সামান্য ওজন কমালেও মিলতে পারে বড় স্বাস্থ্য উপকারিতা
প্রতীকী ছবি
ওজন কমানোর প্রসঙ্গ উঠলেই অনেকেই নির্দিষ্ট একটি সংখ্যায় পৌঁছানোর লক্ষ্যকে গুরুত্ব দেন। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরের মোট ওজনের সামান্য অংশ, এমনকি ১০ শতাংশ পর্যন্ত কমালেও উল্লেখযোগ্য স্বাস্থ্য উপকার পাওয়া যায়।
যারা এখনো কাঙ্ক্ষিত ওজনে পৌঁছাননি, তাদের জন্যও ধাপে ধাপে ওজন কমানোর লক্ষ্য স্বাস্থ্যের জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক
শরীরে অতিরিক্ত চর্বি জমলে ইনসুলিনের কার্যকারিতা কমে যায়। ফলে রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সমস্যা দেখা দিতে পারে। ওজন কমালে ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বাড়ে, গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ উন্নত হয় এবং ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে। যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রেও ওজন কমানো রোগ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী
আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের মতে, সামান্য ওজন কমালেও রক্তচাপ কমে এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা উন্নত হতে পারে। এতে হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস পায় এবং সামগ্রিকভাবে হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতা ভালো থাকে।
অভ্যন্তরীণ অঙ্গের চর্বি কমায়
ওজন কমানোর ফলে শুধু বাহ্যিক পরিবর্তনই নয়, শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গের আশপাশে জমে থাকা ক্ষতিকর চর্বিও কমে। বিশেষ করে লিভারের চর্বি হ্রাস পায়, যা নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
জয়েন্টের চাপ কমায়
অতিরিক্ত ওজন হাঁটু, কোমর ও মেরুদণ্ডের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে। ওজন কমলে এই চাপ কমে যায়, ফলে চলাফেরা সহজ হয় এবং জয়েন্টের ব্যথাও অনেক ক্ষেত্রে হ্রাস পায়।
আরও পড়ূন: তীব্র গরমে সুস্থ থাকতে মেনে চলুন ৫টি সহজ অভ্যাস
ঘুম ও শক্তি বাড়ায়
ওজন কমানো ঘুমের মান উন্নত করতে সাহায্য করে। বিশেষ করে নাক ডাকা বা স্লিপ অ্যাপনিয়ার মতো সমস্যা থাকলে এর উপশম হতে পারে। ফলে দিনে শরীর বেশি চনমনে থাকে এবং মনোযোগও বাড়ে।
নিউজবাংলাদেশ.কম/এসবি








