নিউজ ডেস্ক || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১৯:৪৮, ১২ আগস্ট ২০২৬

৮০ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে নিরাপত্তা চেয়ে পুলিশকে চিঠি

৮০ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে নিরাপত্তা চেয়ে পুলিশকে চিঠি

ফাইল ছবি

দেশজুড়ে লোডশেডিং বাড়ার কারণে গ্রামাঞ্চলে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন এলাকায় অতিরিক্ত লোডশেডিংয়ের কারণে জনরোষ বাড়ছে। কোথাও কোথাও বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র ও অফিসে হামলার ঘটনাও ঘটছে।

এ পরিস্থিতিতে দেশের ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন গ্রিড, উপকেন্দ্র ও অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ এসোসিয়েশন (বাপবিএ)।

বুধবার (১২ আগস্ট) পুলিশ মহাপরিদর্শককে (আইজিপি) দেওয়া এক চিঠিতে এ নিরাপত্তা চাওয়া হয়। চিঠিতে বাপবিএর দপ্তর সম্পাদক মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষর করেন।

চিঠিতে বলা হয়, দেশে বর্তমানে জ্বালানি সংকট ও তীব্র তাপদাহের কারণে চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। ফলে বিদ্যুৎ সরবরাহ কমে যাওয়ায় সারাদেশে, বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন এলাকায় অতিরিক্ত লোডশেডিং হচ্ছে। এতে জনরোষ বাড়ছে এবং কিছু কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র ও অফিস হামলার শিকার হচ্ছে।

বাপবিএ জানায়, দেশের প্রায় ৫ কোটি ২০ লাখ বিদ্যুৎ গ্রাহকের মধ্যে প্রায় ৪ কোটি গ্রাহককে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিগুলো বিদ্যুৎ সেবা দিয়ে থাকে। অর্থাৎ মোট গ্রাহকের প্রায় ৮০ শতাংশ পল্লী বিদ্যুতের আওতায়। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিগুলো বিদ্যুৎ উৎপাদন করে না; উৎপাদিত বিদ্যুতের বরাদ্দ অনুযায়ী গ্রাহকদের মধ্যে সরবরাহ করে।

আরও পড়ুন: হামে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১,০২৫

চিঠিতে আরও বলা হয়, গত কয়েকদিনে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিগুলোর গড় চাহিদা প্রায় ৮ থেকে ৯ হাজার মেগাওয়াট হলেও বরাদ্দ পাওয়া যাচ্ছে গড়ে ৫ থেকে ৬ হাজার মেগাওয়াট। ফলে কোথাও কোথাও প্রতিদিন গড়ে ৮ থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে।

এতে আরও বলা হয়, দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় দেশের বিভিন্ন স্থানে সাধারণ মানুষ ক্ষুব্ধ হয়ে পল্লী বিদ্যুতের উপকেন্দ্রে হামলা ও ভাঙচুরের মতো ঘটনা ঘটাচ্ছেন। ফলে উপকেন্দ্রসহ বিভিন্ন স্থানে দায়িত্ব পালন করা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এনডি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়