News Bangladesh

স্টাফ রিপোর্টার || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১৮:৪৭, ৫ মার্চ ২০২৬

একুশে পদকের পর এবার ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ পাচ্ছেন ড. সুকোমল বড়ুয়া

একুশে পদকের পর এবার ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ পাচ্ছেন ড. সুকোমল বড়ুয়া

অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া। ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬’ ঘোষণা করেছে সরকার। এ বছর গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ক্যাটাগরিতে এই মর্যাদাপূর্ণ পদকের জন্য মনোনীত হয়েছেন একুশে পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, বৌদ্ধতাত্ত্বিক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পালি অ্যান্ড বুদ্ধিস্ট স্টাডিজ বিভাগের সুপারনিউমারারি অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া।

​বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই বছরের পদক বিজয়ীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়। 

তালিকায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া (মরণোত্তর) সহ ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং ৫টি প্রতিষ্ঠানের নাম রয়েছে।

​ড. সুকোমল বড়ুয়া বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পালি অ্যান্ড বুদ্ধিস্ট স্টাডিজ বিভাগে সুপারনিউমারারি অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। শিক্ষাক্ষেত্রে অনন্য সাধারণ অবদানের জন্য ২০০৬ সালে সরকার তাকে 'একুশে পদক'-এ ভূষিত করেছিল। দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনের পাশাপাশি তিনি ২০১৭ সাল থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

​পুরস্কার প্রাপ্তির সংবাদে তাৎক্ষণিক এক প্রতিক্রিয়ায় ড. সুকোমল বড়ুয়া জানান, তিনি লোকমুখে বিষয়টি শুনেছেন। তবে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো চিঠি বা ফোন পাননি। এই অর্জনকে তিনি তার দীর্ঘ শিক্ষা ও গবেষণা জীবনের সার্থকতা হিসেবে দেখছেন।

​এ বছর গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ক্যাটাগরিতে ড. সুকোমল বড়ুয়াসহ মোট ৩ জন এই পুরস্কার পাচ্ছেন। অন্য দুজন হলেন—১. মোহাম্মদ আব্দুল বাকী (পিএইচডি), ২. অধ্যাপক ড. এম এ রহিম।

​মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষাসহ দেশ গঠনে সার্বিক অবদানের জন্য বেগম খালেদা জিয়াকে মরণোত্তর এই সম্মাননা প্রদান করা হচ্ছে। 

এছাড়া বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য যারা মনোনীত হয়েছেন: ​মুক্তিযুদ্ধ: মেজর মোহাম্মদ আবুল জলিল (মরণোত্তর) ও ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ। ​বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক ড. জহুরুল করিম। ​চিকিৎসাবিদ্যা: ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। ​সংস্কৃতি: এ.কে.এম হানিফ (হানিফ সংকেত) ও বশির আহমেদ (মরণোত্তর)। ​সাহিত্য: ড. আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর)। ​ক্রীড়া: জোবেরা রহমান লিনু।

​সমাজসেবা/জনসেবা: ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর), মো. সাইদুল হক, মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর), গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজ।

আরও পড়ুন: উৎসব ভাতা নিয়ে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য সুখবর

​জনপ্রশাসন ও অন্যান্য: কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর) এবং পরিবেশ সংরক্ষণে আব্দুল মুকিত মজুমদার।

​উল্লেখ্য আগামী ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে এই পদক বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। পুরস্কার হিসেবে বিজয়ীরা পাবেন একটি স্বর্ণপদক, সম্মাননা সনদ এবং পাঁচ লক্ষ টাকার চেক।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এসবি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়