artk
সোমবার, সেপ্টেম্বার ১৬, ২০১৯ ১২:৩০   |  ৩১,ভাদ্র ১৪২৬

স্টাফ রিপোর্টার

সোমবার, জুন ১০, ২০১৯ ১০:১৭

ঐক্যফ্রন্টের বৈঠকে বরফ গলেনি

media

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পরিসর আরও বড় করতে চান নেতারা। জোটের অন্যতম শীর্ষ নেতা ও জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেছেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য তারা বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তুলবেন।

তবে বৈঠকে সব পক্ষের বরফ গলেনি। কাদের সিদ্দিকী তার অবস্থানে অনড় আছেন। গণফোরামের পক্ষ থেকেও বিএনপির সংসদে যাওয়ার সমালোচনা করা হয়েছে।  বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সংসদের যাওয়ার বিকল্প ছিল না। শপথ না নিলে সরকার ফাঁকা মাঠে গোল দিত। 

সোমবার বিকেলে রাজধানীর উত্তরায় আ স ম আবদুর রবের বাসভবনে দেড় মাস পর জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। 

বৈঠক শেষে রব সাংবাদিকদের বলেন, ‘সরকারের বিরুদ্ধে প্রবল আন্দোলন গড়ে তোলার রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার জন্য পরবর্তী সভা জোটের শীর্ষ নেতা কামাল হোসেনের নেতৃত্বে করব। এ আন্দোলনের রূপ হবে বৃহত্তর ঐক্যবদ্ধ রূপ। ঐক্যফ্রন্টকে আরও বিস্তৃত ও ব্যাপক করতে হবে। স্বাধীনতার পক্ষে সরকারবিরোধী যত রাজনৈতিক দল আছে, সবাইকে নিয়ে বৃহত্তর ঐক্য গড়ার মধ্য দিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টসহ আমরা এই স্বৈরাচারী সরকারের হাত থেকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য আন্দোলন অব্যাহত রাখব।’

অসুস্থ থাকায় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না জোটের আহ্বায়ক ও গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন।  এছাড়া নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্নাও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না। 

গত ৯ মে সংবাদ সম্মেলন করে ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম শরিক কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী জোটের অসংগতির কথা জানিয়েছিলেন। ৮ জুনের মধ্যে অসংগতি দূর না হলে তিনি জোট ছাড়বেন বলেও জানান। বৈঠকে কাদের সিদ্দিকী তার অবস্থান ধরে রাখেন। 

কাদের সিদ্দিকী সাংবাদিকদের আজ বলেন, ‘৮ তারিখ পর্যন্ত সময় দিয়েছিলাম। ৮ তারিখ পর্যন্ত কোনো উত্তর পাই নাই। আজকে আলোচনা হয়েছে। কিন্তু এটার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ নাই। যেহেতু কামাল হোসেন অসুস্থ, তাই সভাটা মুলতবি রাখা হয়েছে। দলের সভায় আলোচনা করে আরও অপেক্ষা করব। কিছু সময় ধৈর্য ধরতে হবে। যদি সুরাহা হয়, আমরা জানপ্রাণ দিয়ে লড়াই করব। আমরাও চাই জাতীয় ঐক্য। কিন্তু এখন পর্যন্ত জাতীয় ঐক্যের সেই ভিত শক্তিশালী হয় নাই।’

কাদের সিদ্দিকীর এই বক্তব্যের পর আ স ম আবদুর রব বলেন, ‘আমরা আবার বসব। প্রয়োজনে ড. কামাল হোসেনের উপস্থিতিতেই এ নিয়ে আরও আলোচনা করব। কিন্তু একটি বিষয় পরিষ্কার, দেশের মানুষ এই সরকারের বিরুদ্ধে। আমরা আমাদের রাজনীতি ঠিক করে এগুতে পারলে, ঠিকমতো মাঠে নামতে পারলে- সরকার বাধ্য হবে পিছু’ হটতে’।

অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরীর জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ব্যানারে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ নেয়ার বিষয়টি উত্থাপন করেন। তিনি বলেন, ‘শপথ নেয়া না নেয়া নিয়ে এত নাটকীয়তার প্রয়োজনীয়তা ছিল না। এতে আমাদের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে। আটজন জয়ী হল। শপথ নিল সাতজন। মির্জা ফখরুল ইসলাম কেনো শপথ নিলেন না। যদিও এটা তিনি ভালো বলতে পারবেন। তিনি হয়তো বলবেন দলের সিদ্ধান্তে শপথ নেননি। মানুষতো আর তা বুঝবে না। বুঝতে চাইবে না’।

এ অবস্থায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আলোচনায় অংশ নেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের মধ্যে কিছুটা ভুল বোঝাবুঝি আছে, নানা কারণে এটা হয়েছে। নির্বাচনের পর আমাদের বসা উচিত ছিল। আরও আলাপ আলোচনা করা প্রয়োজন ছিল। আলাপ-আলোচনা যে হয়নি, তা কিন্তু নয়। তবে এটা ঠিক বৃহত্তর স্বার্থেই আমরা শপথ নিয়েছি। আর দলের সিদ্ধান্তেই আমি শপথ নেইনি। কেউ কেউ এ নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারেন। কিন্তু বিকল্প কী ছিল আমাদের হাতে? শপথ না নিলে সরকার আরও ফাঁকা মাঠে গোল দিত। আমাদের কিছুই করার থাকত না’।

সব মিলিয়ে ঐক্যফ্রন্টের আজকের বৈঠক কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হয়। পরে ড. কামালের উপস্থিতিতে বৈঠকে আগামী দিনের করণীয় বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে বলে জানান আ স ম রব। 

হন্ডুরাসে অদ্ভুত মাছ বৃষ্টি! (ভিডিও) আফগানদেরদের কাছে লজ্জার হার বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রীর ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাকড ছাত্রলীগ নেতাদের পদচ্যুতিই সারা দেশের দুর্নীতির চিত্র: ফখরুল প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ বিশ্বকাপ যাত্রা হার দিয়ে শুরু বাংলাদেশের ড্রোন হামলার পর তেলের উৎপাদন ৫০শতাংশ কমেছে নিষিদ্ধপল্লীতে কী করছেন প্রভা-মৌটুসী? মেসিকে নকল করে ভাইরাল পুত্র নবীর তাণ্ডবে ১৬৫ রানের লক্ষ্য পেল বাংলাদেশ কে এই লেখক ভট্টাচার্য? কুড়িয়ে পাওয়া ২ লাখ টাকা ফেরত দিল মেয়েটি এ পি জে আব্দুল কালাম স্মৃতি পুরস্কারের জন্য মনোনিত হাসিনা টাইগার ঝড়ে আফগান শিবিরে কাঁপন পুঁজিবাজারে না এলে বীমার সনদ বাতিল দুর্নীতির মামলায় কবি শাহাবুদ্দিন নাগরী কারাগারে সার্ভেয়ার সাইফুরের জামিন নামঞ্জুর টস হেরে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ দেশের উন্নয়ন মির্জা ফখরুলের চোখে পড়ে না: হানিফ ‘লুটেরা’ বলে সম্বোধন করলে অপমান বোধ করি: বেক্সিমকো সিঙ্গাপুরে কেমন আছেন এন্ড্রু কিশোর? গলাচিপা উপজেলা চেয়ারম্যান শাহিনের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির মামলা ইতালির নাগরিকত্ব হারাতে পারেন ২ হাজার ৮শ বাংলাদেশি ‘শৃঙ্খলাভঙ্গে ছাত্রলীগ নেতাকে অপসারণের ঘটনা ইতিহাসে প্রথম’ বোমা নিষ্ক্রিয় করতে গিয়ে বিস্ফোরণে র‌্যাব সদস্য আহত প্রয়োজনে থানায় গিয়ে ওসিগিরি করবো: নতুন ডিএমপি কমিশনার ছাত্রলীগের চাঁদাবাজির খবর এখন টক অব দ্য কান্ট্রি: রিজভী ‘বন্দুকযুদ্ধে' রোহিঙ্গা নিহত ভিকারুননিসার নতুন অধ্যক্ষ ফওজিয়া শোভান-রাব্বানীর বিচার চান সোহেল