জ্বালানি তেলের মজুত যাচাইসহ ডিসিদের ৯ নির্দেশনা
ফাইল ছবি
জ্বালানি তেলের সরবরাহ ও বিপণন ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা আনতে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) নয় দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
রবিবার (১৫ মার্চ) জ্বালানি তেলের সরবরাহ ও বিপণন ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত অনলাইন মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব নির্দেশনা দেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। সভায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব, জনপ্রশাসন সচিব এবং দেশের সব জেলা প্রশাসক অনলাইনে যুক্ত ছিলেন।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
ডিসিদের জন্য ৯ নির্দেশনা
প্রতিমন্ত্রী জেলা প্রশাসকদের যেসব নির্দেশনা দিয়েছেন, সেগুলো হলো- প্রতিদিন ডিপোর প্রারম্ভিক ও সমাপনী মজুত যাচাই করে রিপোর্ট প্রদান। ডিপো থেকে পেট্রোল পাম্পে বরাদ্দ করা জ্বালানির সরবরাহ নিশ্চিত করা। সব ধরনের গ্রাহকের (পেট্রোল পাম্প ডিলার, এজেন্সি ডিলার, প্যাকড পয়েন্ট ডিলার ও ডিরেক্ট কাস্টমার) সরবরাহ ও বিতরণ তদারকি করা। কোনো পেট্রোল পাম্প বন্ধ থাকলে তার সুনির্দিষ্ট কারণ অনুসন্ধান এবং ডিপোর সঙ্গে তেল সরবরাহের হিসাব পুনরায় যাচাই করা। জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুতদারি রোধ করা। তেলের ডিপোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। জ্বালানি তেলের পাচার বন্ধ করা। অতিরিক্ত দামে জ্বালানি তেল বিক্রি ঠেকাতে নজরদারি এবং অপরাধ প্রমাণিত হলে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা। জেলা পর্যায়ে সার্বিক নজরদারি বাড়ানো।
সভায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, জনগণের কষ্ট যেন না বাড়ে, সে লক্ষ্যে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। এ বিষয়ে সবাইকে সচেতন থেকে আরও দৃঢ়তার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি।
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্যও কয়েকটি নির্দেশনা বাস্তবায়নের আহ্বান জানানো হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে- বিপণিবিতান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা না করা। শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি রাখা। দোকান বন্ধের পর সাইনবোর্ডের আলো নিভিয়ে রাখা।
এছাড়া বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন প্রতিমন্ত্রী।
আরও পড়ুন: সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি মির্জা আব্বাস
এর আগে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে পেট্রোল পাম্প মালিকদের সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সহযোগিতা চান তিনি। সংগঠনের নেতারা জানান, সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে।
নিউজবাংলাদেশ.কম/এসবি








