খালেদা জিয়াসহ ৬ নারী পেলেন ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা
ছবি: সংগৃহীত
গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে বিশেষ ক্যাটাগরিতে ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা (মরণোত্তর) প্রদান করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বেগম জিয়ার পক্ষে সম্মাননা গ্রহণ করেন তাঁর নাতনি ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।
রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। ‘গণতন্ত্রের মানসকন্যা’ হিসেবে অভিহিত বেগম খালেদা জিয়াকে মূলত আপসহীন সংগ্রামের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং গণতান্ত্রিক ধারা প্রতিষ্ঠায় তাঁর অদম্য নেতৃত্বের জন্য এই সম্মাননায় ভূষিত করা হয়েছে। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও পাঁচটি প্রচলিত ক্যাটাগরির পাশাপাশি বিশেষ এই সম্মাননাটি প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে নিজ নিজ ক্ষেত্রে সাফল্য ও দৃঢ় মনোবলের স্বীকৃতিস্বরূপ আরও পাঁচজন নারীকে ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ হিসেবে পুরস্কৃত করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: মর্যাদা ও সমতার অঙ্গীকারে আন্তর্জাতিক নারী দিবস
তারা হলেন,
- অর্থনৈতিক সাফল্য: নুরুন নাহার আক্তার (অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী)।
- শিক্ষা ও পেশা: মোছা. ববিতা খাতুন (শিক্ষা ও চাকুরীক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী)।
- সফল জননী: নুরবানু কবীর (সফল জননী ক্যাটাগরি)।
- জীবনসংগ্রাম: মোছা. শমলা বেগম (নির্যাতনের দুঃস্বপ্ন মুছে ফেলে জীবনসংগ্রামে জয়ী নারী)।
- সমাজ উন্নয়ন: মোছা. আফরোজা ইয়াসমিন (সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখা নারী)।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।
বেগম খালেদা জিয়ার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন, শত অত্যাচার ও প্রতিকূলতার মাঝেও বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন অদম্য ও অবিচল। তাঁর সেই সাহস ও নেতৃত্বই আমাদের আগামীর প্রেরণা।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সমতা, মর্যাদা ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়তে সব ক্ষেত্রে নারীদের অগ্রাধিকার নিশ্চিত করতে হবে। বাংলাদেশ এমন একটি দেশ হবে যেখানে সকল নারী নিরাপদ থাকবেন এবং আজকের এই নারী দিবস যেন সাম্যতা ও ন্যায়বিচারের অঙ্গীকারে পরিণত হয়।
মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই পুরস্কার কর্মসূচি দেশের নারীদের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে অংশগ্রহণ বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। নারীদের জীবনসংগ্রাম, নেতৃত্ব এবং অসামান্য অবদানের গল্পগুলো সমাজের সামনে তুলে ধরাই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি








