News Bangladesh

নিউজ ডেস্ক || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ২০:০৮, ১১ মার্চ ২০২৬

ভারতের কাছে জ্বালানি সহায়তা চেয়ে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ

ভারতের কাছে জ্বালানি সহায়তা চেয়ে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ

ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ এবং এর ফলে বিশ্বজুড়ে তেল ও গ্যাসের বাজারে সৃষ্ট অস্থিরতা মোকাবিলায় ভারতের কাছে জরুরি ভিত্তিতে জ্বালানি সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ সরকার। 

বুধবার (১১ মার্চ) বিকেলে সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা। 

উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দিতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে একটি আনুষ্ঠানিক আবেদনপত্র (চিঠি) ভারতের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ভারতীয় হাইকমিশনার জানান, বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত জ্বালানি সহায়তার জন্য যে আনুষ্ঠানিক চিঠি দেওয়া হয়েছে, তা তিনি গ্রহণ করেছেন। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ভারতের সংশ্লিষ্ট উচ্চপদস্থ কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠিটি পাঠিয়ে দেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। এই সহায়তার আওতায় মূলত আপদকালীন সময়ে ভারত থেকে ডিজেল সরবরাহের পরিমাণ বাড়ানোর ওপর বিশেষ জোর দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।

আরও পড়ুন: ভারতীয় ভিসা নিয়ে সুখবর দিলেন ভারতীয় হাইকমিশনার

জ্বালানি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে কার্যকর আন্তঃসীমান্ত বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন এবং ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে জ্বালানি সহযোগিতা বিদ্যমান রয়েছে। বর্তমানে পাইপলাইনের মাধ্যমে ভারত থেকে প্রতি মাসে ১৫ হাজার টন ডিজেল সরবরাহ করা হচ্ছে। 

মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু জানিয়েছেন, বর্তমান সংকট নিরসনে এই ডিজেল সরবরাহের পরিমাণ আরও বৃদ্ধি এবং সরবরাহ প্রক্রিয়াকে দীর্ঘমেয়াদী করার জন্য ভারতের কাছে প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

প্রণয় ভার্মা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে অত্যন্ত শক্তিশালী ও ঘনিষ্ঠ সংযোগ রয়েছে, যা দুই দেশের অর্থনৈতিক অংশীদারত্বের অন্যতম প্রধান ভিত্তি। বর্তমান অবকাঠামো ব্যবহার করে এই সহযোগিতাকে কীভাবে আরও বিস্তৃত ও জোরালো করা যায়, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। 

তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, বাংলাদেশের এই অনুরোধ দ্রুত বাস্তবায়িত হবে, যা কেবল দুই দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে না, বরং অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে উভয় পক্ষই দুই দেশের বিদ্যমান বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন ও গ্যাস পাইপলাইনের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জ্বালানি খাতের ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্রগুলো নিয়েও সবিস্তারে আলোচনা করেন।

নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়