artk
রোববার, মে ১৭, ২০১৫ ১১:২৫

অর্থমন্ত্রীর কথা আংশিক সত্য: আকবর আলী

media

ঢাকা: বাংলাদেশের দারিদ্র্য, উন্নয়ন নিয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত যে তথ্য দিচ্ছেন তা সম্পূর্ণ সত্য নয় বলে দাবি করেছেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. আকবর আলী খান। তার মতে অর্থমন্ত্রীর কথা আংশিক সত্য।

রোববার ঢাকায় প্রথম আলো কনফারেন্স কক্ষে ২০১৫-১৬ অর্থবছরের বাজেট আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ দাবি করেন। দ্য ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড একাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি) ও প্রথম আলো এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।  

আকবর আলীর মতে, সরকার দারিদ্র্য সীমার যে তথ্য দিচ্ছে, তা বাংদেশের পদ্ধতিতে। যা ১৯৭৩-৭৪ সালের পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে দেশের দারিদ্র্যের হার ২০ শতাংশ হলেও আন্তর্জাতিক মানে এর হার ৮০ শতাংশের ওপরে রয়ে গেছে। আর পুষ্টিগত দিক থেকে বাংলাদেশ আফ্রিকান দেশের চাইতে অবস্থা খারাপ। এছাড়া উন্নয়নের নামে সরকার সাপলাই ক্রেডিটের মাধ্যমে যেসব ঋণ নিচ্ছে, তা বিশ্বের কোনো দেশে প্রচলিত নেই। এ বোঝা এক সময় সামাল দিতে রিজার্ভ ও রেমিটেন্স কাজে আসবে না বলে দাবি করেন তিনি।

অন্যদিকে বাজেটের আকার বড় হলেও তা বাস্তবায়নের বাস্তব সম্মত কোনো পদক্ষেপ নেই। এ জন্য সংসদ সদস্যদের বাজেটে অংশগ্রহণের সুযোগ না থাকাকে দায়ী করেছেন তিনি। পাশাপাশি জনগণের ভোটের মাধ্যমে সঠিক জন প্রতিনিধি সংসদে না থাকার কারণেও এ সমস্যা হচ্ছে বলে মনে করছেন তিনি।

এছাড়া প্রকল্প ব্যয় ও অর্থ অপচয়ের দিক থেকে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বেশি হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। আর বাজেটে বেসরকারি খাতের চাইতে সরকারি খাতের গুরুত্ব থাকায় এবং রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগ হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।  

অনুষ্ঠানে ড. আকবর আলী খান যা বলেন, তা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হলো-

তিনি বলেন, “আমি হলাম উন্নয়নের ভুক্তভোগী। উন্নয়ন বেড়েছে, গাড়ি-ঘোড়া বেড়েছে, রাস্তাঘাটে অনেক বিনিয়োগ হয়েছে, কিন্তু আগে যে রাস্তায় আমরা আধা ঘণ্টায় আসতাম, এখন সে রাস্তায় এক ঘণ্টা ৪৫ মিনিটে আসি। এটাকে কি উন্নয়ন বলব? এ উন্নয়নটা কী? এ নিয়ে আমাদের নতুন করে চিন্তাভাবনা করার কারণ রয়েছে। বাংলাদেশ যখন স্বাধীন হয়, তখন বাংলাদেশে দারিদ্র্য পরিমাপের যে হিসাব, তা অনুযায়ী, তখন বাংলাদেশে শতকরা ৭০ শতাংশ লোক দরিদ্র ছিল। আজকে সেটা বিশ শতাংশের কাছাকাছি চলে আসছে।”

‘আগামী তিন চার বছরের মধ্যে দেশে দরিদ্র লোক খুঁজে পাওয়া যাবে না’ অর্থমন্ত্রীর এমন বক্তব্য প্রসঙ্গে আকবর আলী বলেন, “উনার কথা সত্য। কিন্তু সম্পূর্ণ সত্য না। আংশিকভাবে সত্য। যে ভিত্তিতে বলা হচ্ছে, ২০ শতাংশের নিচে বাংলাদেশে গরিব। এটা ১৯৭২-৭৩ সালের যে দারিদ্র্য সীমা, ন্যাশনাল প্রভার্টি আইন নির্ধারণ করা হয়েছিল, তার ভিত্তিতে হিসাব করা হচ্ছে। আপনি যদি আন্তর্জাতিক দারিদ্র্য সীমা, যা দুই ডলার ধরা হয়ে থাকে। তার ভিত্তিতে যদি হিসাব করে থাকেন, তাহলে দেখা যাবে, আমাদের দেশে প্রায় ৮০ শতাংশ লোক দারিদ্র্য সীমার নিচে। এটাও সত্য কথা। অর্থমন্ত্রী যেমন বলছেন, ‘২০ শতাংশের নিচে চলে আসছে’ এটা যেমন সত্য কথা, আবার আন্তর্জাতিক দারিদ্র্য সীমার দিক থেকে বাংলাদেশে যেমন ৮০ শতাংশ লোক দারিদ্র্য সেটাও সত্য কথা।”

তিনি বলেন, “এর চাইতে আরও বড় সত্য কথা আছে, এই যে দেশে দারিদ্র্য সীমার নিচে অনেক মানুষ ছিল, তারা অনেকে দারিদ্র্য সীমার উপরে উঠে এসেছে, এ নিয়ে আমরা উল্লাস প্রকাশ করছি। কিন্তু আমরা কি খোঁজ নিচ্ছি? আমাদের যে জনসংখ্যা তার উচ্চতা বাড়ছে? পুষ্টিগত দিক থেকে তাদের কী অবস্থা হচ্ছে? যদি পুষ্টিগত দিক থেকে দেখেন, তাহলে বাংলাদেশের অবস্থান সাহারা এবং আফ্রিকান অঞ্চলের দারিদ্র্য দেশগুলোর চেয়ে খারাপ। এটাও সত্য কথা। কারণ দারিদ্র্যের অনেক পরিমাপের পদ্ধতি রয়েছে। যদি আমরা শুধু জাতীয় দারিদ্র্য সীমা দিয়ে বলি, বাংলাদেশ থেকে দারিদ্র্য চলে গেছে। এটা আমাদের জন্য ক্ষতি হবে।”

তিনি বলেন, “উন্নয়ন হচ্ছে এবং উন্নয়নের সমস্যাও আমাদের দেখা দিচ্ছে। আমাদের রাস্তা-ঘাটের জন্য এত শ শ কোটি টাকা খরচ হচ্ছে। কিন্তু সেখানে আমাদের আধা ঘণ্টার রাস্তা এক ঘণ্টা ৪৫ মিনিটে আসতে হচ্ছে। এসব সমস্যাগুলো রাজনৈতিক বক্তাদের বক্তব্যের কারণে ঢাকা পড়ে যাচ্ছে।

নতুন যে বাজেট তাকে আমি বলবো, এটি আন কনেভেনশনাল বাজেট। অর্থনীতিতে একটা সূত্র আছে, বাজেট সংক্রান্ত সূত্র। সেটা হলো, যখন কোনো সরকারের নির্বাচন কাছে আসে, তখন সরকার বাজেটে তড়িঘড়ি করে অনেক টাকা বাড়িয়ে দেয়। সুতরাং সরকারের ঘাটতি বেড়ে যায়। কিন্তু আবার যখন সরকার নির্বাচিত হয়, তখন প্রথমদিকের যে বাজেটগুলো, তখন সেসব বাজেটের অপ্রিয় সংস্কার করা হয়। বাংলাদেশেরও ঠিক সেই অবস্থাই। গত অর্থ বাজেটে (১৩-১৪) কোনো অর্থের অভাব ছিল না। বাজেটের অভাব ছিল না। তা ছিল নির্বাচনী বাজেট। কিন্তু এ বছরের বাজেট (২০১৪-১৫) হওয়া দরকার ছিল, একটি শক্তিশালী বাজেট।  এর মাধ্যমে আমাদের অর্থনীতির যেসব দুর্বলতা আছে, সেসব মোকাবেলা করা। কিন্তু আমার যেটা মনে হচ্ছে, ইঙ্গিত পাচ্ছি, তাতে মনে হচ্ছে, এবছরের বাজেটও গত বছেরের (২০১৪-১৫) বাজেটের মতোই হচ্ছে। অর্থাৎ সরকার গঠন করার পরে বাজেটের যেসব সমস্যা তা সংস্কার করা দরকার। তা সংস্কার করার উদ্যোগ দেখতে পাচ্ছি না।

সরকার যে রাজস্ব মাত্রা ঘোষণা করছেন, তা অর্জন হবে না। সরকার যে ব্যয় লক্ষ্যমাত্রা ঘোষণা করছেন তাও বাস্তবায়ন হবে না। সুতরাং দেখা গেল, আয়ও হলো না ব্যয়ও হলো না, মোটামুটি আমরা ক্ষমতায় থাকলাম। এই আর কি।”

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমলেও বাংলাদেশে কমছে না। এর সমালোচনা করে তিনি বলেন, “প্রেট্রোলিয়াম কোম্পানি গুলো প্রচুর লাভ করছে। প্রশ্ন হলো, এ ধরনের মুনাফা করা সঠিক কি না? সরকার বলেছে, বিশ্ববাজারে যখন পেট্রলের দাম বাড়ে, তখন আমরা পেট্রলের দাম বাড়াই, আর যখন কমে যায় তখন কমাই। এখন দেখা যাচ্ছে, বিশ্ববাজরে পেট্রলের দাম কমে গেছে। কিন্তু সরকার দাম কমাচ্ছে না।

আমরা জানি, সরকার যখন যা বলে তা করে। তখন মানুষের সকারের ওপর আস্থা বাড়ে। কিন্তু এ আচরণের কারণে সরকারের আয়ের চেয়ে অনেক বেশি ক্ষতি হবে।”

বাজেট বহির্ভুত খাতের খরচ নিয়ে চিন্তার বিষয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, “বাজেটের যে টাকা খরচ করি, তা সঠিকভাবে খরচ হচ্ছে না। এখন শুনতে পাচ্ছি তিন লাখ কোটি টাকার বাজেট হবে। আসলে এ তিন লাখ কোটি টাকার বাজেট নিয়ে আমি চিন্তিত নই। বাজেটে যেসব বিষয় নাই, অথচ যেসব বিষয় অর্থনীতিতে বিরাট প্রভাব ফেলবে। এগুলো নিয়ে আমি চিন্তিত। শুনতে পাচ্ছি, এখানে বিমান কেনা হবে, ওখানে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র করা হবে, ওখানে যুদ্ধ জাহাজ কেনা হচ্ছে, উড়াল সেতু করা হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। এ গুলো কোত্ থেকে হচ্ছে, এগুলো বেশিরভাগ হচ্ছে সাপলাই ক্রেডিটের মাধ্যমে। পৃথিবীর কোথাও এ পদ্ধতি এখন আর চালু নেই। এমনকি ভারতে এ পদ্ধতি নেই। কিন্তু ভারত বাংলাদেশকে সাপলাই ক্রেডিট দিচ্ছে। শেষ পর্যন্ত ভারত সরকার এক বিলিয়ন ডলার দেয়ার পর লজ্জায় পড়ে গিয়েছিল। বলা হয়েছিল, এক বিলিয়ন ডলার ভারত ঋণ দিবে। মূলত এ টাকা দিয়ে তাদের নিকট থেকেই প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে হবে। আর এ সুযোগে ভারতের ঠিকাদাররা, যে জিনিস একশ টাকা, তা পাঁচশ টাকায় বিক্রি করেছে। সুতরাং কোনো সুদের হার যদি দুই শতাংশ বা তিন শতাংশও হয় তা তেমন সমস্যা হয় না। এর চাইতে কয়েকগুন বেশি টাকা বিক্রির সময় তারা নিয়ে গেছে।  

এর পরেও সরকার এমন সাপলাই ক্রেডিটের জন্য আয়োজন করছে। এ ধরনের যেসব চুক্তি করা হচ্ছে। এগুলি এবং বৈদেশিক মুদ্রার ঋণ এক সময় একত্রিত হয়ে যাবে, এখন রিজার্ভ যাই থাকুক না কেনো, তখন এটা স্বাভাবিক করার মতো ক্ষমতা আমাদের অর্থমন্ত্রীর থাকবে না। সে জন্য এ বিষয়গুলো বিস্তারিতভাবে সংসদের দেখা দরকার। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় হচ্ছে, বাংলাদেশের সংসদ সদস্যদের বাজেটের উপর কোন কর্তৃত্বই নাই। এদের কোনো বিষয় দেখতে দেয়া হয় না। তাদের বাজেটের বিষয় কয়েকদিন আগে দেবে এবং পরে পাশ হবে। কোনো কিছু দেখার ক্ষমতা তাদের নাই।

আরও একটা বিষয় হচ্ছে প্রকল্পের অপচয়, এর সব চাইতে বেশি অপচয় হচ্ছে, শিক্ষা খাতে। দ্বিতীয় হচ্ছে, স্বাস্থ্য খাত। এ দুই খাতে অর্থের যে হারে অপচয় হচ্ছে, অন্য কোনো খাতে এত অপচয় হয় কি না আমার সন্দেহ আছে। এছাড়া অবকাঠামো খাতেও দুর্নীতির কথা শুনা যাচ্ছে, তাহলে উন্নয়নটা আর কোথায় থাকল!  এসব বিষয় যদি আমাদের সমাধান করতে হয়। তার জন্য আমাদের সংসদকে শক্তিশালী করতে হবে। শুধু তাই না, সংসদকে শক্তিশালী করার জন্য সঠিক জন প্রতিনিধিদের সংসদে প্রেরণ করতে হবে। আর সঠিক জনপ্রতিনিধিরা যদি বাজেটের বিষয়গুলো তদারকি করেন, তাহলে হয়তো এটা সমাধান হতে পারে।”

আকবর আলী খান বলেন, “অর্থনীতির উন্নয়ন সবাই চায়, আমাদের অর্থমন্ত্রীও চান। কিন্তু মনে রাখতে হবে, অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তিহলো বেসরকারি খাত। কিন্তু বাজেট বক্তব্যে যেসব বরাদ্ধ দেখতে পাচ্ছি, এগুলো বেশির ভাগ সরকারি খাতের জন্য। আর বেসরকারী খাতের জন্য যে বিনিয়োগ তা বাংলাদেশের জন্য এখন পর্যন্ত উল্লেখ যোগ্যভাবে বাড়ছে না। এর জন্য বড় একটা সমস্যা হলো রাজনীতি। এছাড়া অবশ্বই সুশাসনের অনুপস্থিতি একটা বড় সমস্যা। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা শুধু মাত্র বাংলাদেশে বিনিয়োগ করে না। আরো অনেক দেশ রয়েছে, বিদেশিরা মূল্যায়ন করে কোন দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি ঠিক রয়েছে। আর তারা যেখানে পরিস্থিতি ভালো মনে করে, তারা সবাই গরু, ছাগলের পালের মতো (হার্ড ‘Herd’ মেন্টালিটি) বিনিয়োগ করে।  

আইসিএবির সাবেক সভাপতি মো. হুমায়ুন কবিরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশ সিকিউরিটি অ্যান্ড একচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) সাবেক এসইসি চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ সিদ্দীকী, আইসিএবির সভাপতি মসিহ্ মালিক চৌধুরী, বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. জামাল উদ্দিন আহমদ, এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মো. আব্দুল মজিদ, বিআইবিএমের পরিচালক ড. আহসান হাবিব, বিআইডিএসের ডিরেক্টর জেনারেল ড. খান আহমেদ সাইদ মোরশেদ, প্রথম আলোর সহযোগি সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম, আইসিএবির সাবেক সভাপতি আব্বাস উদ্দিন খান, আব্দুস্ সামালম, মো. সাইফুল ইসলাম, সহ-সভাপতি এএফ নেছার উদ্দিন, কামরুল আবেদিন,  আমেরিকান চেম্বারের সাবেক সভাপতি আফতাব উল ইসলাম।

নিউজবাংলাদেশ.কম/জেএস/কেজেএইচ

পশুর চেয়েও নিকৃষ্ট ধর্ষক: প্রধানমন্ত্রী করোনা ভাইরাসের কারণে হজে যাওয়া না হলে টাকা ফেরত: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী দাঙ্গা নয়, দিল্লিতে পরিকল্পিত গণহত্যা হয়েছে: মমতা ভারতের সম্মান তলিয়ে দিয়েছে মোদি সরকার: মমতা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে সুনামগঞ্জে এনামুল-রুপন ছয় দিনের রিমান্ডে পিরোজপুরে সাবেক ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা চলতি বছরই তিস্তা চুক্তির সম্ভাবনা: শ্রিংলা ঢাকা উত্তরের নির্বাচন বাতিল চেয়ে তাবিথের মামলা খুলনায় ছাত্রলীগ নেতাকে পিটিয়ে হত্যা অভিনেতা গোলাম মুস্তাফার জন্মদিন সোমবার আদালতে টাউট-বাটপার শনাক্তের নির্দেশ পাওয়ার ট্রলিকে ধাক্কা দিয়ে বিকল রেলইঞ্জিন কলকাতা সফরে এসে প্রবল বিক্ষোভের মুখে অমিত শাহ রোবট চালাবে গাড়ি! ভিপি নূরকে হত্যার হুমকি দেয়ার পর দুঃখ প্রকাশ টেকনাফে র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ৭ জন নিহত রাখাইনপ্রদেশে সেনাদের গুলিতে শিশুসহ ৫ রোহিঙ্গা নিহত ইস্কাটনে ভবনে আগুন: মায়ের পর চলে গেলেন রুশদির বাবাও চট্টগ্রামে একটি বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ২ দেশে প্রতিদিন যক্ষ্মায় মারা যায় ১৩০ জন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী করোনাভাইরাস আতঙ্কে আয়ারল্যান্ডের স্কুল বন্ধ ঘোষণা বিশিষ্ট সুরকার সেলিম আশরাফ আর নেই মোদীকে অতিথি হিসেবে সর্বোচ্চ সম্মান দেওয়া হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী মধুর যত জাদুকরী গুণ চিপসের প্যাকেটের ভিতর খেলনা নয়: হাইকোর্ট আমার গাড়িতেও অস্ত্র আছে কী না আমি জানি না: শামীম ওসমান ফ্র্যান্সেও করোনা, অনিশ্চিত কান চলচ্চিত্র উৎসব উপনির্বাচন: গাইবান্ধা-৩ আসনে প্রতীক বরাদ্দ গুজব ও গণপিটুনি রোধে হাইকোর্টের ৫ নির্দেশনা