উৎসব ভাতা নিয়ে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য সুখবর
ফাইল ছবি
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত প্রায় ছয় লাখ শিক্ষক-কর্মচারীর জন্য সুখবর দিচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে তাদের উৎসব ভাতা বিদ্যমান ১০ শতাংশ বৃদ্ধি করার জোর তৎপরতা শুরু হয়েছে। এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বড় ধরনের আর্থিক সুবিধা পেতে যাচ্ছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীরা।
এ সংক্রান্ত প্রস্তাবনা প্রস্তুতির জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি), কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য চাওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান সময়ে শিক্ষক-কর্মচারীরা মূল বেতনের ৫০ শতাংশ উৎসব ভাতা পাচ্ছেন। উৎসব ভাতা ৬০ শতাংশে উন্নীত করলে সরকারের অতিরিক্ত ব্যয় হবে প্রায় ২৮৫ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। এর মধ্যে স্কুল ও কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত অর্থ ১৯০ কোটি টাকা এবং মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাকর্মীদের জন্য ৯৫ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। বর্তমানে এই ভাতা প্রদানে সরকার ব্যয় করছে ১ হাজার ৪২৮ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। উৎসব ভাতা বৃদ্ধির পর মোট ব্যয় দাঁড়াবে ১ হাজার ৭১৪ কোটি ৫৩ লাখ টাকা।
আরও পড়ুন: দক্ষ মানবসম্পদ গঠনে কারিগরি শিক্ষায় সংস্কারের নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রস্তাবগুলো অধিদপ্তর থেকে সংগ্রহের পর তা পর্যালোচনা করে অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আসন্ন ঈদুল ফিতরের পূর্বেই শিক্ষক ও কর্মচারীরা বর্ধিত উৎসব ভাতা পাবেন।
উল্লেখ্য, এর আগে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা মূল বেতনের ২৫ শতাংশ আর কর্মচারীরা ৫০ শতাংশ উৎসব ভাতা পেতেন। গত বছর শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে শিক্ষকদের উৎসব ভাতা ২৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৫০ শতাংশ হয়। এবার উভয় শিক্ষাকর্মীর জন্য আরও ১০ শতাংশ ভাতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, যা শিক্ষকদের আর্থিক স্বচ্ছলতায় উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে।
নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি








