News Bangladesh

স্টাফ রিপোর্টার || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ০৯:১৯, ১৬ মার্চ ২০২৬

দেশব্যাপী ৫৩ খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

দেশব্যাপী ৫৩ খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত

দেশব্যাপী ৫৩টি খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (১৬ মার্চ) দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলা থেকে এই মেগা কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করবেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, সোমবার সকালে রাজধানী ঢাকা থেকে বিমানযোগে নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে সড়কপথে দিনাজপুরের উদ্দেশে রওনা হবেন তিনি।

জানা গেছে, দিনাজপুরে পৌঁছে কাহারোল উপজেলার বলরামপুর সাহাপাড়া এলাকায় প্রায় ১২ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধনের মাধ্যমে একযোগে দেশব্যাপী ৫৩টি খাল পুনঃখনন কর্মসূচির সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী। পরে সেখানে আয়োজিত এক সমাবেশে বক্তব্য দেবেন তিনি।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী দিনাজপুর শহরের ফরিদপুর গোরস্তানে যাবেন। সেখানে তিনি তার নানা মরহুম মো. ইস্কান্দার মজুমদার, নানি মরহুমা তৈয়বা মজুমদার এবং খালা খুরশীদ জাহান হক (চকলেট)-সহ নিকট আত্মীয়দের কবর জিয়ারত করবেন। এরপর স্থানীয় সুধীজন ও রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে ইফতার মাহফিলে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তার।

সংশ্লিষ্টরা জানান, বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে এই খাল পুনঃখনন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনামলে খনন করা অনেক খাল বর্তমানে ভরাট হয়ে গেছে। এসব খাল পুনঃখননের মাধ্যমে সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন, মাছ চাষ, হাঁস পালনসহ খালনির্ভর গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত শুক্রবার সাহাপাড়া-বলরামপুর খাল পরিদর্শন শেষে মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানান, প্রায় ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই খাল পুনঃখননের ফলে এলাকার প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষ উপকৃত হবেন। এতে অতিরিক্ত বন্যা থেকে সুরক্ষা পাওয়ার পাশাপাশি শুষ্ক মৌসুমে সেচ সুবিধা বাড়বে।

আরও পড়ুন: লাইলাতুল কদর উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

তিনি আরও জানান, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং বিএডিসির সমন্বয়ে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। শুধু খাল খনন নয়, খালের পাড় সংরক্ষণ, বাঁধ নির্মাণ এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিও নেওয়া হবে। কৃষি উৎপাদন বাড়াতে এবং স্থানীয় মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়নে খালের পানির বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এসবি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়