News Bangladesh

খুলনা সংবাদদাতা || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১৬:২৫, ৪ জানুয়ারি ২০২৬
আপডেট: ১৯:২১, ৪ জানুয়ারি ২০২৬

ডুমুরিয়ায় রাতের আধারে নিম্নমাণের সামগ্রী দিয়ে সড়ক নির্মাণ

ডুমুরিয়ায় রাতের আধারে নিম্নমাণের সামগ্রী দিয়ে সড়ক নির্মাণ

ছবি: নিউজবাংলাদেশ

রাতের আধারে ধুলা-বালি, নিম্নমানের ইট, খোয়া, বিটুমিন ব্যবহার কার্পেটিং সড়ক নির্মাণ কাজ করায় স্থানীয় এলাকাবাসী কাজ বন্ধ করে দেয়। ঘটনাটি শুক্রবার ছটির দিন রাতের। একদিন বন্ধ থাকার পর রবিবার উপজেলা প্রকৌশলী সরেজমিনে দেখতে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পান। পরে সঠিকভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন। অন্যথায় কাজের বিল দেয়া হবে না বলে জানিয়ে দেন তিনি। 

ঘটনাটি খুলনা জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল ডুমুরিয়া উপজেলার বানিয়াখালী- শরাফপুর সড়কের।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) অর্থায়নে ডুমুরিয়া উপজেলার সদর থেকে শরাফপুর পর্যন্ত প্রায় ২০ কিলোমিটার সড়কের মধ্যে বানিয়াখালী হতে শরাপপুর পর্যন্ত আড়াই কিলোমিটার ২ কোটি ৩১ লাখ প্রাক্কলিত মূল্যে ২০২৫ সালের ৫ জানুয়ারি কাজ শুরু করেন। শেষ হওয়ার সময় সীমা ছিল ২ এপ্রিল ২০২৫। 

ইতোমধ্যে ৮ মাস পূর্বে এর মেয়াদ শেষ হয়েছে।  মেসার্স ডেলটা এন্টারপাইজ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজটি পায়। কিন্তু তারা নির্দিষ্ট সময় পার হয়ে যাওযার প্রায় এক বছর পর তড়িঘড়ি করে রাতের আঁধারে কাজ শেষ করতে গেলে এলাকাবাসী বাঁধা দেয়। এলাকাবাসীর অভিযোগ, স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ম্যানেজ করে ঠিকাদার কাজ শেষ করছে। আমরা প্রতিকার চেয়েও পাইন।

শেষমেষ শুক্রবার রাতে কাজটি বন্ধ করে দেয়া হয়। পরে ররিবার উপজেলা প্রকৌশলী এসে কাজটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।
আরও পড়ুন: ২০২৫ সালে সড়কে প্রাণ গেছে ৯১১১ জনের, আহত ১৪,৮১২

ওই কাজে নিম্নমাণের ইট (ঝামা ইট) দিয়ে রোলার দেয়ার পর গত শুক্রবার রাতে কার্পেটিংয়ের কাজ শুরু করে। নিয়ম অনুয়ায়ী কমপ্রেসার মেশিন দিয়ে ধূলা পরিষ্কার করে মেশিনের মাধ্যমে বিটুমিনে আস্তরণ দেয়ার কথা থাকলেও তা না দিয়ে ঝাড়ু দিয়ে যেনতেনভাবে বিটুমিন ছিটিয়ে বড় বড় খোয়ার উপর কার্পেটিং করা হচ্ছিল। এ সময়ে স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে ওই কাজ বন্ধ করে দেয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, অনিয়মের আশ্রয় নিয়ে যেনতেনভাবে সড়কটি নির্মাণ কাজ শেষ করছে ঠিকাদার।

এদিকে এলাকাবাসী কাজ বন্ধ করে দেয়ার খবর পেয়ে রবিবার (৪ জানুয়ারি) উপজেলা প্রকৌশলী মুহাম্মদ দারুল হুদা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি ঘটনার সত্যতা পান। তিনি বলেন, শুক্রবার রাতের বেলা কাজ করছিল ঠিকাদার। তাছাড়া তাদের রোলার নষ্ট হয়ে যায় ফলে সঠিকভাবে নির্মাণ কাজ করতে পারেননি। তিনি বলেন, নিয়ম অনুযায়ী কার্পেটিংয়ের কাজ করা না হলে ঠিকাদারকে বিল দেয়া হবে না। 

নিউজবাংলাদেশ.কম/এনডি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়