News Bangladesh

নিউজ ডেস্ক || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১৬:৪৫, ১৮ মার্চ ২০২৬
আপডেট: ১৭:০৫, ১৮ মার্চ ২০২৬

ঈদে যমুনায় সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময়

ঈদে যমুনায় সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময়

ফাইল ছবি

দীর্ঘ ১৮ বছরের নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে নিজ দেশে প্রথম ঈদুল ফিতর উদযাপন করতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তেরোতম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই তার প্রথম ঈদ। দিনটি উদযাপনে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় ও পারিবারিক নানা কর্মসূচিতে অংশ নেবেন বলে নিশ্চিত করেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

বুধবার (১৮ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ঈদের দিন সকাল ১০টায় এ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান শুরু হবে।

জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঈদের দিন সকালে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ আদায় করবেন। নামাজ শেষে তিনি সকাল ১০টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় পৌঁছাবেন। সেখানে প্রথমে বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। এরপর পর্যায়ক্রমে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, বিশিষ্ট নাগরিক, শিক্ষাবিদ, আলেম-ওলামা-মাশায়েখ, শিল্পী-সাহিত্যিক, উচ্চপদস্থ সরকারি ও বেসরকারি কর্মকর্তা এবং সর্বস্তরের জনগণের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করবেন।

অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, এই আয়োজনের মাধ্যমে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি মতবিনিময় ও শুভেচ্ছা আদান-প্রদান করবেন।

শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী পরিবারের সদস্যদের নিয়ে শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে যাবেন। সেখানে তিনি প্রয়াত রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করবেন। এরপর তিনি গুলশানের বাসায় যাবেন।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে কার্যালয়ের দায়িত্বে মির্জা ফখরুল

দীর্ঘ দেড় যুগ যুক্তরাজ্যে অবস্থানের পর এবারই প্রথম দেশে ঈদ উদযাপন করছেন তারেক রহমান। প্রায় ১৭ বছর লন্ডনে ঈদ করার পর গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর তিনি পরিবারসহ দেশে ফেরেন। পরবর্তীতে ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির বিজয়ের পর তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

এদিকে, সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনাকেই সরকারপ্রধানের সরকারি বাসভবন হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে ঈদের পর সেখানেই উঠবেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে দীর্ঘদিন প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন হিসেবে ব্যবহৃত গণভবন জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে রূপান্তর করা হয়েছে, ফলে সেখানে বসবাসের সুযোগ নেই।

বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী গুলশান থেকে যাতায়াত করে সচিবালয় ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে নিয়মিত অফিস করছেন। যমুনা থেকে এ দুই স্থানের দূরত্ব তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনায় এটি অধিক সুবিধাজনক হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

গণপূর্ত অধিদপ্তর জানিয়েছে, যমুনায় বড় ধরনের কোনো সংস্কার কাজ হচ্ছে না; মূলত নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও ছোটখাটো সংস্কার কার্যক্রম চলছে। প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরী জানান, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, হাইজিনিক ব্যবস্থার উন্নয়ন, রং করা এবং সিলিংয়ের কিছু অংশ মেরামতের কাজ চলছে। দুই সপ্তাহের মধ্যেই এসব কাজ শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, এরই মধ্যে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধানমন্ত্রী দুই দফায় ইফতার অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন, যেখানে দেশি-বিদেশি কয়েকশ অতিথি উপস্থিত ছিলেন।

নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়