News Bangladesh

নিউজ ডেস্ক || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১২:০৭, ৮ মার্চ ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে গ্যাস ও তেলবাহী ৮ জাহাজ

চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে গ্যাস ও তেলবাহী ৮ জাহাজ

ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে চরম অস্থিরতা ও সরবরাহ নিয়ে গভীর অনিশ্চয়তা দেখা দিলেও স্বস্তির খবর মিলেছে চট্টগ্রাম বন্দরে। 

রবিবার (০৮ মার্চ) সকালে জ্বালানি তেল ও গ্যাসবাহী আটটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে। তবে যুদ্ধের প্রভাবে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পরবর্তী চালানগুলো নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। 

বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, জাহাজগুলো নির্ধারিত সময়সূচী অনুযায়ী বন্দরে এসে পৌঁছেছে এবং বর্তমানে এগুলোতে থাকা জ্বালানি তেল ও গ্যাস খালাসের প্রস্তুতি চলছে। 

সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, এই জাহাজগুলো গত ২৮ ফেব্রুয়ারির আগেই কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিল, যার ফলে এগুলো যুদ্ধ পরিস্থিতির সরাসরি কবলে পড়েনি।

আরও পড়ুন: জ্বালানি সংকটে রেশনিং পদ্ধতিতে তেল বিক্রি শুরু

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে আন্তর্জাতিক জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম প্রধান রুট 'হরমুজ প্রণালি' দিয়ে সাধারণ জাহাজ চলাচল বন্ধ রয়েছে। এর ফলে আগে রওনা হওয়া জাহাজগুলো বাংলাদেশে পৌঁছাতে পারলেও পরবর্তী পর্যায়ের বড় একটি অংশ এখন মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন বন্দরে আটকা পড়েছে। বিশেষ করে সৌদি আরব, কাতার ও দুবাইয়ের বন্দরগুলোতে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে নির্ধারিত বেশ কিছু জাহাজ আটকা পড়ে আছে বলে জানা গেছে।

এদিকে বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ মারাত্মকভাবে কমে যাওয়ার আশঙ্কায় আগেভাগেই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় গত শুক্রবার থেকেই সারা দেশে জ্বালানি তেল বিক্রির ওপর নির্দিষ্ট সীমা বা ‘রেশনিং’ নির্ধারণ করে দিয়েছে সংস্থাটি। অভ্যন্তরীণ মজুত ধরে রাখা এবং সম্ভাব্য সংকট এড়াতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হরমুজ প্রণালি দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকলে বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। মধ্যপ্রাচ্যের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে দ্রুত বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি আমদানির পথ খোঁজার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। অন্যথায় বর্তমান মজুত শেষ হওয়ার পর শিল্প উৎপাদন ও পরিবহন খাতে বড় ধরনের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়