News Bangladesh

নিউজ ডেস্ক || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১৩:০৪, ৮ মার্চ ২০২৬

ফেব্রুয়ারির বেতন না পেয়ে বিপাকে পৌনে ৪ লাখ শিক্ষক-কর্মচারী

ফেব্রুয়ারির বেতন না পেয়ে বিপাকে পৌনে ৪ লাখ শিক্ষক-কর্মচারী

ফাইল ছবি

বেসরকারি স্কুল ও কলেজের পৌনে চার লাখেরও বেশি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীর ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন ছাড় নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে দীর্ঘসূত্রতা। গত মঙ্গলবার বেতনের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেওয়া হলেও ‘আইবাস’ (iBAS++) সিস্টেমে কারিগরি জটিলতার কারণে অর্থ ছাড় না হওয়ায় এখনো ব্যাংকগুলোতে টাকা পৌঁছায়নি। ফলে পবিত্র ঈদুল ফিতর সামনে রেখে বেতন না পেয়ে চরম অনিশ্চয়তা ও হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন শিক্ষকরা।

মাউশি সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার স্কুল-কলেজের ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন অনুমোদন করা হলেও, অনুমোদিত তথ্য এখনো আইবাস সিস্টেমের মাধ্যমে ব্যাংকগুলোতে পাঠানো হয়নি। 

রবিবার (০৮ মার্চ) বেলা ১১টা ১০ পর্যন্ত আইবাস থেকে বেতন ছাড় না হওয়ায় অনুদানবন্টনকারী ব্যাংকগুলোতে অর্থ পৌঁছায়নি। 

মাউশির পরিচালক (অর্থ ও ক্রয়) অধ্যাপক মোহাম্মদ মনির হোসেন পাটওয়ারী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আইবাস থেকে বেতনের তথ্য ছাড় হয়নি। আমরা আজকের মধ্যেই আইবাস থেকে বেতনের তথ্য ছাড়ের ব্যবস্থা করব। 

তিনি আরও বলেন, শিক্ষকদের বেতন দেরিতে হওয়ায় তাদের ঈদের কেনাকাটায় সমস্যা হচ্ছে। তবে টেকনিক্যাল কারণে বিলম্ব হয়েছে এবং আশা করছি আজকের মধ্যেই বিষয়টি সমাধান হবে।

আরও পড়ুন: উৎসব ভাতা নিয়ে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য সুখবর

তথ্য অনুসারে, প্রতি মাসে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতার প্রস্তাব প্রতিষ্ঠান প্রধানরা মাউশিতে জমা দেন। অনলাইন বিল দাখিলের পর তা যাচাই-বাছাই করা হয় এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে বেতনের অর্থ ছাড়ের ব্যবস্থা করা হয়। চূড়ান্ত অনুমোদনের পরেই শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন ব্যাংকে পাঠানো হয়।

আগের এক প্রক্রিয়াক্রমে জানা গেছে, ফেব্রুয়ারি মাসের বেতনের প্রস্তাব ইএমআইএস সেলের মাধ্যমে তৈরি করা হয়, যা এখনও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়নি। 

মাউশির একটি সূত্র জানিয়েছে, ২৬ ফেব্রুয়ারি বুধবার স্কুল-কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতনের প্রস্তাব মাউশির অর্থ শাখায় পাঠানো হয় এবং বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রণালয়ে প্রেরণের পরিকল্পনা ছিল। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে শিক্ষক-কর্মচারীরা মার্চের ৫ অথবা ৮ তারিখে ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন-ভাতা পেতে পারেন।

উল্লেখ্য, সরকার এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা নিয়মিত ও স্বচ্ছভাবে প্রদান নিশ্চিত করতে ডিজিটাল বিল দাখিল ও অনুমোদনের প্রক্রিয়া চালু করেছে। এতে বেতন-ভাতা প্রক্রিয়াকরণ আরও স্বচ্ছ হলেও সাম্প্রতিক টেকনিক্যাল কারণে বিলম্ব দেখা দিয়েছে।

নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়