News Bangladesh

আন্তর্জাতিক ডেস্ক || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ০৯:৫১, ২৮ জানুয়ারি ২০২৬

ইরানে হামলায় আকাশসীমা-ভূমি ব্যবহারের অনুমতি দেবে না সৌদি আরব

ইরানে হামলায় আকাশসীমা-ভূমি ব্যবহারের অনুমতি দেবে না সৌদি আরব

সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান। ছবি: সংগৃহীত

ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক অভিযানের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেবে না বলে স্পষ্টভাবে জানিয়েছে সৌদি আরব।

দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এসপিএ জানায়, মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে টেলিফোন আলাপে এ অবস্থানের কথা তুলে ধরেন সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ফোনালাপে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা জোরদারে সংলাপ ও কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে মতপার্থক্য নিরসনের ওপর সৌদি আরবের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।

এদিকে ইরানি গণমাধ্যমের খবরে জানানো হয়েছে, প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, আন্তর্জাতিক আইনের কাঠামোর মধ্যে থেকে যেকোনো যুদ্ধবিরোধী উদ্যোগকে তেহরান স্বাগত জানায়।

এর আগে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)ও একই ধরনের অবস্থান জানিয়ে বলেছে, ইরানের বিরুদ্ধে কোনো ‘শত্রুতামূলক’ সামরিক কর্মকাণ্ডের জন্য তারা তাদের আকাশসীমা, ভূখণ্ড কিংবা আঞ্চলিক জলসীমা ব্যবহার করতে দেবে না।

এই অবস্থায় মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতা ঘিরে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনসহ গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সরঞ্জাম ইতোমধ্যে অঞ্চলে মোতায়েন করা হয়েছে।

গত সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইরানের ওপর চাপ বজায় রাখতে যুক্তরাষ্ট্র একটি বড় নৌবহর মধ্যপ্রাচ্যের দিকে পাঠাচ্ছে। সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম শেষে এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আমরা ইরানের দিকে নজর রাখছি। আমাদের অনেক জাহাজ সেখানে যাচ্ছে। আমরা চাই না কিছু ঘটুক, তবে আমরা প্রস্তুত থাকছি।

সোমবার রয়টার্সের খবরে দুই মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে জানানো হয়, একটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরি ও গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সরঞ্জাম ইতোমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছে। এতে একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনীর নিরাপত্তা সক্ষমতা বাড়ছে, অন্যদিকে ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের আশঙ্কাও জোরালো হচ্ছে।

আরও পড়ুন: ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিধসে ২৩ নৌসেনার মৃত্যু

এদিকে ইরানে সাম্প্রতিক বিক্ষোভ ঘিরে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে হাজারো মানুষ নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন। তারা একে ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর সবচেয়ে বড় দমন-পীড়ন হিসেবে বর্ণনা করছে। তবে ইরানি কর্তৃপক্ষ বলছে, এই অস্থিরতা ও প্রাণহানির জন্য দায়ী বিদেশে অবস্থানরত বিরোধীদের মদদপুষ্ট ‘সন্ত্রাসী ও দাঙ্গাবাজরা’।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এসবি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়