artk
বৃহস্পতিবার, নভেম্বার ২১, ২০১৯ ৭:৩১   |  ৭,অগ্রহায়ণ ১৪২৬
বুধবার, সেপ্টেম্বার ১১, ২০১৯ ৫:৫০

‘রোহিঙ্গাদের জন্য ঘরবাড়ি দরকার নেই, আগে তাদের ফিরিয়ে নিন’

স্টাফ রিপোর্টার
media

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, রোহিঙ্গারা যাতে স্বেচ্ছায় ফিরে যেতে পারে, সে পরিবেশ মিয়ানমারকেই তৈরি করতে হবে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, রোহিঙ্গারা যাতে স্বেচ্ছায় ফিরে যেতে পারে, সে পরিবেশ মিয়ানমারকেই তৈরি করতে হবে। রোহিঙ্গাদের জন্য ঘরবাড়ি বানানোর দরকার নেই, আগে তাদের ফিরিয়ে নিন।… রোহিঙ্গাদের জন্য কিছু বাড়িঘর মিয়ানমার সরকার তৈরি করেছে, সেখানে আসলে কী অবস্থা হয়েছে তা দেখাতে আমাদের রাষ্ট্রদূতসহ বিদেশি কূটনীতিকদের নিয়ে যাবে, আগে কোনদিন রাজি ছিল না এখন রাজি হয়েছে।”

ঢাকার আগারগাঁওয়ের পিকেএসএফ ভবনে বুধবার এক সেমিনারের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গারা যাতে স্বেচ্ছায় ফিরে যেতে পারে, সে পরিবেশ মিয়ানমারকেই তৈরি করতে হবে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন বলেন, “রোহিঙ্গাদের জন্য ঘরবাড়ি বানানোর দরকার নেই, আগে তাদের ফিরিয়ে নিন।… রোহিঙ্গাদের জন্য কিছু বাড়িঘর মিয়ানমার সরকার তৈরি করেছে, সেখানে আসলে কী অবস্থা হয়েছে তা দেখাতে আমাদের রাষ্ট্রদূতসহ বিদেশি কূটনীতিকদের নিয়ে যাবে, আগে কোনদিন রাজি ছিল না এখন রাজি হয়েছে।”

প্রত্যাবাসন শুরু করতে ব্যর্থতার জন্য বাংলাদেশকে দায়ী করে মিয়ানমার সরকারের বক্তব্য নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “তারা এটা বলছে কারণ আমাদের দিক থেকে রোহিঙ্গারা যায়নি। আমরা কাউকে জোর করে ফেরত পাঠাব না, তারা স্বেচ্ছায় ফেরত যাবে। পরিবেশ তৈরি করার দায়িত্ব মিয়ানমারের; তারা তাদের লোকগুলোকে কনভিন্স করতে পারেনি।”

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের বহু মানুষের ভারতে আশ্রয় নেওয়ার কথা মনে করিয়ে দিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “যখন ভারত থেকে আসি, আমরা চিন্তা করি নাই আমাদের ঘরবাড়ি আছে কিনা। পাকিস্তানি আর্মি আমাদের ঘরবাড়ি ভেঙে ফেলেছিল, আমরা এসে ঘরবাড়ি তৈরি করেছি। রোহিঙ্গারাও যখন আমাদের এখানে এলো, তারাও কিন্তু ঘরবাড়ির কথা চিন্তা করে নাই। পালিয়ে আসছে। যখন তাদের যাওয়া শুরু হবে, গিয়ে সেখানে ঘরবাড়ি তৈরি করে নেবে, না গেলে কীভাবে হবে?”

রোহিঙ্গাদের যেহেতু শরণার্থীর মর্যাদা দেওয়া হয়নি, তাহলে বাংলাদেশ ‘স্বেচ্ছায়’ ফিরে যাওয়ার ওপর গুরুত্ব কেন দিচ্ছে- এ প্রশ্নে মোমেন বলেন, “আমরা (ইউএনএইচসিআর, ইউএনডিপির সঙ্গে) একটা এগ্রিমেন্ট সই করেছিলাম যে, আমরা কাউকে জোর করে ফেরত পাঠাব না। সেটাতেই আমরা আছি। আমরা চাই রোহিঙ্গারা স্বেচ্ছায় ফিরুক। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব হয় ফিরে যাক।”

রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তরের বিষয়ে এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

২০১৭ সালের অগাস্টে রাখাইনের ওই এলাকায় সেনাবাহিনীর দমন অভিযান শুরুর পর থেকে সোয়া সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।

সেনাবাহিনীর ওই অভিযানকে জাতিসংঘ বর্ণনা করে আসছে জাতিগত নির্মূল অভিযান হিসেবে। তবে সেখানে গণহারে হত্যা-ধর্ষণ-জ্বালাওপোড়াওয়ের অভিযোগ মিয়ানমার অস্বীকার করে আসছে।

মিয়ানমার বলে আসছে, বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়ে থাকা রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে তারা প্রস্তুত। কিন্তু গত মাসে প্রত্যাবাসনের দ্বিতীয় দফা চেষ্টাও ব্যর্থ হয়ে গেছে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের কথায় রোহিঙ্গারা আস্থা রাখতে না পারার কারণে। 

রোহিঙ্গাদের দাবি, প্রত্যাবাসনের জন্য আগে তাদের নাগরিকত্ব দিতে হবে। জমি-জমা ও ভিটেমাটির দখল ফেরত দিতে হবে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। রাখাইনে তাদের সঙ্গে যা হয়েছে, সেজন্য ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। অন্যদিকে মিয়ানমার প্রত্যাবাসন শুরু করতে না পারার জন্য বাংলাদেশকে দুষছে।

সম্প্রতি মিয়ানমার সরকারের ব্যবস্থাপনায় রাখাইনের কয়েকটি এলাকা ঘুরে এসে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন বিবিসির দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া প্রতিবেদক জোনাথন হেড।

তিনি লিখেছেন, রাখাইনের রোহিঙ্গা গ্রামগুলো গুঁড়িয়ে দিয়ে সেখানে পুলিশ ব্যারাক ও বিভিন্ন সরকারি স্থাপনা গড়ে তোলা হচ্ছে। প্রত্যাবাসনের জন্য যে দুটি ট্রানজিট ও রিলোকেশন ক্যাম্প মিয়ানমার সরকার বানিয়েছে, সেগুলো তৈরি করা হয়েছে রোহিঙ্গা গ্রাম মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিয়ে।

ইটিভির সাবেক চেয়ারম্যান সালামের মামলা বাতিল পিইসি পরীক্ষায় শিক্ষার্থী বহিষ্কার কেন অবৈধ নয়: হাইকোর্ট বিএনপি নেতাদের বাড়ি ঘেরাও হচ্ছে না কেন: গয়েশ্বর শফিকুরের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা অপরাধীরা মোবাইল ব্যাংকিং চ্যানেল ব্যবহারে করছে: দুদক চেয়ারম্যান সড়ক আইন প্রয়োগে বাড়াবাড়ি না হলে সমস্যা হবে না: কাদের পুঁজিবাজারে সব ধরনের সূচকের উত্থান ‘চাল নেই লবণ নেই বলে অপপ্রচার চালাচ্ছে একটি গোষ্ঠী’ বুরকিনা ফাসোতে পুলিশের অভিযানে ১৮ জিহাদি নিহত জীবনযাত্রায় বদল এনে নিয়ন্ত্রণে রাখুন রক্তচাপ সশস্ত্র বাহিনী দিবসে শিখা অনির্বাণে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা তিনদিনব্যাপী ‘শালুক’-এর নিবিড় সম্মিলন শুরু শুক্রবার ভারতের সাথে ১০০ কোটি ডলারের নৌ-অস্ত্র চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আশ্বাসে কর্মবিরতি প্রত্যাহার মালিক-শ্রমিকদের চেকপোস্টে ডাকাতের হামলা, ৪ পুলিশ আহত মেলায় রাজস্ব আদায় ২৬১৩ কোটি টাকা রাজধানী সুপার মার্কেটের আগুন নিয়ন্ত্রণে ময়মনসিংহে এক বাড়িতেই ৭ হাজার কেজি লবণ ট্রান্সফাররেবল এলসির সঠিক ব্যবহারে বায়িং হাউজের দক্ষতা বাড়ানো জরুরী জনগণকে শাস্তি দেবেন না প্লিজ: কাদের কাউন্সিলর সাঈদের বিরুদ্ধে মামলা সৈয়দ নূরুল আলমের ‘আমার জীবন ও উন্নয়নের ৪৪ বছর’ টিকাটুলিতে রাজধানী সুপার মার্কেটে ভয়াবহ আগুন শিগগিরই ২২১ বন্ড লেনদেনযোগ্য হবে দেশের মানুষ এখন খোলা জেলে বন্দী: মির্জা আব্বাস ধর্মঘটের প্রভাব চালের বাজারে পড়বে না: খাদ্যমন্ত্রী বায়ুদূষণে শীর্ষে ঢাকা, ২৫ নভেম্বর আন্তমন্ত্রণালয় সভা চট্টগ্রামে পাহাড়ে অস্ত্র তৈরির কারখানা: ২০ অস্ত্রসহ ‘ডাকাত সর্দার’ গ্রেপ্তার ঢাকা-চট্টগ্রাম-সিলেট মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক বাস নেই, ভোগান্তি মাথায় নিয়ে হাঁটছে মানুষ