News Bangladesh

লাইফস্টাইল ডেস্ক || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১৩:১২, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

শিশুর প্রথম রোজা নিরাপদ করতে অভিভাবকদের করণীয়

শিশুর প্রথম রোজা নিরাপদ করতে অভিভাবকদের করণীয়

ছবি: ইন্টারনেট

রমজান এলে শিশুদের চোখে-মুখে অন্যরকম আনন্দ আর উচ্ছ্বাস দেখা যায়। ভোররাতে পরিবারের সঙ্গে জেগে থাকার চেষ্টা, সাহরি খেয়ে রোজা রাখার প্রচেষ্টা, ইফতারে সবার সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি সব মিলিয়ে শিশুদের জন্য এটি এক নতুন অভিজ্ঞতা। তবে শিশুর প্রথম রোজা যেন নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর হয়, তা নিশ্চিত করা মূল দায়িত্ব অভিভাবকদের।

কত বয়সে শুরু করা উচিত?

চিকিৎসকদের মতে, সাধারণত ৭–১০ বছর বয়সের মধ্যে শিশুদের ধীরে ধীরে রোজার সঙ্গে পরিচিত করানো যায়। শারীরিক সক্ষমতা, ওজন, পুষ্টি এবং দৈনন্দিন রুটিন অনুযায়ী রোজা রাখার সক্ষমতা ভিন্ন হতে পারে।

শুরুতেই পুরো রোজা না রেখে হাফ রোজা বা দুপুর পর্যন্ত রোজা রাখার অভ্যাস করানো ভালো। এতে শিশুর স্বাস্থ্যের ওপর হঠাৎ চাপ পড়বে না।

শিশুর প্রথম রোজার আগে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি- 

শিশুকে সহজ ভাষায় রোজার তাৎপর্য বোঝান

ভয় দেখিয়ে নয়, উৎসাহ ও ভালোবাসা দিয়ে প্রস্তুত করুন

জোর করে নয়; শিশুকে নিজ আগ্রহ থেকে রোজা রাখতে দিন

সাহরিতে শিশুকে কী খাওয়াবেন?

শিশুর জন্য সাহরি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। খাদ্যতালিকায় রাখুন: ভাত/রুটি, ডিম, দুধ ও দই, কলা, আপেল, পর্যাপ্ত পানি। 

বর্জন করুন: অতিরিক্ত ভাজাপোড়া, ঝাল ও ফাস্টফুড, বেশি চিনি। একবারে অনেক খাবার না দিয়ে পরিমিত খাওয়ান।

আরও পড়ুন: আজ পহেলা ফাল্গুন ও বিশ্ব ভালোবাসা দিবস

সতর্কতার লক্ষণ

রোজা রাখার সময় নিম্নলিখিত লক্ষণ দেখা দিলে সতর্ক হন: অতিরিক্ত ক্লান্তি, মাথা ঘোরা, বমি ভাব, অস্বাভাবিক নিস্তেজতা

এ ধরনের অবস্থায় রোজা ভেঙে দেওয়া উচিত। স্বাস্থ্যের ওপর ক্ষতি হলে রোজা পরবর্তীতে বড় সমস্যা তৈরি করতে পারে।

শিশুদের জন্য রোজা শেখার দিক

শিশুর জন্য রোজা কোনো প্রতিযোগিতা নয়। এটি শেখার, অভ্যাস গড়ার এবং আত্মসংযম বোঝার সময়। স্বাস্থ্যের প্রতি যত্ন রেখে, আনন্দময়ভাবে শিশুর প্রথম রোজা উদযাপন করুন।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এসবি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়