News Bangladesh

নিউজ ডেস্ক || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১৩:২২, ৮ মার্চ ২০২৬
আপডেট: ১৩:২২, ৮ মার্চ ২০২৬

‘নারীর ক্ষমতায়নের ভিত্তি গড়েছেন জিয়াউর রহমান, শক্তিশালী করেছেন খালেদা জিয়া’

‘নারীর ক্ষমতায়নের ভিত্তি গড়েছেন জিয়াউর রহমান, শক্তিশালী করেছেন খালেদা জিয়া’

ছবি: সংগৃহীত

স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নারীর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের যে ভিত্তি স্থাপন করেছেন, সেটিকে আরও শক্তিশালী ও সময়োপযোগী রূপ দিয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। 

রবিবার (০৮ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এ মন্তব্য করেন।

অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি নারী শিক্ষায় খালেদা জিয়ার নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের প্রশংসা করেন এবং তার বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি ও সুনামের কথাও তুলে ধরেন। 

তিনি বলেন, নারীর অধিকার ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট সবাই কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে সচেষ্ট হবেন। তবে নারীর উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির সুফল পেতে হলে ঘরে-বাইরে নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন স্বাধীনতা সংগ্রাম ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সব আন্দোলনে শহীদদের আত্মত্যাগকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। 

তিনি বলেন, শহীদদের স্বপ্ন ছিল একটি বৈষম্যহীন ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। সেই বাংলাদেশ গড়ে তোলার মাধ্যমেই শহীদদের আত্মত্যাগের যথার্থ মূল্যায়ন করা সম্ভব।

অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া নারীদের ক্ষমতায়নের জন্য সরকার ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, আগামী ১০ মার্চ থেকে এই কর্মসূচি কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। 

আরও পড়ুন: নারী এগিয়ে গেলে জাতিও এগিয়ে যায়: ডা. জুবাইদা

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এটি পরিবারগুলোর অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা অর্জনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ১৬ শতাংশ অবদান আসে গৃহস্থালির কাজ থেকে। স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, কৃষি, শিল্প-সাহিত্য, কলকারখানা ও নির্মাণসহ সব ক্ষেত্রেই নারীর অবদান অসামান্য। 

তিনি আরও বলেন, নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ ও নারী নির্যাতন ও সহিংসতার বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে সরকার কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। অতীতেও দেখা গেছে, সরকার আন্তরিক হলে ইতিবাচক ফল পাওয়া যায়।

বর্তমান সময়ে সামাজিক হয়রানির পাশাপাশি অনলাইনে নারীর চরিত্রহনন ও সাইবার বুলিং নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে। 

রাষ্ট্রপতি জানান, এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সরকার বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। এছাড়া কন্যাশিশুর ক্ষেত্রে বাল্যবিবাহও একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কঠোর আইন প্রয়োগ ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সম্মিলিতভাবে এসব সমস্যা মোকাবিলা করতে হবে।

অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ‘গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননায় ভূষিত করা হয়। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এই সম্মাননা প্রদান করেন রাষ্ট্রপতি, খালেদা জিয়ার পক্ষে গ্রহণ করেন তার নাতনি ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

উক্ত অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য মোট পাঁচটি ক্যাটাগরিতে পাঁচজনকে ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ পুরস্কারও প্রদান করা হয়।

নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়