ডিমের ভালো-মন্দ
ছবি: এআই
ডিম খুবই স্বাস্থ্যকর এবং প্রোটিনে ভরপুর থাকায় একে প্রোটিনের সবচেয়ে বড় উৎস হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সেকারণে কম বেশি সবারই পছন্দ ডিম। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় তাই যুক্ত থাকে এই খাবার।
সেদ্ধ, ভাজি, ওমলেট, রান্না, ভুনাসহ নানাভাবে খাওয়া যায় ডিম। তবে উপকারী দিকের পাশাপাশি ডিমে রয়েছে অপকারী দিকও। তাই চলুন জেনে নেওয়া যাক ডিমের ভালো মন্দ।
উপাদান
ডিম প্রোটিন, ভিটামিন (A, D, B12) এবং খনিজ পদার্থের (জিঙ্ক, আয়রন, সেলেনিয়াম) একটি সাশ্রয়ী ও সুষম উৎস, যা পেশি গঠন, মস্তিষ্ক ও চোখের স্বাস্থ্য (লুটিন ও জিয়াজেন্থিন) উন্নত করে। প্রতিদিন ১-২টি ডিম খাওয়া নিরাপদ।
তবে অতিরিক্ত ডিমের কুসুম উচ্চ কোলেস্টেরল বা হৃদরোগীদের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে এবং কাঁচা ডিম থেকে সালমোনেলা সংক্রমণের ভয় থাকে।
উপকারিতা
উচ্চমানের প্রোটিন: ডিমের সাদা অংশে অ্যালবুমিন নামক প্রোটিন থাকে, যা পেশি তৈরি ও মেরামতের জন্য অত্যন্ত জরুরি।
দৃষ্টিশক্তি ও মস্তিষ্ক: ডিমের কুসুমে থাকা লুটেইন এবং জিয়াজেন্থিন চোখের ছানি ও ম্যাকুলার অবক্ষয় প্রতিরোধ করে। এতে থাকা কোলিন মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়ায়।
আরও পড়ুন: অকালে চুল পাকা কমাতে উপকারী যেসব খাবার
ওজন নিয়ন্ত্রণ ও শক্তি: সকালে ডিম খেলে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা থাকে, যা ওজন কমাতে সাহায্য করে।
হাড় ও চুল মজবুত: ভিটামিন D হাড় শক্ত করে এবং প্রয়োজনীয় অ্যামিনো অ্যাসিড চুল ও ত্বক ভালো রাখে।
অপকারিতা ও সতর্কতা
কোলেস্টেরল বৃদ্ধি: ডিমের কুসুমে প্রচুর কোলেস্টেরল থাকে, তাই অতিরিক্ত খেলে রক্তে কোলেস্টেরল ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
অ্যালার্জি: অনেকের ডিমে অ্যালার্জি থাকতে পারে, যার ফলে চর্মরোগ বা পেটের সমস্যা হতে পারে।
সংক্রমণ ঝুঁকি: কাঁচা বা আধা-সেদ্ধ ডিমে সালমোনেলা ব্যাকটেরিয়া থাকতে পারে, যা ফুড পয়জনিং ঘটাতে পারে।
পেটের অস্বস্তি: অতিরিক্ত ডিম খেলে হজমের সমস্যা বা পেটে গ্যাস হতে পারে।
পরামর্শ: সুস্থ ব্যক্তিদের জন্য প্রতিদিন ১-২টি সেদ্ধ ডিম সম্পূর্ণ কুসুমসহ খাওয়া নিরাপদ। তবে যাদের উচ্চ কোলেস্টেরল বা হৃদরোগ আছে, তারা কুসুম এড়িয়ে শুধু সাদা অংশ বা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খেতে পারেন।
নিউজবাংলাদেশ.কম/এনডি








