News Bangladesh

সাইফুল বারী, বিশেষ প্রতিবেদক || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১০:৫০, ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
আপডেট: ১৩:৫৪, ২৭ জানুয়ারি ২০২৬

ব্যানার দেখেই `বাংলা নতুন ফন্ট` শিল্পী হয়ে উঠেছেন সখিপুরের ফরিদ

ব্যানার দেখেই `বাংলা নতুন ফন্ট` শিল্পী হয়ে উঠেছেন সখিপুরের ফরিদ

মো. ফরিদ। ছবি: নিউজবাংলাদেশ

টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলার বড়চওনা গ্রামের মো. ফরিদ ২০০৯ সাল থেকে তৈরি করছেন বাংলা ফন্ট। তার ৩২টি ফন্ট দেশের বিভিন্ন পোস্টার, নাটক ও সিনেমায় ব্যবহার হচ্ছে, পাশাপাশি ভারতসহ বিদেশেও জনপ্রিয়।

স্কুল জীবনের সাধারণ একটি দৃশ্য আজও মনে আছে মো. ফরিদের। বড়চওনা উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়ার সময়, স্কুলের পাশে একটি ছোট আর্টের দোকান ছিল। সেখানেই মাঝে মাঝে বসে থাকতেন তিনি। শুধু বসে থাকাই নয়, তখন থেকেই তিনি ব্যনারে লেখা ফন্টগুলো পর্যবেক্ষণ করতেন, দেখতেন কিভাবে ডিজাইন করা হয়। সেই ছোট্ট আগ্রহই পরবর্তীতে তার জীবনের এক বড় স্বপ্নে পরিণত হয়।

ফরিদ বলেন, দেখতাম ব্যনারে লেখা কেমন লাগে, কোন ফন্ট বেশি চোখে পড়ে। ভাবতাম, কেন আমি নিজেই ফন্ট বানাবো না। তখনি মনে হয়েছিল, আমি আমার নিজের ফন্ট বানাব।

২০০৯ সালে কম্পিউটারের একটি কোর্স সম্পন্ন করার পর, ফরিদ সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে শুরু করেন। আজ পর্যন্ত তিনি মোট ৩২টি বাংলা ফন্ট তৈরি করেছেন। তার ফন্টগুলো ‘লিপিঘর’, ‘ফন্ট বিডি’, ‘ফন্ট বাজার বিডি’ ইত্যাদিতে রিলিজ হয়েছে।

তার কাজের ফলাফলও অবিশ্বাস্য। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এবং ভারতের মতো বিদেশেও প্রায় লাখ খানেক মানুষ তার ফন্ট ব্যবহার করছে। বিশেষ করে নাটক, সিনেমা ও গানের পোস্টারে ফরিদ-এর ফন্ট সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে। তার জনপ্রিয় ফন্টের মধ্যে রয়েছে- ফরিদ শিরোনাম, শরীফ সাবির, ফরিদ টাঙ্গাইল, সামিরা বর্ণ, সখিপুরী, কান্তারপল্লী ইত্যাদি।

আরও পড়ুন: হাসিনা যুগের সমাপ্তি? আল জাজিরাকে জয় বললেন, ‘সম্ভবত তাই’

ফরিদ আরও বলেন, আমার ফন্টগুলো শুধু লিখনের জন্য নয়, এগুলোকে ব্যবহার করে মানুষ শিল্পমুখর কাজ করছে। সেটা আমাকে অনেক আনন্দ দেয়। ছোট গ্রাম থেকে শুরু করে দেশের বাইরে মানুষ আমার ফন্ট ব্যবহার করছে, এটা আমার জন্য গর্বের বিষয়।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এসবি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়