News Bangladesh

নিউজ ডেস্ক || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১৩:৪৯, ২১ মার্চ ২০২৬

প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের

প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের

ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও ‘প্রত্যাশিত বাংলাদেশ’ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান। দীর্ঘ বহু বছর পর দেশের মাটিতে সপরিবারে ঈদ উদযাপন করতে পেরে আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করেন তিনি। একইসঙ্গে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেছেন সরকারপ্রধান।

শনিবার (২১ মার্চ) সকালে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের নামাজ আদায় শেষে প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারি বাসভবন (রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন) যমুনায় সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। 

এদিন সকাল ১০টা থেকে শুরু হওয়া এই অনুষ্ঠানে তিনি মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, সংসদ সদস্য, কূটনৈতিক কোরের সদস্য, বিশিষ্ট নাগরিক, শিক্ষাবিদ, আলেম-ওলামা, শিল্পী-সাহিত্যিক এবং উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।

শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, এই ঈদে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি, আমরা যেন জনগণের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারি। জনগণ যে ধরনের দেশ দেখতে চায়, সেই আকাঙ্ক্ষা পূরণে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাবে। তবে এই লক্ষ্য অর্জনে দল-মত নির্বিশেষে দেশের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের ঐক্যবদ্ধ সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন।

আরও পড়ুন: ১৮ বছর পর যমুনায় সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

দেশের বর্তমান স্থিতিশীল পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, "এবার দেশবাসী যেভাবে নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ঈদ উদযাপন করছে, ভবিষ্যতেও যেন এর চেয়েও উন্নত ও নিরাপদ পরিবেশে উৎসব পালন করতে পারে, সরকার সেই নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। জনগণের সমর্থন ও সহযোগিতা থাকলে নির্বাচিত সরকার দেশ গঠনের কাজে তার সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে এগিয়ে যাবে।"

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, কন্যা জাইমা রহমানসহ পরিবারের সদস্য এবং দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। যমুনার আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে প্রধানমন্ত্রী শেরেবাংলা নগরে যান। সেখানে তিনি তাঁর পিতা, আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং মাতা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাজার ও কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন ও মোনাজাত করেন।

বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর গুলশানের বাসভবনে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সময় কাটানোর কথা রয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি দেশবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে পুনরায় সবাইকে 'ঈদ মোবারক' জানান।

নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়