ঈদ উপলক্ষে রাতে মার্কেট খোলা রাখার নতুন সময় নির্ধারণ
ফাইল ছবি
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে গতি ফেরাতে এবং ক্রেতাসাধারণের কেনাকাটার সুবিধার্থে মার্কেট, বিপণিবিতান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার সময়সীমা বৃদ্ধি করা হয়েছে। এখন থেকে ঈদের দিন পর্যন্ত সারাদেশে রাত ১০টা পর্যন্ত দোকানপাট খোলা রাখা যাবে।
মঙ্গলবার (১২ মে) বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই নতুন সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলার লক্ষ্যে ইতিপূর্বে সরকারের পক্ষ থেকে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে দেশের সকল বিপণিবিতান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করার নির্দেশনা কার্যকর ছিল। তবে ঈদ উৎসবের কেনাকাটার গুরুত্ব বিবেচনা করে এবং ব্যবসায়ীদের আর্থিক ক্ষতির দিকটি মাথায় রেখে সময়সীমা বাড়ানোর আবেদন জানায় বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি। এই আবেদনের প্রেক্ষিতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইতিবাচক সাড়া দেন।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মন্ত্রী মহোদয় সমিতি বরাবর নিশ্চিত করেছেন যে, আজ ১২ মে থেকে ঈদুল আযহা পর্যন্ত সময়সীমা বর্ধিত করে রাত ১০টা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ব্যাংক একীভূতকরণ সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের সুযোগ নেই: গভর্নর
ব্যবসায়ীদের জন্য সময়সীমা বাড়ানো হলেও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের বিষয়টি কঠোরভাবে বিবেচনায় রাখা হয়েছে। দোকান মালিক সমিতির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিশেষভাবে সতর্ক করা হয়েছে যে, বর্ধিত এই সময়ে কোনোভাবেই আলোকসজ্জা বা অপ্রয়োজনীয় অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ব্যবহার করা যাবে না। মূলত বিদ্যুতের ওপর চাপ কমিয়ে কেনাকাটার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতেই এই শর্ত আরোপ করা হয়েছে।
সমিতির নেতৃবৃন্দ আশা করছেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে সাধারণ মানুষ যেমন স্বচ্ছন্দে কেনাকাটা করতে পারবেন, তেমনি খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীরাও তাদের লোকসান কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হবেন।
ঈদুল আযহা পর্যন্ত এই নতুন সময়সূচী কার্যকর থাকবে। রাত ১০টা পর্যন্ত দোকানপাট খোলা থাকায় মার্কেটগুলোতে ভিড় বাড়বে, তাই সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও সমন্বয় করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী নীতি মেনে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ব্যবসা পরিচালনার জন্য দেশের সকল ছোট-বড় দোকান মালিক ও ব্যবসায়ীদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছে সমিতি।
নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি








