবাসন দপ্তরের যাচাই শেষ হওয়ার পরই কাজের ভিসা দেওয়া হবে।
এ কারণে বৈধ অভিবাসনের সুযোগকে কার্যকর করতে শুধু জনসচেতনতা নয়, নিয়োগ অনুমোদন ও ভিসা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, নথির যথার্থতা এবং আবেদনকারীদের নির্ভরযোগ্য তথ্যপ্রাপ্তিও জরুরি।
ইতালির দূতাবাসের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, পরিবার পুনর্মিলন ভিসার আবেদনকারীদের ব্যক্তিগত যোগাযোগ নম্বর ও ই-মেইল সঠিকভাবে দেওয়া এবং ভিসা আবেদনের অগ্রগতি নিয়মিত অনুসরণ করার দায়িত্ব আবেদনকারীর। দূতাবাস আরও জানিয়েছে, নির্দিষ্ট শর্তে পরিবার পুনর্মিলন ভিসার আবেদন সরাসরি ভিএফএস গ্লোবালের মাধ্যমে করা যায় এবং তৃতীয় পক্ষের সহায়তা নেওয়া বাধ্যতামূলক নয়।
বৈঠকে বাংলাদেশি কর্মীদের দক্ষতা বাড়ানো, ইতালীয় ভাষা শেখানো এবং পরিবেশগত ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, দক্ষ জনশক্তি রপ্তানির অংশ হিসেবে বাংলাদেশি কর্মী ও প্রশিক্ষকদের ইতালীয় ভাষা শেখাতে ইতালি থেকে প্রতিনিধি পাঠানোর বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে। দেশের যেকোনো একটি ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে এই প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। বাংলাদেশি স্থপতিদের দক্ষতা বাড়াতে ইতালিতে প্রশিক্ষণের আমন্ত্রণও জানানো হয়েছে। নির্দিষ্ট তালিকা পাঠানো হলে সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও স্থপতিদের এই সফরে পাঠানো হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
এই উদ্যোগের সঙ্গে শ্রমবাজারের বাস্তব চাহিদা, দক্ষতা উন্নয়ন ও ভাষাগত সক্ষমতার সম্পর্ক রয়েছে। বৈধভাবে বিদেশে যাওয়ার সুযোগ থাকলেও কর্মীদের পেশাগত দক্ষতা, ভাষা জ্ঞান ও নথিপত্রের প্রস্তুতি যথাযথ না হলে কর্মসংস্থানের সুযোগ কাজে লাগানো কঠিন হতে পারে। তাই বৈধ অভিবাসনকে টেকসই করতে প্রশিক্ষণ ও তথ্যপ্রাপ্তির বিষয়গুলোও গুরুত্ব পাচ্ছে।
বৈঠকে ইতালির মিলান শহরের মডেলে বাংলাদেশে খাদ্য অপচয় রোধ ও খাদ্যনিরাপত্তা বিষয়ে কাজ করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০১৫ সাল থেকে খাদ্য অপচয় রোধ ও ফুড সিকিউরিটিতে কাজ করা মিলানের অভিজ্ঞতার আলোকে বাংলাদেশেও সহযোগিতা করতে ইতালি সম্মত হয়েছে। এ ক্ষেত্রে খুলনা সিটি কর্পোরেশনকে বেছে নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। তবে প্রকল্পের অর্থায়ন, বাস্তবায়ন কাঠামো, সময়সীমা বা নির্দিষ্ট কার্যক্রম সম্পর্কে বৈঠক শেষে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো বলেন, বাংলাদেশ ও ইতালির মধ্যে বাণিজ্য, অভিবাসন এবং দুই দেশের শহরগুলোর মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বা টুইনশিপ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
তার মতে, সৌজন্য সাক্ষাৎ হলেও দুই দেশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে কীভাবে একসঙ্গে কাজ করা যায়, সে বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিষ্ঠান হওয়ায় এর সঙ্গে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি করতে ইতালি আগ্রহী।
বৈঠক-পরবর্তী আলোচনায় প্রতিমন্ত্রী মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিক নেওয়ার বিষয়েও কথা বলেন। তিনি জানান, মালয়েশিয়ার হাইকমিশনারকে দুই লাখ শ্রমিক নেওয়ার বিষয়ে অনুরোধ করা হয়েছে। তবে এই সংখ্যা নিয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা নতুন চুক্তির কথা তিনি জানাননি। এর আগে ১ সেপ্টেম্বরের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার কর্মীকে সম্পূর্ণ বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় নেওয়ার বিষয়ে দেশটির সরকার নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে। এই তথ্যটি ইতালি-বাংলাদেশ বৈঠকের অংশ নয়; বরং একই সময়ে বাংলাদেশের শ্রমবাজার সম্প্রসারণের বৃহত্তর আলোচনার একটি আলাদা প্রসঙ্গ।
সোমবারের বৈঠকের মূল বার্তা হলো, বাংলাদেশিদের বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে হলে অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ পথের পরিবর্তে বৈধ অভিবাসন ব্যবস্থাকে কার্যকর করতে হবে। ইতালিতে বসবাসরত বাংলাদেশি জনগোষ্ঠীর বড় অংশ শরীয়তপুর, মাদারীপুর ও আশপাশের অঞ্চলের হওয়ায় স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতা কর্মসূচি আয়োজনের উদ্যোগটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। একই সঙ্গে দক্ষতা ও ভাষা প্রশিক্ষণ, ভিসা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, দালালচক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা এবং বৈধ নিয়োগের সুযোগ সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য পৌঁছে দেওয়াও জরুরি।
বাংলাদেশ-ইতালি সম্পর্কের ক্ষেত্রে অভিবাসন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলেও এর সঙ্গে বাণিজ্য, দক্ষতা উন্নয়ন, নগর ব্যবস্থাপনা ও খাদ্যনিরাপত্তার মতো ক্ষেত্রও যুক্ত হচ্ছে। ফলে বৈঠকটি শুধু অবৈধ অভিবাসন ঠেকানোর উদ্যোগ হিসেবে নয়, বরং দুই দেশের মধ্যে বৈধ শ্রমবাজার ও উন্নয়ন সহযোগিতাকে আরও সুসংগঠিত করার একটি প্রচেষ্টা হিসেবেও দেখা হচ্ছে।
নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি








