জয় দিয়ে সিরিজ শেষ করলো বাংলাদেশ
ঘরের মাঠে আয়ারল্যান্ড উলভর্সের বিপক্ষে শেষপর্যন্ত রোমাঞ্চকর জয়ে সব ম্যাচ জিতেই সিরিজ শেষ করেছে সাইফ হাসানের নেতৃত্বাধীন দল।
রোববার মিরপুরে হোম অব ক্রিকেট মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের শেষ একদিনের ম্যাচ বাংলাদেশ ইমার্জিং দলের জয় মাত্র ৫ রানের ব্যবধানে।
তৃতীয়টিতে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে মাহমুদুল হাসান জয়ের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে ২৬০ রানের পুঁজি বাংলাদেশ ইমার্জিং দলের। এদিন ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ দল। দলীয় রান ১৫ হতে না হতেই ওপেনার সাইফ হাসান (৩) বোল্ড হয়ে ফেরেন মার্ক অ্যাডায়ারের বলে। এরপর আনিসুল ইসলাম ইমনের সঙ্গে ৪৯ রানের জুটি গড়েন তিনে নামা মাহমুদুল হাসান জয়। তবে ইমন ৩১ বলে ৪১ রান করে গ্যারেথ ডিলনের বলে ফিরলে ভাঙে এই জুটি।
এরপর তাওহিদ হৃদয় (২), শাহাদাত হোসেন (১৩), মাহুদুল ইসলাম অঙ্কন (৩৩) আর আমিনুল ইসলাম (৩) রান করে বিদায় নেন। তবে উইকেটের অপর প্রান্তে ঠিকই ঠাই হয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন মাহমুদুল। সতীর্থদের যাওয়া আসার ভিড়েও দলের প্রয়োজনের সময় নিজের উইকেটটা তো ধরে রাখেনই সেই সঙ্গে ব্যাটও ছোটান ব্যক্তিগত বড় সংগ্রহের পথেও। দলীয় ১০৯ রানে হৃদয়, ১৪০ রানে শাহাদাত, ১৬৩ রানে শামিম আর ২৩৪ রানে অঙ্কন ফেরেন।
এর মধ্যেই অর্ধশতক হাঁকান মাহমুদুল, এরপর ব্যাট ছোটান সেঞ্চুরির দিকে। শেষ পর্যন্ত সেঞ্চুরি তুলে নিয়েও ব্যাট ছোটাতে থাকেন। শেষ পর্যন্ত ১৩৫ বলে ১২৩ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলে দুর্ভাগ্যবশত রান আউট হয়ে ফেরেন তিনি। দুর্দান্ত এই ইনিংস মাহমুদুল সাজান ৯টি চার ও তিনটি ছয়ে। শেষ দিকে দ্রুতই উইকেট হারিয়ে ফেলে টাইগাররা। নির্ধারিত ৫০ ওভারের আগেই গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ ইমার্জিং দল।
আয়ারল্যান্ডের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন মার্ক অ্যাডায়ার, গ্যারেথ ডিলনে, রুহান প্রিটোরিয়াস আর হ্যারি টেক্টর আর বাকি একটি উইকেট নেন পেটার চেজ। মার্ক অ্যাডায়ার ৪.৪ ওভারে ২১ রানে নেন দুটি উইকেট।
জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা দুর্দান্ত ছিল আইরিশদের। মাত্র ৭ রানে উদ্বোধনী জুটি ভাঙলেও, দ্বিতীয় উইকেটে ৯৭ রান যোগ করেন মার্ক এডায়ার ও স্টিফেন ডোহেনি। এডায়ার ৪৫ রান করে ফিরে গেলেও ডোহেনি আগলে রাখেন একপ্রান্ত। কিন্তু অপরপ্রান্তে তেমন সহায়তা পাননি অন্য কারও কাছ থেকে। শেষপর্যন্ত ডোহেনি সাজঘরের পথ ধরেন ইনিংসের ৩৫তম ওভারে। কিন্তু তার সম্ভাব্য সেঞ্চুরিটি আটকে দেন ডানহাতি অফস্পিনার শামীম হোসেন।
আউট হওয়ার আগে ৯ চার ও ১ ছয়ের মারে ৯৯ বলে ৮১ রান করেন ডোহেনি। এছাড়া শেষদিকে রকের ৩৫ রানব্যতীত আর কেউই বলার মতো কিছু করতে পারেননি। বাংলাদেশ ইমার্জিংয়ের পক্ষে বল হাতে সবচেয়ে সফল দলের অধিনায়ক সাইফ হাসান। তিনি ১০ ওভারে মাত্র ৩১ রান খরচায় নেন ৩টি উইকেট। এছাড়া শফিকুল ইসলাম ও তানভীর ইসলাম নেন ২টি করে উইকেট। শামীম ও রেজাউরের ঝুলিতে জমা পড়ে ১টি করে উইকেট।
নিউজবাংলাদেশ.কম/এনডি








