News Bangladesh

স্টাফ রিপোর্টার || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১২:৫১, ১৪ মার্চ ২০২৬

দায়িত্বশীল নাগরিক হলে গড়ে উঠবে স্বনির্ভর বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

দায়িত্বশীল নাগরিক হলে গড়ে উঠবে স্বনির্ভর বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্তব্য করেছেন, নাগরিক হিসেবে আমরা যদি প্রত্যেকে নিজেদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করি, তবে আমরা একটি সুন্দর ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সক্ষম হব।

শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন-এ ইমাম ও মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত, সেবায়েত ও বিহার অধ্যক্ষদের সম্মানি প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এখানে এমন কিছু মানুষ একত্রিত হয়েছেন, যাদের প্রতি কোনো বাধ্যবাধকতা ছাড়াই মানুষ সম্মান দেখায়। জীবনের কঠিন মুহূর্তে তারা যাদের কাছ থেকে সঠিক পরামর্শ আশা করে এবং পায়।”

তিনি আরও বলেন, “সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, যারা অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে রয়েছে, তাদের জন্য সম্মানি বা আর্থিক সহায়তা বা কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হলে আমরা সবাই মিলে শান্তি ও কল্যাণের সঙ্গে বসবাস করতে পারব। নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে আমরা এমন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম।”

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, পাইলট প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি মসজিদের জন্য নির্ধারিত সম্মানি ১০ হাজার টাকা, যেখানে ইমাম পাবেন ৫ হাজার, মুয়াজ্জিন ৩ হাজার এবং খাদেম ২ হাজার টাকা। প্রতিটি মন্দিরের জন্য বরাদ্দ ৮ হাজার টাকা, যা থেকে পুরোহিত পাবেন ৫ হাজার এবং সেবায়েত ৩ হাজার টাকা।

এছাড়া প্রতিটি বৌদ্ধ বিহারের জন্য বরাদ্দ ৮ হাজার টাকা, যার মধ্যে বিহার অধ্যক্ষ পাবেন ৫ হাজার এবং উপাধ্যক্ষ ৩ হাজার টাকা। প্রতি খ্রিস্টান চার্চের জন্য বরাদ্দ ৮ হাজার টাকা, যার মধ্যে পালক বা যাজক পাবেন ৫ হাজার এবং সহকারী পালক বা যাজক ৩ হাজার টাকা।

প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জাবিউল্লাহ জানান, ধর্মীয় উৎসবে মসজিদে কর্মরতদের ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার ক্ষেত্রে বছরে দুইবার ১ হাজার টাকা করে এবং দুর্গাপূজা, বৌদ্ধপূর্ণিমা বা বড়দিনে দুই হাজার টাকা করে বোনাস দেওয়া হবে। তবে সরকারি বা অনুদানপ্রাপ্ত মসজিদ এ সুবিধার বাইরে থাকবে।

আরও পড়ুন: ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সম্মানি প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

তিনি আরও জানান, চলতি অর্থবছরে মার্চ-জুনে এ সম্মানী প্রদান করতে ২৭ কোটি ৫৭ লাখ টাকা প্রয়োজন হবে। পূর্ণাঙ্গভাবে প্রতি অর্থবছরে প্রায় ৪ হাজার ৪০০ কোটি টাকা ব্যয় হবে। আগামী চার বছরে ধাপে ধাপে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে এবং সম্মানি ব্যাংকের মাধ্যমে প্রদান করা হবে।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এসবি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়