ধর্ম ডেস্ক || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১৪:৩৮, ২১ জুন ২০২৬

যে সময়ে করা দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না

যে সময়ে করা দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না

প্রতীকী ছবি

মুমিন বান্দা বিপদ-আপদ থেকে মুক্তি, ক্ষমা ও কল্যাণের আশায় মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করেন। ইসলামি শিক্ষায় দোয়াকে ইবাদতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। মহান আল্লাহ তাআলা দোয়াকারীর ডাকে সাড়া দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেন, প্রার্থনাকারী যখন আমাকে ডাকে, তখন আমি তার ডাকে সাড়া দিই। (সূরা আল-বাকারা: ১৮৬)

অন্য আয়াতে মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন, যারা আমার পথে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালায়, আমি অবশ্যই তাদের আমার পথে পরিচালিত করব। নিশ্চয়ই আল্লাহ সৎকর্মপরায়ণদের সঙ্গে আছেন। (সূরা আল-আনকাবুত: ৬৯)

হাদিসে দোয়া কবুলের বিভিন্ন সময়ের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে রাতের শেষ তৃতীয়াংশ অন্যতম। আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, আল্লাহ তাআলা প্রতি রাতের শেষ তৃতীয়াংশে নিকটবর্তী আসমানে অবতরণ করে বলেন, কে আমাকে ডাকবে, আমি তার ডাকে সাড়া দেব; কে আমার কাছে চাইবে, আমি তাকে দান করব; কে আমার কাছে ক্ষমা চাইবে, আমি তাকে ক্ষমা করব। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ১১৪৫)

এ ছাড়া এমন একটি সময় রয়েছে, যখন করা দোয়া প্রত্যাখ্যাত হয় না। সেটি হলো আজান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময়। এ প্রসঙ্গে আনাস ইবনু মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, আজান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময়ে করা দোয়া প্রত্যাখ্যাত হয় না। (সুনান আবু দাউদ, হাদিস: ৫২১)

আরও পড়ুন: হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৫৮ হাজার ৮৬৩ জন বাংলাদেশি 

তাই মুসলমানদের উচিত আজান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময়সহ দোয়া কবুলের বিশেষ মুহূর্তগুলোকে গুরুত্ব দেওয়া এবং আন্তরিকতার সঙ্গে মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এসবি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়