News Bangladesh

নিউজ ডেস্ক || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১২:৫৭, ১৫ মার্চ ২০২৬
আপডেট: ১২:৫৮, ১৫ মার্চ ২০২৬

নৈতিক অবক্ষয় রোধে ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ: শিক্ষামন্ত্রী

নৈতিক অবক্ষয় রোধে ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

দেশে নৈতিক শিক্ষার প্রসার ও ধর্মীয় মূল্যবোধ সমুন্নত রাখতে সারাদেশে ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের বিশাল উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। 

রবিবার (১৫ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে প্রশ্নোত্তর পর্বে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। 

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের (বীর বিক্রম) সভাপতিত্বে বেলা ১১টায় অধিবেশন শুরু হলে তিনি সংসদ সদস্যদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সমাজে নৈতিক শিক্ষা ও ধর্মীয় অনুভূতির গুরুত্ব ক্রমেই কমে যাচ্ছে এবং এর ফলে নানা ধরনের অনৈতিকতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই ধর্মীয় শিক্ষা জোরদার করা এখন সময়োপযোগী ও প্রয়োজনীয়। আমরা অতি শিগগিরই কিরাতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে থেকে ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক অর্থাৎ ইসলামী শিক্ষকের নিয়োগের ব্যবস্থা নেব। তবে এখানে শুধু ইসলামিক শিক্ষা নয়, সব ধর্মের শিক্ষাকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হবে।

এছাড়া তিনি কওমি শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেট সংক্রান্ত জটিলতার বিষয়েও অবগত করে শিক্ষামন্ত্রী ব্যাখ্যা করেছেন, কওমি শিক্ষার্থীরা কিরাত শিক্ষক হিসেবে বিবেচিত হন, কিন্তু মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থায় কিরাত আলাদা সাবজেক্ট হিসেবে নেই। এ কারণে কিছু জটিলতা তৈরি হয়েছে, যা সমাধান করার প্রক্রিয়া চলমান।

আরও পড়ুন: এসএসসি আইন সংস্কার ও শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা নিষিদ্ধের ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর

একই সভায় শিক্ষামন্ত্রী সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের প্রশ্নের লিখিত উত্তরে বলেন, সরকার নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিষয়ে প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে। বর্তমানে দেশে ৫৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। বর্তমান সরকার এগুলোর মানোন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির বিষয়ে তিনি জানান, সরকার নতুনভাবে আবেদন আহ্বান করবে এবং পুরাতন আবেদনগুলো পুনরায় যাচাই-বাছাই করা হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের (বীর বিক্রম) সভাপতিত্বে সকাল ১১টায় শুরু হয়। এ অধিবেশন চলবে আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত। অধিবেশনের শুরুতে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর মোট ৫০ ঘণ্টা আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। রবিবার থেকে রাষ্ট্রপতির ভাষণ সংক্রান্ত ধন্যবাদ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

এর আগে ১২ মার্চ (বৃহস্পতিবার) প্রথম অধিবেশন শুরু হলেও পরে তা রবিবার পর্যন্ত মুলতবি রাখা হয়। জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটি সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন বিকেল ৩টায় অধিবেশন চলবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়