artk
বুধবার, জুলাই ১৭, ২০১৯ ৮:৪০   |  ২,শ্রাবণ ১৪২৬

মো. রুপাল মিয়া

সোমবার, জুলাই ৮, ২০১৯ ১১:৩৮

তরুণ সমাজকে মাদকের ছোবল থেকে রক্ষা করতে হবে

media

মানব জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায় কিশোর ও তরুণ বয়স। এই সময়েই নির্ধারিত হয় একজন মানুষের ভবিষ্যৎ। নিজেকে যে নিয়ন্ত্রণ করে ভালো কাজের দিকে জীবনকে ধাবিত করতে পারে, তার ভবিষ্যৎ হয় উজ্জ্বল। আর যে নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়, তার জীবন নিমজ্জিত হয় অন্ধকারে। কিশোর ও তরুণরা সঙ্গদোষে হোক বা অন্যকোনো কারণে হোক, ধূমপান থেকে নেশা শুরু করলেও মাদকের প্রতি ধীরে ধীরে আসক্ত হয়ে পড়ে। 

পড়ালেখার জন্য মা-বাবার কাছ থেকে টাকা নিয়ে অনেক সময় কিশোর-তরুণরা মাদক গ্রহণ করে। এ অর্থ যখন ফুরিয়ে যায় তখন মাদক কেনার অর্থ জোগাড় করতে গিয়েই কিশোর ও তরুণরা নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। এভাবে মাদকের এই নেশার জালে একবার জড়িয়ে পড়লে কেউ আর সহজে তা ছিন্ন করে বেরিয়ে আসতে পারেনা। ফলে মাদকসেবীরা দিনে দিনে আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। তাদের দ্বারা ঘটে নানা ধরনের অপকর্ম। 

স্কুল-কলেজগামী মেয়েদের নানাভাবে উত্ত্যক্ত করা, গুলি বা ছুরিকাঘাতে হত্যা করা কিংবা সড়ক দুর্ঘটনার আধিক্যের পেছনেও মাদকাসক্তির ভূমিকা অন্যতম। শুধু তাই নয়, কোনো কোনো পত্রিকার শিরোনামে-“নেশাগ্রস্ত যুবকের গুলিতে জোড়া খুন,’ ‘মাদকাসক্ত মেয়ের নিজ হাতে মা-বাবাকে খুন” “ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়ায় খুন হলেন মা-বাবা” ইত্যাদি খবরের পেছনের কারণ মাদকাসক্তি। এছাড়া “মাদকাসক্ত দেবর খুন করল তার ভাবিকে”, “মাদকাসক্ত ছেলের হাত থেকে বাঁচতে মা খুন করলেন ছেলেকে” পত্রিকায় প্রকাশিত ইত্যাদি শিরোনাম নাড়া দেয় আমাদের বিবেককে, যার মূলে রয়েছে মাদকাসক্তি। সুতরাং মাদকাসক্তরা তাদের স্বাভাবিক বিবেক বুদ্ধি, মানবিক মূল্যবোধকে হারিয়ে হয়ে ওঠে বেপরোয়া ও উচ্ছৃঙ্খল।

এটা স্পষ্ট যে, মাদকাসক্ত ব্যক্তি শুধু নিজের জীবনকেই বিপন্ন করে না, সাথে সাথে তার পরিবারও থাকে হুমকিতে, গোটা সমাজ হয় ক্ষতিগ্রস্ত। সমাজের নানাবিধ সমস্যার মধ্যে অন্যতম সমস্যা হচ্ছে মাদক সমস্যা। তাই এ সমস্যা থেকে মাদকাসক্ত ব্যক্তি, তার পরিবার, সমাজ তথা গোটা দেশকে রক্ষা করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ একান্ত জরুরি। 

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সমাজকে মাদকমুক্ত করার প্রত্যয় নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। সমস্যার মাঝে প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘ সফলতাও রয়েছে। সম্প্রতি সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বিল-২০১৮’ পাস করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, মাদকের চাষাবাদ, উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, বহন, পরিবহণ, স্থানান্তর, অর্পণ, গ্রহণ, প্রেরণ, লেনদেন, নিলামকরণ, ধারণ, গুদামজাতকরণ, প্রদর্শন, সেবন, প্রয়োগ ব্যবহারকে অপরাধ বলে গণ্য করা হবে। এতে ইয়াবার পরিমাণ ৫ গ্রামের কম হলে এক থেকে পাঁচবছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। 

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রায়ই তাঁর বক্তৃতায় সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও মাদকাসক্তি থেকে যুবসমাজকে ফিরিয়ে আনতে খেলাধুলার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, যুবসমাজ আজ নানাভাবে বিপথগামী হচ্ছে। তাদের যদি আমরা খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সক্রিয় রাখতে পারি তাহলে দেশ থেকে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নির্মূল করা সহজ হবে। সেদিকে লক্ষ্য রেখেই খেলাধুলা ও সংস্কৃতিচর্চার সুযোগ সম্প্রসারিত ও অবারিত করতে হবে। 

মাদক নির্মূলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অধিকতর কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। অধিদপ্তরের ইনফোর্সমেন্ট শক্তিশালী করার জন্য বিভাগীয় শহর ও সিটি কর্পোরেশনসমূহে র‌্যাব এর মতো স্ট্রাইকিং ফোর্স সৃষ্টি করা; জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার জন্য এনজিও, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং কমিউনিটি লিডারদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা; ইলেকট্রনিক এবং প্রিন্ট মিডিয়াকে আরও বেশি মাদকবিরোধী সচেতনতা সৃষ্টিতে সম্পৃক্ত করা; সীমান্ত এলাকায় মাদক পাচারে জড়িত অতি দরিদ্রদের বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা এবং সেফটি নেটওয়ার্কের আওতায় আনা; মাদক মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য পৃথক আদালত গঠন করা; তরুণরা কেন মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে তার কারণ খুঁজে বের করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং মাদকের পাচাররোধে আন্তর্জাতিক যোগাযোগ আরও জোরদার করাসহ মাদকদ্রব্যের অপব্যবহাররোধে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

মাদকাসক্তি একটি সামাজিক সমস্যা, একটি সামাজিক ব্যাধি, যার সাথে যুক্ত হয়েছে জঙ্গি তৎপরতা। অতএব এ সবকিছুকেই সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে নির্মূল করতে হবে। আসুন মাদকের বিরুদ্ধে আমরা সবাই এক হই।  দলমতধর্মবর্ণ নির্বিশেষে সবাই হাতে হাত রেখে একসাথে কাজ করি। পিআইডি প্রবন্ধ

 

ঐতিহ্যের ২০ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে বই উৎসব মহরতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তবু নায়িকার ব্যাগ হাওয়া! বন্যায় সিরাজগঞ্জ চরাঞ্চলের সাড়ে ৯শ গ্রাম তলিয়ে গেছে সিরাজগঞ্জে রেল দুর্ঘটনায় দোষীদের শাস্তি চায় জামায়াত অন্ধ্রপ্রদেশে মন্দিরে নরবলি! তিন লাশ উদ্ধার রিফাত হত্যাকাণ্ড: স্ত্রী মিন্নি গ্রেপ্তার ৯ এমপির সুপারিশে ৪৫ জন হজে যাচ্ছেন সরকারি খরচে অধ্যাপক আনু মুহাম্মদকে গুম করার হুমকি কোরবানির ঈদ পর্যন্ত ভারত থেকে গরু আনা বন্ধ কুড়িগ্রামে নৌকা ডুবে ৪ শিশুসহ নিহত ৫ বেরোবির সঙ্গে ইউডার সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর সরকারি টাকায় কি হজ করা যায়? বুড়িগঙ্গা তীরের ৪৪ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ক্যাপটেক পপুলার ফান্ড ও ব্যাংক এশিয়ার বন্ড অনুমোদন গাফিলতি খুঁজে দেখা হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যে কারণে বিজয়-তাইজুলকে ওয়ানডেতে ফেরানো হলো আক্তার চার্টার্ডকে বাদ দিয়ে অডিটরসের তালিকা প্রকাশ বিডারের প্রস্তাবিত দরেই শেয়ার কিনতে হবে প্লেসমেন্ট শেয়ারে লক ইন ২ বছর ‘দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে দেশের অর্থনীতি’ ‘ভারতে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি বাড়বে’ শেষ বলের আগে মুশফিকের ব্যর্থতার কথা মনে পড়েছিল: স্টোকস আমি নিশ্চিত নিয়ম বদলে যাবে: নিউজিল্যান্ড কোচ পল্লী নিবাসেই চিরনিদ্রায় শায়িত এরশাদ ইরানের পরমাণু চুক্তি লঙ্ঘন গুরুতর নয়: ইউরোপীয় ইউনিয়ন ডিআইজি মিজান ও বাছিরের বিরুদ্ধে মামলা নাইটক্লাবে শাহরুখকন্যার উদ্দাম নাচ ইনডোর হকিতে ইরানের সাথে লজ্জার হার বাংলাদেশের টাইগারদের শ্রীলঙ্কা সফরের দল ঘোষণা, ফিরলেন তাইজুল-বিজয় এরশাদের পাশেই নিজের কবর চাইলেন রওশন