‘২০৩০ বিশ্বকাপে রোনালদো খেলবে, কারও সন্দেহ থাকা উচিত নয়’
ছবি: সংগৃহীত
পর্তুগালের হয়ে রেকর্ড ষষ্ঠবারের মতো বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ২০১৬ সালে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ জিতলেও বিশ্বকাপ ট্রফি এখনও অধরা রয়ে গেছে তার। ৪১ বছর বয়সী এই তারকার হাতে বিশ্বকাপ দেখতে মুখিয়ে আছেন ভক্ত-সমর্থকেরা। অনেকের ধারণা, এটিই হতে পারে তার শেষ বিশ্বকাপ। তবে পর্তুগাল কোচ রবার্তো মার্তিনেজ ভিন্ন ইঙ্গিত দিয়েছেন।
২০৩০ সালের বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক পর্তুগাল, স্পেন ও মরক্কো। সে সময় রোনালদোর বয়স হবে ৪৫ বছর। এত বয়সেও তাকে বিশ্বকাপে খেলতে দেখা অসম্ভব নয় বলে মনে করেন মার্তিনেজ।
সম্প্রতি কাদেনা সার রেডিওকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পর্তুগাল কোচ বলেন, ‘এ নিয়ে কারও সন্দেহ থাকা উচিত নয়। তার সেই সামর্থ্য ও যোগ্যতা রয়েছে।’
তবে রোনালদো এখনও অবসরের বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা ঘোষণা করেননি।
২০০৩ সালে জাতীয় দলে অভিষেকের পর থেকে পর্তুগালের হয়ে সবচেয়ে বেশি ২২৬ ম্যাচ খেলেছেন এবং সর্বোচ্চ ১৪৩ গোল করেছেন রোনালদো। একমাত্র ফুটবলার হিসেবে পাঁচটি বিশ্বকাপেই গোল করার কীর্তিও গড়েছেন তিনি।
রোনালদোর পেশাদারিত্ব ও মানসিকতার প্রশংসা করে মার্তিনেজ বলেন, ‘আমরা পর্তুগালের তরুণ ফুটবলারদের কাছে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে আদর্শ হিসেবে তুলে ধরতে চাই। সে একজন সত্যিকারের রোল মডেল।’
ক্লাব ফুটবলেও দারুণ ছন্দে রয়েছেন রোনালদো। আল নাসরের জার্সিতে চলতি মৌসুমে ২৮ গোল করে দলকে সৌদি প্রো লিগ শিরোপা জেতাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি।
মার্তিনেজের মতে, রোনালদোর সবচেয়ে বড় শক্তি তার অদম্য ক্ষুধা ও নিজেকে প্রতিনিয়ত উন্নত করার মানসিকতা।
আরও পড়ুন: বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে অনিশ্চিত নেইমার
তিনি বলেন, ‘অনেক খেলোয়াড় বড় শিরোপা জয়ের পর তৃপ্ত হয়ে যায়। কিন্তু রোনালদো ভিন্ন। সে যা-ই অর্জন করুক না কেন, পরের দিন আরও ভালো হওয়ার জন্য একই রকম ক্ষুধা নিয়ে কাজ শুরু করে।’
পর্তুগাল তাদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ১৭ জুন ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে। এরপর ২৩ জুন উজবেকিস্তানের মুখোমুখি হবে তারা। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ২৭ জুন কলম্বিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামবে পর্তুগিজরা।
নিউজবাংলাদেশ.কম/এসবি








