artk
সোমবার, ডিসেম্বার ৯, ২০১৯ ৮:০৭   |  ২৫,অগ্রহায়ণ ১৪২৬

নিউজ ডেস্ক

বুধবার, জুলাই ৩, ২০১৯ ১:৪৫

নাগরিকদের গোপনীয়তা রক্ষা করতেই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন: জয়

media

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ও তার তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় মঙ্গলবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন টাইমসে লেখা এক নিবন্ধে  বলেছেন, “বাংলাদেশ দ্রুত ডিজিটাল যুগে প্রবেশ করেছে। সহিংসতা উসকে দেয় এমন ডিজিটাল মিথ্যা প্রচারণা ঠেকাতে এবং নাগরিক তথ্য ও গোপনীয়তার সুরক্ষায় গত বছর সংসদে ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট পাস হয়েছে। বিশ্বের নানা প্রান্তে এ ধরনের আইন চালু আছে।”

তিনি বলেন, “দুর্ভাগ্যজনকভাবে কিছু পশ্চিমা গণমাধ্যম ও বেসরকারি সংস্থা গুরুত্বপূর্ণ এই আইনকে ভুলভাবে তুলে ধরেছে এবং এটিকে ব্যবহার করে সরকার সাংবাদিকদের অধিকার ও বাক-স্বাধীনতা দমন করছে বলে অভিযোগ করেছে।”

“এটা সত্য নয়। বাংলাদেশে অনেক মুক্ত গণমাধ্যম আছে। দেশে নয়টি জাতীয় দৈনিক সংবাদপত্র ও তিন শতাধিক স্থানীয় সংবাদপত্র রয়েছে; যারা বিভিন্ন ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরছে, অনেক দৈনিক সরকারের তীব্র সমালোচনাও করছে।”

সজীব ওয়াজেদ জয় লিখেছেন, “বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী সংবাদ পরিবেশন করে, কিন্তু এর বিপরীতে প্রায় ৩০টি বেসরকারি টেলিভিশন নেটওয়ার্ক রয়েছে, তারা যেভাবে দেখে সেভাবেই সংবাদ পরিবেশন করে। প্রতিনিয়ত তারা সরকার, রাজনীতিবিদ ও সরকারের নীতিমালার সমালোচনা করছে। একই ধরনের বৈচিত্র্যতা দেখা যায়, দেশের আরো ২২০টির বেশি অনলাইন সংবাদমাধ্যমেও।”

এসব গণমাধ্যমকে দমনের পরিবর্তে সরকার এমন পদক্ষেপ নিয়েছে; যাতে সংখ্যালঘুদেরও কণ্ঠ শোনা যায় এবং সাইবার অপরাধীদের হাত থেকে সব বাংলাদেশির সুরক্ষা নিশ্চিত হয়। তবে ডিজিটাল মিডিয়া ও এ সম্পর্কিত প্রযুক্তির উন্নয়ন অব্যাহত থাকায় এই আইনেরও পরিমার্জন হবে। অন্যান্য নতুন আইনের মতোও ডিজিটাল সিকিউরিট অ্যাক্টও নিখুঁত নয়।

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় লিখেছেন, “স্বাধীনতারও চ্যালেঞ্জ রয়েছে; গণতন্ত্র জটিল বিষয়। বাংলাদেশে স্বাধীনতা এবং গণতন্ত্র দুটিই রয়েছে। নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমে এই দুটি বিষয়ের সুরক্ষাও ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টের উদ্দেশ্য। এ দুটি বিষয়ের সংমিশ্রণ সরল কিংবা ভারসাম্য তৈরি করা সহজ নয়।

এই আইনের সর্বোত্তম প্রয়োগের জন্য কর্তৃপক্ষ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু এতে ক্রমবর্ধমান কিছু সমস্যাও আছে। অনেক সংবাদমাধ্যম প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে যে, এই আইনের আওতায় বেশ কয়েকজন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কিন্তু এই আইনে আদালতে কেউ দোষী সাব্যস্ত না হওয়ার পর প্রতিবাদকারীরা অসন্তুষ্ট হয়েছেন।

বাংলাদেশের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের খসড়া অনুযায়ী এই আইনের ব্যাপারে সংসদে, গণমাধ্যমে ও আইনি সংস্থাগুলোর মাঝে বিতর্ক হয়েছে। সাংবাদিক, সম্পাদক এমনকি এডিটরস গিল্ডও এই আইন নিয়ে তাদের গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছে; যা চূড়ান্ত আইন তৈরিতে সহায়তা করেছে।

৩৯তম বিসিএস থেকে আরও ১৬৮ চিকিৎসক নিয়োগ থানায় আসা জনগণের সঙ্গে ভালো আচরণ করার নির্দেশ আইজিপির ডিএসইর পরিচালক নির্বাচনের মনোনয়ন সংগ্রহ সোমবার সচিবালয় এলাকায় হর্ন বাজালে জেল পর্দা উঠলো বঙ্গবন্ধু বিপিএলের ভুয়া দুদক চক্র আটক হাইকোর্টে হট্টগোলকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার নোটিশ মিথিলা ফাহমির অন্তরঙ্গ ছবি সরানোর নির্দেশ পাটকল শ্রমিকদের আমরণ অনশনের হুমকি জেলার সিনেমা হলগুলোর প্রতি দৃষ্টি দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী জমকালো আয়োজনে বঙ্গবন্ধু বিপিএলের উদ্বোধনী শুরু ইটিআইএনধারীদের রিটার্ন দা‌খি‌লে বাধ্য করা হবে: এনবিআর চেয়ারম্যান ফাইনালের আগে শ্রীলঙ্কার সাথে হার বাংলাদেশের জার্মানিতে সায়েন্টিস্ট অ্যাওয়ার্ড পেলেন ২ বাংলাদেশি বেগম রোকেয়া পদক পাচ্ছেন ৫ বিশিষ্ট নারী টাইগারদের সাথে দিবা-রাত্রির টেস্ট খেলতে চায় পাকিস্তান অভিযোগ প্রমাণ করে গণমাধ্যমে উপস্থাপন করুন, পদত্যাগ করবো: নুর খালেদার জামিন নিয়ে সরকার ‘জঘন্য নাটক’ করছে: ফখরুল দুর্নীতি করলে কাউকে ছাড় নয়: দুদক চেয়ারম্যান বিএনপির অপর নাম এখন নালিশ দল: কাদের যাত্রীর জ্যাকেটে কোটি টাকার সোনা পুঁজিবাজারে সব ধরনের সূচকে পতন রুম্পার প্রেমিক সৈকত চার দিনের রিমান্ডে ট্রিপল মার্ডারের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে আটক দুই শ্বাসরুদ্ধ ফাইনালে বাংলাদেশের মেয়েদের সোনা জয় রুম্পার বন্ধু সৈকতকে রিমান্ডে চায় পুলিশ রুম্পা হত্যার বিচার দাবিতে উত্তাল স্টামফোর্ড চাকরিতে প্রবেশের বয়স সীমা ৩৫ করার দাবিতে গণঅনশন দিল্লিতে ভয়াবহ আগুনে নিহত ৪৩ সন্ধ্যায় ঝগড়া, রাতে স্ত্রীকে হত্যা করে স্বামীর আত্মহত্যা