News Bangladesh

নিউজ ডেস্ক || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ২১:৫৫, ১৭ মার্চ ২০২৬

ঈদ উপলক্ষ্যে লঞ্চের ভাড়া কমলো ১০ শতাংশ

ঈদ উপলক্ষ্যে লঞ্চের ভাড়া কমলো ১০ শতাংশ

ছবি: সংগৃহীত

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে দক্ষিণাঞ্চলের ঘরমুখো মানুষের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন ও স্বস্তিদায়ক করতে বিশেষ পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। এবার প্রথমবারের মতো লঞ্চের নির্ধারিত ভাড়ার ওপর ১০ শতাংশ ছাড় দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান। 

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, জাহাজ মালিকদের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনার মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং প্রতিটি লঞ্চের সামনে সংশোধিত ভাড়ার তালিকা টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে যাতে যাত্রীরা বিভ্রান্ত না হন।

ঈদের আগ মুহূর্ত থেকে শুরু করে যাত্রীদের ফিরতি যাত্রা পর্যন্ত নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। 

তিনি বলেন, আমরা প্রতিদিন সদরঘাটসহ সংশ্লিষ্ট পয়েন্টগুলো পরিদর্শন করছি। কোনো লঞ্চের কাগজপত্র বা ফিটনেস ত্রুটিপূর্ণ থাকলে সেটিকে কোনোভাবেই ঘাট ছাড়ার অনুমতি দেওয়া হবে না। নৌপথে দুর্ঘটনা রোধে এবং যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে লঞ্চগুলোর ফিটনেস নিয়মিত পরীক্ষা করার কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ঈদযাত্রায় কমলাপুর স্টেশনে উপচেপড়া ভিড়

এবারের ঈদযাত্রায় নৌপথে বাড়তি ভাড়া আদায়ের কোনো অভিযোগ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি বলে দাবি করেন রাজিব আহসান। তিনি উল্লেখ করেন, যাত্রী সাধারণ, গণমাধ্যমকর্মী বা অন্য কোনো সূত্র থেকে আমরা অতিরিক্ত ভাড়ার কোনো কমপ্লেন পাইনি। তবুও আমরা সতর্ক আছি এবং প্রতিটি জাহাজে সরাসরি তদারকি করছি যেন কেউ নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি অর্থ দাবি করতে না পারে। অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে এবারের নৌ-ভ্রমণ হবে সবচেয়ে আনন্দময় ও স্বস্তিদায়ক।

সদরঘাট টার্মিনালের ওপর মাত্রাতিরিক্ত যাত্রীচাপ কমাতে পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়েছে বসিলা ও শিমুলিয়া লঞ্চঘাট। 

এই উদ্যোগ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নতুন দুটি ঘাট বর্তমানে পরীক্ষামূলকভাবে চালু রয়েছে এবং ঈদের দিন পর্যন্ত এর কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। ঈদের পর আমরা সংশ্লিষ্ট রুট ও জাহাজ অপারেটরদের সঙ্গে বৈঠকে বসবো। আমাদের লক্ষ্য হলো এই ঘাটগুলোকে স্থায়ীভাবে পরিচালনা করা। আমরা অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী যে প্রয়োজনীয় সমন্বয় শেষে এগুলোকে কন্টিনিউ করা সম্ভব হবে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যাত্রীসেবা উন্নত করতে এবং নৌপথে নির্বিঘ্ন যাত্রা নিশ্চিত করতে যাবতীয় প্রস্তুতি এরই মধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের এই বিশেষ নজরদারি ঈদের পর মানুষের কর্মস্থলে ফেরা পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়