নিউজ ডেস্ক || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১৫:৫৯, ৩১ আগস্ট ২০২৬

সীমান্তে অপরাধ বন্ধে বিজিবিকে কঠোর হওয়ার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির

সীমান্তে অপরাধ বন্ধে বিজিবিকে কঠোর হওয়ার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির

ছবি: সংগৃহীত

সীমান্ত সুরক্ষা ও দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নিয়োজিত অতন্দ্র প্রহরী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে (বিজিবি) আরও কঠোর ও কার্যকর ভূমিকা পালনের নির্দেশ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। 

তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, যেকোনো মূল্যে সীমান্ত হত্যা, চোরাচালান, মাদকপাচার এবং অবৈধ পুশ-ইন সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করতে হবে। 

সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এই নির্দেশনা দেন।

এদিন দুপুরে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে তার নতুন দায়িত্বভার গ্রহণের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান। এ সময় বিজিবি প্রধান বাহিনীর সার্বিক কর্মকাণ্ড, বর্তমান অপারেশনাল কার্যক্রম এবং সীমান্ত সুরক্ষায় নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে বিস্তারিতভাবে অবহিত করেন।

আরও পড়ুন: স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো আয়নাঘর থাকবে না: রাষ্ট্রপতি

বৈঠকে সীমান্ত সুরক্ষাকে যুগোপযোগী ও ত্রুটিহীন করতে বিজিবির নেওয়া নতুন প্রযুক্তিগত উদ্যোগের প্রশংসা করেন রাষ্ট্রপতি। বিজিবি মহাপরিচালক রাষ্ট্রপতিকে জানান যে, সীমান্তে চোরাচালান ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড রোধে নজরদারি বহুগুণ বাড়াতে বাহিনীতে অত্যাধুনিক ড্রোন, নাইট ভিশন ডিভাইস এবং অন্যান্য আধুনিক প্রযুক্তি সন্নিবেশের প্রক্রিয়া চলছে। 

রাষ্ট্রপতি এই উদ্যোগকে অত্যন্ত সময়োপযোগী ও দূরদর্শী পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, আধুনিক যুদ্ধকৌশল ও অপরাধ দমনে প্রযুক্তির ব্যবহার বিকল্পহীন। তিনি সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবির এই প্রযুক্তিগত আধুনিকায়ন প্রক্রিয়ায় সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের সীমান্ত অঞ্চলের নিরাপত্তা রক্ষা এবং অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিজিবির ভূমিকা অত্যন্ত গৌরবোজ্জ্বল ও গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান সময়ে সীমান্ত এলাকায় মাদক ও মানবপাচার জাতীয় অপরাধ রোধে বাহিনীকে আরও বেশি তৎপর হওয়ার তাগাদা দিয়ে তিনি বলেন, সীমান্তবাসীর জীবন ও সম্পত্তি রক্ষায় সীমান্ত হত্যা বন্ধের পাশাপাশি চোরাচালান এবং অবৈধ পুশ-ইন যেকোনো মূল্যে প্রতিহত করতে হবে।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সচিবসহ বঙ্গভবনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে সীমান্ত রক্ষায় নিয়োজিত বিজিবির সকল সদস্যের পেশাদারিত্ব ও দেশপ্রেমের প্রশংসা করা হয়।

নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়