News Bangladesh

নিউজ ডেস্ক || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ২০:৫২, ১৭ মার্চ ২০২৬
আপডেট: ২০:৫৫, ১৭ মার্চ ২০২৬

জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়ছে আরও দুই জাহাজ

জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়ছে আরও দুই জাহাজ

ছবি: সংগৃহীত

দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত ও সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে চট্টগ্রাম বন্দরে অপারেশনাল কার্যক্রম পুরোদমে চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় জ্বালানি সরবরাহে আরও গতি আনতে বন্দরে ভিড়ছে বড় আকারের দুটি গুরুত্বপূর্ণ জাহাজ। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (চবক) জানিয়েছে, ‘চ্যাং হ্যাং হং তু’ এবং ‘এলপিজি সেভান’ নামের এই জাহাজ দুটি যথাক্রমে আগামীকাল বুধবার ও আগামী শুক্রবার (২০ মার্চ) বন্দরে ভিড়বে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের তালিকা ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মালয়েশিয়া থেকে গ্যাস অয়েল নিয়ে আসা জাহাজ ‘চ্যাং হ্যাং হং তু’ গত ১৫ মার্চ বন্দরে পৌঁছায়। বর্তমানে জাহাজটি ব্রাভো মুরিং-এ অবস্থান করে কার্গো খালাস করছে। এখন পর্যন্ত জাহাজটি থেকে প্রায় ৫ হাজার মেট্রিক টন গ্যাস অয়েল খালাস করা হয়েছে। ১৯ মার্চের মধ্যে এর সম্পূর্ণ খালাস প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং আগামীকাল বুধবার জাহাজটি মূল জেটিতে ভেড়ার কথা রয়েছে।

অন্যদিকে, ওমান থেকে এলপিজি নিয়ে আসা ‘এলপিজি সেভান’ জাহাজটি গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে পৌঁছায়। বর্তমানে এটি কুতুবদিয়া বহির্নোঙর এলাকায় অবস্থান করছে। জাহাজটি থেকে ইতোমধ্যে প্রায় ৭,০২০ মেট্রিক টন এলপিজি খালাস করা হয়েছে। আগামী ২০ মার্চ জাহাজটির সম্পূর্ণ কার্যক্রম শেষ হওয়ার কথা রয়েছে এবং ওইদিনই এটি বন্দরে ভিড়বে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে ১৬ জ্বালানি জাহাজ, আরও ৩ জাহাজ পথে

বন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্যানুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে মোট ২৮টি জ্বালানিবাহী জাহাজের একটি বড় অংশ সফলভাবে কার্গো খালাস সম্পন্ন করে বন্দর ত্যাগ করেছে। কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ওমান ও ভারত থেকে আসা এসব জাহাজ এলএনজি, এলপিজি, ক্রুড অয়েল, গ্যাস অয়েল, এইচএসএফও এবং বেস অয়েল সরবরাহ করেছে।

এছাড়া আরও বেশ কিছু জাহাজ বর্তমানে ‘প্যাসেজ’ বা বন্দরে আসার পথে রয়েছে। কাতার, অস্ট্রেলিয়া, সিঙ্গাপুর, অ্যাঙ্গোলা, থাইল্যান্ড ও ওমান থেকে আসা এই জাহাজগুলো দেশের শিল্প ও আবাসিক খাতের জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি বহন করে আনছে।

জ্বালানি খালাস ও সরবরাহ পরিস্থিতির বিষয়ে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব রেফায়াত হামিম বলেন, জ্বালানি খালাস ও সরবরাহ কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্ন রাখতে আমরা প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি। নিয়মিত জাহাজ আগমনের মাধ্যমে দেশের জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি বর্তমানে অত্যন্ত স্থিতিশীল রয়েছে এবং নতুন এই জাহাজগুলোর আগমনে এই গতিধারা আরও ত্বরান্বিত হবে।

বন্দর সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সময়মতো জাহাজ ভেড়ানো এবং দ্রুত খালাস প্রক্রিয়ার কারণে আসন্ন দিনগুলোতে বাজারে জ্বালানির কোনো ঘাটতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়