artk
বুধবার, আগষ্ট ২১, ২০১৯ ৪:২২   |  ৫,ভাদ্র ১৪২৬

মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান

বৃহস্পতিবার, আগষ্ট ৮, ২০১৯ ৫:৪০

বিদায়ী অর্থবছরে মন্দায় কেটেছে পুঁজিবাজার

media

দেশের পুঁজিবাজারে লেনদেন মন্দায় কেটেছে ২০১৮-১৯ অর্থবছর। আগের অর্থবছর থেকে এ অর্থবছরে লেনদেন কমছে ১২ হাজার ৮৯২ কোটি টাকা বা ৮ দশমিক ১০ শতাংশ। এ অর্থবছরের আট মাসই পুঁজিবাজারে দরপতন ছিল। এ সময় ডিএসই প্রধান মূল্য সূচক ডিএসই ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) বাড়লেও অন্য সূচক ডিএস৩০ ও ডিএসইএস কমেছে। একই সঙ্গে দেশি বিনিয়োগকারীদের পাশাপাশি ওই অর্থবছরে বিদেশিদেরও বিনিয়োগ কমেছে। 

বিদায়ী অর্থবছর প্রসঙ্গে ডিএসইর পক্ষ থেকে জানানো হয়, গত বছরের শেষে জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অনেকদিন পুঁজিবাজারে নেতিবাচক লেনদেন হয়েছিল। আবার বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রানীতিকে কেন্দ্র করে নতুন করে দরপতন সৃষ্টি হয়েছিল ওই সময়। এছাড়া নানা অনিয়মের পাশাপাশি প্লেসমেন্ট, উদ্যোক্তা পরিচালকদের শেয়ার বিক্রির হিড়িক লক্ষ্য করা গেছে। ফলে গত অর্থবছরের মন্দাসহ নতুন অর্থবছরের বাজেটকে কেন্দ্র করে পুঁজিবাজারে দরপতন লেগেই ছিল। ফলে পুঁজিবাজারে ছিল আস্থাসহ তারল্য সঙ্কট।

বিদায়ী অর্থবছরের পুঁজিবাজার চিত্র:

লেনদেন: বিদায়ী ২০১৮-১৯ অর্থবছরে মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ১ লাখ ৪৬ হাজার ১৯৩ কোটি ৫ লাখ টাকা৷ যা গত অর্থবছরের (২০১৭-১৮) চেয়ে ১২ হাজার ৮৯২ কোটি টাকা বা ৮ দশমিক ১০ শতাংশ কম৷ ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ২৩৮ কার্যদিবসে গড়ে লেনদেন হয় ৬১৪ কোটি ২৬ লাখ টাকা৷ এর আগের অর্থবছরে (২০১৭-১৮) ২৪৬ কার্যদিবসে মোট লেনদেনের পরিমান ছিল ১ লাখ ৫৯ হাজার ৮৫ কোটি ১৯ লাখ টাকা। গড়ে লেনদেনের পরিমান ছিল ৬৪৬ কোটি ৬৯ লাখ টাকা৷  

ডিএসইর মূল্য সূচক: ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ডিএসই প্রধান মূল্য সূচক ডিএসই ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) আগের অর্থবছরের চেয়ে ১৬ দশমিক ১৬ পয়েন্ট বা দশমিক ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৫ হাজার ৪২১ দশমিক ৬২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে৷ এ অর্থবছরে ডিএসইএক্স মূল্য সূচক সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৯৫০ দশমিক ১ পয়েন্টে উন্নীত হয় এবং সর্বনিম্ন ছিল ৫ হাজার ১৭৫ দশমিক ৪৭ পয়েন্ট৷ ২০১৩ সালের ২৮ জানুয়ারি ৪ হাজার ৯০ দশমিক ৪৭ পয়েন্ট নিয়ে এ সূচকের যাত্রা শুরু করে ডিএসই৷ 

২০১৮-১৯ অর্থবছরে ডিএসই ৩০ সূচক (ডিএস৩০) ৩০ দশমিক ৮৫ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৫৭ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ১ হাজার ৯২৯ দশমিক ৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে৷ ওই অর্থবছরে ডিএস৩০ মূল্য সূচক সর্বোচ্চ ২ হাজার ৪৯ পয়েন্টে উন্নিত হয় এবং সর্বনিম্ন ছিল ১ হাজার ৮১২ দশমিক ৮২ পয়েন্ট৷ ২০১৩ সালের ২৮ জানুয়ারি ১ হাজার ৪৭৩ দশমিক শূন্য ১ পয়েন্ট নিয়ে এ সূচকের যাত্রা শুরু৷ 

একই বছর ডিএসইএক্স শরীয়াহ্ সূচক (ডিএসইএস) ১৯ দশমিক ১০ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৫১ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ১ হাজার ২৪৪ দশমিক ৬৯ পয়েন্টে উন্নিত হয়৷ ওই অর্থবছরে ডিএসইএস মূল্য সূচক সর্বোচ্চ ১ হাজার ৩৩১ দশমিক ৬৩ পয়েন্টে উন্নীত হয় এবং সর্বনিম্ন ছিল ১ হাজার ১৮৯ দশমিক শূন্য ৯ পয়েন্ট৷ ২০১৪ সালের ২০ জানুয়ারি ৯৪১ দশমিক ২৮ পয়েন্ট নিয়ে এ সূচকের যাত্রা শুরু৷

পুঁজিবাজার মূলধন: বিদায়ী অর্থবছরে ডিএসইর বাজার মূলধন বৃদ্ধি পেয়েছে ৩ দশমিক ৯২ শতাংশ৷ ডিএসই বাজার মূলধন আগের বছরের তুলনায় ১৫ হাজার ৮১ কোটি টাকা বা ৩ দশমিক ৯২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৩ লাখ ৯৯ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত হয়৷ ওই অর্থবছরে বাজার মূলধন সর্বোচ্চ ৪ লাখ ২১ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত হয় এবং সর্বনিম্ন ছিল ৩ লাখ ৭৮ হাজার কোটি।   

আইপিও: শিল্প উদ্যোক্তারা বিদায়ী অর্থবছরে বাজার থেকে ১টি মিউচ্যুয়াল ফান্ডসহ মোট ১৪টি সিকিউরিটিজ প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিওর মাধ্যমে ৫৭১ কোটি টাকা মূলধন সংগ্রহ করে৷ এর মধ্যে ২টি কোম্পানি প্রিমিয়ামে ২০১ কোটি ১৭ লাখ টাকা সংগ্রহ করে। এর আগের অর্থবছরে (২০১৭-১৮) ২টি মিউচ্যুয়াল ফান্ডসহ মোট ১১টি সিকিউরিটিজ আইপিওর মাধ্যমে মোট ৫৪১ কোটি ২৫ লাখ টাকা সংগ্রহ করে৷ এর মধ্যে ২টি কোম্পানি প্রিমিয়ামে ২৭৪ কোটি ৩৩ লাখ টাকা সংগ্রহ করে৷ 

তালিকাভুক্তি: বিদায়ী অর্থবছরে ১টি মিউচ্যুয়াল ফান্ডসহ মোট ১৪টি সিকিউরিটিজ ১৬৪১ কোটি ২৮ লাখ টাকার পরিশোধিত মূলধন নিয়ে ডিএসইতে তালিকাভুক্ত হয়৷ এর আগের অর্থবছরে (২০১৭-১৮) ২টি মিউচ্যুয়াল ফান্ডসহ মোট ৭টি সিকিউরিটিজ ৬৭৫ কোটি ৬৯ লাখ টাকা পরিশোধিত মূলধন নিয়ে ডিএসইতে তালিকাভুক্ত হয়৷

বোনাস শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে মূলধন বৃদ্ধি- ডিএসইর তালিকাভুক্ত কোম্পানি সমুহের মধ্যে বিদায়ী অর্থবছরে ব্যাংকিং খাতের ১৯টি, আর্থিক খাতের ৯টি, প্রকৌশল খাতের ২৪টি, খাদ্য ও আনুসাঙ্গিক খাতের ৭টি, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের ৭টি, টেক্সটাইল খাতের ২৮টি, ওষুধ ও রসায়ন খাতের ১৪টি, সার্ভিস এন্ড রিয়েল এস্টেট খাতের ১টি, সিমেন্ট খাতের ২টি, আইটি খাতের ৪টি, ট্যানারি খাতের ২টি, সিরামিক খাতের ৩টি, ইন্সুরেন্স খাতের ২৫টি এবং বিবিধ খাতের ৭টিসহ মোট ১৫২টি কোম্পানি প্রায় ৩৩০ কোটি ৫০ লাখ ৫৮ হাজার বোনাস শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে ৩ হাজার ৫৫৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা মূলধন বৃদ্ধি করে৷ এর আগের অর্থবছরে (২০১৭-১৮) মোট ১৪৮টি কোম্পানি ৪২৭ কোটি ৯০ লাখ বোনাস শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে ৪ হাজার ২৭৭ কোটি টাকা মূলধন বৃদ্ধি করে৷ 

মার্কেট পিই: বিদায়ী অর্থবছরের শেষে ডিএসইতে তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজগুলোর মূল্য আয় অনুপাত বা মার্কেট পিই দাঁড়িয়েছে ১৪ দশমিক ২৫৷ এর আগের অর্থবছরের (২০১৭-১৮) শেষে মূল্য আয় অনুপাত বা মার্কেট পিই ছিল ১৪ দশমিক ৯৫৷ খাতওয়ারী মূল্য আয় অনুপাত বা মার্কেট পিই মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মার্কেট পিই ৭ দশমিক ৩২, ব্যাংকিং খাতের মার্কেট পিই ৮ দশমিক ২৬, ইন্সুরেন্স খাতের মার্কেট পিই ১৪ দশমিক ৪২, ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের মার্কেট পিই ১৪  দশমিক ৫৬, টেলিকমিউনিকেশন খাতের মার্কেট পিই ১৪ দশমিক ৫৯, আর্থিক খাতের পিই ১৪  দশমিক ৬৬ এবং ফুয়েল অ্যান্ড পাওয়ার খাতের ১৪ দশমিক ৭২, সার্ভিসেস অ্যান্ড রিয়েল এস্টেট খাতের মার্কেট পিই ১৫  দশমিক ৪২, টেক্সটাইল খাতের মার্কেট পিই ১৬ দশমিক ৭৯, পেপার অ্যান্ড প্রিন্টিং খাতের মার্কেট পিই ১৭ দশমিক ৬৯, ফার্মাসিউটিক্যালস অ্যান্ড কেমিক্যালস খাতের মার্কেট পিই ১৯  দশমিক ১০, ট্যানারি খাতের মার্কেট পিই ২০ দশমিক ৩১, ট্রাভেল অ্যান্ড লেইজার খাতের মার্কেট পিই ২৩.৮৫, সিরামিক খাতের মার্কেট পিই ২৩.৯৫, আইটি খাতের মার্কেট পিই ২৪.৩৭, ফুড অ্যান্ড অ্যালাইড প্রোডাক্ট খাতের মার্কেট পিই ২৫ দশমিক শূন্য ৮, বিবিধ খাতের মার্কেট পিই ২৭  দশমিক শূন্য ৯, সিমেন্ট খাতের মার্কেট পিই ২৮  দশমিক ৬৪, জুট খাতের মার্কেট পিই ৩০৫৷

মার্কেট ক্যাপিটালাইজেশন টু জিডিপির অনুপাত: ডিএসইর বিদায়ী অর্থবছরে তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজগুলোর মার্কেট ক্যাপিটালাইজেশন টু জিডিপির অনুপাত দাঁড়িয়েছে ১৭  দশমিক ৭৭ শতাংশ, যা পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর তুলনায় অনেক কম৷ যেমন- থাইল্যান্ড (এসইটি) মার্কেট ক্যাপিটালাইজেশন টু জিডিপির অনুপাত ১০২ দশমিক ৯০ শতাংশ, ইন্ডিয়া (বিএসই) ৭৪ দশমিক ৫৬ শতাংশ, পাকিস্তান (কেএসই) ১৬  দশমিক ১৫ শতাংশ, শ্রীলংকা (সিএসই) ১৬  দশমিক ৯৫ শতাংশ, ফিলিপাইন স্টক এক্সচেঞ্জ ৭৮  দশমিক ৮৭ শতাংশ, সাংহাই স্টক এক্সচেঞ্জ ৩২ দশমিক ৪৩ শতাংশ, শেনঝেন স্টক এক্সচেঞ্জ ২০  দশমিক ৮৫ শতাংশ, জাপান এক্সচেঞ্জ গ্রুপ ১০৫  দশমিক ১৭ এবং মালোয়শিয়া (বুরসা মালোয়শিয়া) ১০৬  দশমিক ৬৮৷

তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজ সমুহের কার্যক্রম: বিদায়ী অর্থবছরে ২৮৮টি কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়৷ এর মধ্যে ৮৪টি কোম্পানি শুধুমাত্র বোনাস শেয়ার, ১০৮টি কোম্পানি নগদ লভ্যাংশ ও ৬৮টি কোম্পানি নগদ ও বোনাস লভ্যাংশ দুটোই ঘোষনা করে৷ ঘোষণা করা লভ্যাংশের পরিমান ২ শতাংশ থেকে ৭০০ শতাংশ৷ এর আগের অর্থবছরে  (২০১৭-১৮) ২৯০টি কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ১৭৫টি কোম্পানি ২ শতাংশ থেকে ৭৯০ শতাংশ পর্যন্ত নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে৷  

বৈদেশিক বিনিয়োগকারীদের লেনদেন: বিদায়ী অর্থবছরে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ৮ হাজার ২১৯ কোটি ৩৩ লাখ টাকা৷ যা মোট লেনদেনের ৫ দশমিক ৬২ শতাংশ। এই অর্থবছরে ক্রয় করা সিকিউরিটিজের পরিমাণ ছিল ৪ হাজার ১৭ কোটি ৮১ লাখ টাকা এবং বিক্রয় করা সিকিউরিটিজের পরিমাণ ছিল ৪ হাজার ২০১ কোটি ৫২ লাখ টাকা৷ এর আগের অর্থবছরে (২০১৭-১৮) বৈদেশিক লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১১ হাজার ৭২৯ কোটি ১৭ লাখ টাকা৷ এর মধ্যে ক্রয় করা সিকিউরিটিজের পরিমাণ ছিল টাকায় ৫ হাজার ৯০০ কোটি ৪৭ লাখ এবং বিক্রয় করা সিকিউরিটিজের পরিমাণ ছিল টাকায় ৫ হাজার ৮২৮ কোটি ৭০ লাখ টাকা৷ 

রাজস্ব: বিদায়ী অর্থবছরে ডিএসই ৩২০ কোটি ১৫ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান করে৷ এর মধ্যে উৎসে কর ১৪৫ কোটি ৯৫ টাকা, স্পন্সর এবং প্লেসমেন্ট শেয়ারহোল্ডারের সিকিউরিটিজ বিক্রয় ১০৪ কোটি ৭৩ টাকা, শেয়ারহোল্ডারদের শেয়ার বিক্রির মূলধনী আয়ের ওপর ৫৬ কোটি ৬০ লাখ টাকা এবং শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ আয়ের উপর উৎসে কর ১২ কোটি ৮৬ লাখ টাকা৷

এর আগের অর্থবছরে (২০১৭-১৮) ছিল ২৭২ কোটি ২৭ লাখ টাকা৷ এর মধ্যে ব্রোকারেজ কোম্পানি থেকে উৎসে কর ১৫৯ কোটি ৩ লাখ টাকা, স্পন্সর এবং প্লেসমেন্ট শেয়ারহোল্ডারের সিকিউরিটিজ বিক্রয় বাবদ ৭৪ কোটি ১২ লাখ টাকা, শেয়ারহোল্ডারদের শেয়ার বিক্রি বাবদ মূলধনী আয়ের ওপর ৪ কোটি ৩৬ লাখ টাকা এবং শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ আয়ের উপর উৎসে কর বাবদ ৩৪ কোটি ৭৭ লাখ টাকা৷

মোবাইল লেনদেন: দেশের পুঁজিবাজার বিকাশের ক্ষেত্রে ৯ মার্চ ২০১৬ তারিখে সংযোজন হয় ডিএসই মোবাইল অ্যাপ। এ অ্যাপ চালুর পর ক্রমবর্ধমান হারে মোবাইলে লেনদেন ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেড়েই চলছে। যা আগের অর্থবছরের চেয়ে অর্থবছরের ৪৬ হাজার ২৮৩ জনে উন্নিত হয়। ওই অর্থবছরে মোবাইলের মাধ্যমে মোট ৬৯ লাখ ৬৯ হাজার ২৯৪টি আদেশের মধ্যে ৪৭ লাখ ৯৩ হাজার ৯২৫টি কার্যকর হয়৷ 

খাতভিওিক লেনদেন: বিদায়ী অর্থবছরে খাতভিওিক লেনদেনে শীর্ষস্থানে রয়েছে টেক্সটাইল খাত৷ যার মোট লেনদেন ২২ হাজার ৮৪৮ কোটি টাকা, অর্থাৎ মোট লেনদেনের ১৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ৷ ২১ হাজার ৪৩ কোটি টাকা লেনদেন করে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে প্রকৌশল খাত। যা মোট লেনদেনের ১৪ দশমিক ৪২ শতাংশ। ফুয়েল অ্যান্ড পাওয়ার খাত ১৭ হাজার ২০৯ কোটি টাকা লেনদেন করে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। যা মোট লেনদেনের ১১ দশমিক ৭৯ শতাংশ৷ চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে ওষুধ ও রসায়ন খাতে লেনদেন ১৫ হাজার ৮৮০ কোটি টাকা। যা মোট লেনদেনের ১০ দশমিক ৮৮ শতাংশ। পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে ব্যাংক খাতে লেনদেন ১৩ হাজার ৮৭৫ কোটি টাকা। যা মোট লেনদেনের ৯.৫২ শতাংশ৷

ওটিসি মার্কেক: বিদায়ী অর্থবছরে ওটিসি মার্কেটে শেয়ার লেনদেন আগের বছরের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে ১১৭ দশমিক ৭৭ শতাংশ৷ এই অর্থবছরে ওটিসি মার্কেটে মোট ৩ কোটি ৮৯৪ টি শেয়ার লেনদেন হয়৷ যার মূল্য ৬৫ কোটি ৫৮ লাখ টাকা৷ এর আগের অর্থবছরে (২০১৭-১৮) শেয়ার লেনদেনের পরিমান ছিল ১ কোটি ৩৭ লাখ ৭৬ হাজার ৬২৭ টি শেয়ার৷ যার মূল্য ছিল ৭৯ কোটি ৯৫ লাখ ৮০ হাজার ৮৫১ টাকা৷

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয় রংচঙে তারিক আনাম খান সবজির ঝুড়িতেও ইয়াবা, আটক ২ ছাগল ছিনতাই: ছাত্রলীগ নেতার আগাম জামিন পদত্যাগ করলেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী গুইসেপে ভারত সফরে প্রধানমন্ত্রীকে মোদির আমন্ত্রণ জামিনে বের হয়ে গণপিটুনিতে মৃত্যু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এমন প্রেস ব্রিফিং দুনিয়ার কোথায় আছে: হাইকোর্ট দেশে এসে ডেঙ্গুতে মারা গেলেন ডা. রেহানা বেগম ইলেকট্রনিক রেকর্ডকে সাক্ষ্য আইনে অন্তর্ভুক্তির জন্য চিঠি ৬০০ টাকার শাড়িতে সাজলেন কঙ্গনা যে ৫ দাবিতে অটল রোহিঙ্গারা গণতন্ত্র ছাড়া কাশ্মীর সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়: অমর্ত্য সেন বিপিএলে মাশরাফি-সাকিব দুজনকেই চায় রংপুর কিশোরগঞ্জের সাবেক হিসাবরক্ষক সিরাজুল গ্রেফতার মিল্ক ভিটার ৫ হাজার একর জায়গার ৪ হাজার একরই বেহাত সুযোগ চান ফরহাদ, আত্মবিশ্বাসী জহুরুলও ‘নিজ বাড়ি-আশপাশ পরিচ্ছন্ন রাখলে ডেঙ্গু প্রতিরোধ সম্ভব: অধ্যাপক সায়ীদ লেনদেন ডিএসইতে কমলেও সিএসইতে বেড়েছে ক্ষতিকর প্রাণীর অনিষ্টতা থেকে মুক্ত থাকার দোয়া টাইগারদের দায়িত্ব নিতে ঢাকায় রাসেল ডমিঙ্গো এফআর টাওয়ার মামলা: তাসভীরের পর ফারুকের জামিন তৃতীয় টেস্ট থেকে ছিটকে পড়লেন স্মিথ বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দলের বিপক্ষে দল ঘোষণা করলো ভারত সংসদ সদস্য না হয়েও শুল্কমুক্ত ল্যান্ড ক্রুজার গাড়ি মুহিতের ত্রিদেশীয় সিরিজ: বাংলাদেশ সফরে আফগানদের দল ঘোষণা খালেদা জিয়ার জামিনের মেয়াদ বাড়লো এক বছর মিন্নিকে কেন জামিন নয়, ৭ দিনের মধ্যে জানানোর নির্দেশ হাইকোর্টের সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আসবে: মেয়র খোকন কাশ্মীরে স্কুল খুলেছে, শিক্ষার্থী নেই