artk

নাইম আবদুল্লাহ

বৃহস্পতিবার, আগষ্ট ১, ২০১৯ ৮:৩৫

সিডনিতে দেশীয় সাংবাদিকতা: একটি সামাজিক আন্দোলন

media

পূর্ব প্রকাশের পর

সিডনিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের বসবাস পঞ্চাশ বছরেরও বেশি সময় ধরে। তার মধ্যে বিগত ২০ বছরে আমাদের জনসংখ্যা বেড়েছে বেশি। নুতন প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা বড় হয়েছে, লেখাপড়া শেষ করে সম্মানজনক অবস্থানে রয়েছে।  বাবা-মায়েরা কেউ কেউ ছোটাছুটি করে তাদের বিয়েসাদি দেশে দিচ্ছেন কিংবা এখানেই ব্যবস্থা করছেন। আবার কেউ কেউ পছন্দমত দেশীয় অথবা বিদেশি বিয়ে করছে।

কিন্তু সত্যিকার অর্থে অনেক বিয়েই টিকছে না। সেটা দেশেই হোক কিংবা এখানে হোক, নিজেদের পছন্দ মতো কিংবা বাবা-মায়ের পছন্দেই হোক। তাদের বাবা-মায়েরা চরম হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন। সামাজিক সচেতনতা, নিজেদের মধ্যে মানিয়ে নেয়া, পরস্পরকে বুঝতে না পারা ইত্যাদি কারণগুলিই দায়ী হতে পারে।

এখানে আমরা সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় সচেতনতায় অনেক কিছুই করছি। কিন্তু নুতন প্রজন্মের সংসার টিকিয়ে রাখার জন্য সামাজিকভাবে কোন পদক্ষেপের কথা চিন্তা করা যায় কিনা?

সিডনিতে আমাদের অনেক অর্জন আছে। আছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষার স্মৃতিসৌধ, আছে জাতির জনকের আবক্ষ মূর্তি, আছে মসজিদ ও কবরখানা। কিন্তু কমিউনিটি একটি সেন্টারের এখন বড় প্রয়োজন। একটি নাটকের পাঠশালা যদি করা যেত? বাচ্চাদের নাচ ও গানের ছোট ছোট স্কুল বিভিন্ন বাসায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। এগুলো যদি একই সুতোই গাঁথা যেত? বাংলা ভাষার স্কুলগুলো শিক্ষার্থীর অভাবে বন্ধ হতে বসেছে। এগুলোকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য সামাজিক আন্দোলন কি অত্যাবশ্যক না?

এখানে দেশীয় শিল্প সাংস্কৃতির চর্চার বিকাশে স্থানীয়ভাবে কিছু গানের দল গড়ে উঠেছে আবার কেউ কেউ এককভাবে গাইছেন। তাদের নিয়ে সাংস্কৃতিক আয়োজন করলে দর্শক শ্রোতাদের কমতি হবে না। বড় লাভ যেটা হবে তা হলো, নুতন প্রজন্ম উৎসাহিত হবে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, যদি কারো বাবা-মা এখানে গান গেয়ে মঞ্চে হাততালি পায় তাহলে তাদের ছেলেমেয়েরা বাংলা গান কিংবা নাচ করতে বেশি উৎসাহিত হবে।

দেশীয় রাজনীতি আমাদের মজ্জার সাথে মিশে আছে। আমরা সবাই কর্মী, সমর্থক এবং আদর্শে বিশ্বাসী। কিন্তু এদেশীও মুলধারার রাজনীতিতে আরও বেশি সম্পৃক্ততা দরকার। দরকার নুতন প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করা।

স্থানীয় অনেক পত্রিকার মুদ্রণ অনিয়মিত কিংবা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। পত্রিকাগুলোর পুনর্বাসনের জন্য কিছু করা যায় কিনা? সিডনি জুড়ে সাড়া বছর অনেক আয়োজন চলছে। এগুলোর খবর অনলাইন, সোশ্যাল মিডিয়া ও প্রিন্ট মাধ্যমে গেলেও টেলিভিশনে প্রচারিত হওয়ার তেমন সুযোগ নেই। পৃথিবীর অন্যান্য দেশগুলোর মতো যদি এখানেও স্যাটেলাইট টেলিভিশন চালু করা যায়?

প্রত্যাশা তো আমাদেরই থাকবে, স্বপ্ন তো আমাদের চোখে রঙ ছড়াবে। সামাজিক আন্দোলন বোধকরি বাস্তবের পথ চলা শেখাবে। (চলবে)

লেখক: সিডনি প্রবাসী সাংবাদিক।

মুশফিকের না যাওয়াকে পূর্ণ সমর্থন মাহমুদউল্লাহর ইবিতে দু’পক্ষের সংঘর্ষ: ছাত্রলীগ সম্পাদকসহ আহত ১৬ যার যতই ক্ষমতা থাকুক, কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়: আইনমন্ত্রী রিফাত হত্যা: মিন্নির আবেদন খারিজ ঢাবির হলগুলোতে ‘বঙ্গবন্ধু কর্নার’ উদ্বোধন ২৩ জানুয়ারি রকিবুলের হ্যাটট্রিকে ৮৯ রানে অলআউট স্কটল্যান্ড পাকিস্তান সফরের আগে পাঞ্জাবে তিন সন্ত্রাসী আটক পুঁইশাকে ভাগ্য বদল কালীগঞ্জের জাহাঙ্গীরের শিল্প-কারখানার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করার নির্দেশ ব্যালটে ভোট চায় বিএনপি রাজধানীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে কারখানার মালিকের মৃত্যু মানুষের মাধ্যমেই ছড়াচ্ছে চীনের রহস্যজনক ভাইরাস মৌলভীবাজারে যুবককে কুপিয়ে হত্যা সাবেক প্রতিমন্ত্রী ইসমত আরা সাদেক আর নেই আবরার হত্যার চার্জ গঠন শুনানি ৩০ জানুয়ারি তাবিথের প্রচারণায় হামলা শ্রীলংকায় গৃহযুদ্ধে নিখোঁজ সবাই নিহত: প্রেসিডেন্ট অভিশংসনের মামলায় ট্রাম্পের খালাস দাবি রাজধানীতে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মাদক ব্যবসায়ী নিহত সমুদ্র পথে মালয়েশিয়াগামী ২৩ রোহিঙ্গা উদ্ধার বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসের কাছে ৩ দফা রকেট হামলা রাজধানীতে পুলিশের মারধরের শিকার দুই সাংবাদিক মেয়েকে হত্যার দায়ে বাবা গ্রেপ্তার রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে আমরা সহায়তা দিতে প্রস্তুত: জাপানের রাষ্ট্রদূত চাঁদপুরে ৪ টি ইটভাটা গুড়িয়ে ৪৪ লাখ টাকা জরিমানা আদনান সামির নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন রাজা মুরাদের স্কাউটরাই জাতির পিতার স্বপ্নের বাংলাদেশ বিনির্মাণে নেতৃত্ব দেবে: রাষ্ট্রপতি চীনে ভাইরাস: শাহজালাল বিমানবন্দরে বিশেষ সতর্কতা বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম মানব ‘নিওন’ খান টোবকোর সত্বাধিকারী সহ ২ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট