artk
রোববার, ফেব্রুয়ারী ৫, ২০১৭ ৭:১৬

পসাম এসেছিলো?

media

১.
তিনজনই ভয়ে মটকা মেরে পড়ে আছি, নড়াচড়া বন্ধ। রাত বাজে সাড়ে বারোটা। তাঁবুর ওপরে নেটের জালের ফাঁকে ইউক্যালিপটাস গাছের পাতা, আর তারও ওপরে তারাদের ঝিকিমিকি। দক্ষিণ গোলার্ধের আকাশে যে উত্তরের চেয়ে বেশি তারা দেখা যায়, সেটা বুঝতে পেরেছিলাম আগের রাতেই। ক্যাম্পগ্রাউন্ডের পাশের রাস্তা ধরে তিনজনে হেঁটে যাচ্ছি, হাতের টর্চ নেভানো। দুইপাশে ঘন জঙ্গল, পোকার আওয়াজ, আর গাঢ় অন্ধকার এড়িয়ে আমাদের চোখ আকাশে- এত তারা ছিলো কোথায়! অস্ট্রেলিয়া পুরনো মহাদেশ, তাই এইখানে জিন এবং মানুষখেকো ক্যানিবালদের বসবাসের সমূহ সম্ভাবনা বিদ্যমান - সাজ্জাদ ভাই এই শীর্ষক একটা আলোচনা শুরু করলেন, আমিও তাল দিলাম। বেরসিক সাব্বির, যাকে উদ্দেশ্য করে আমাদের এই কথামালা, বড্ড তাড়াতাড়ি রণে ভঙ্গ দেয়। টর্চ জ্বালায়, আর বলে - “ভাই চলেন এইবার ফেরত যাই। কেমন জানি লাগে”। তারাগুলো মুচকি হেসে দেয় মনে হয়, আমরা দুজন হাসি চেপে রাখি।

২.
সাব্বিরেরই প্ল্যান অস্ট্রেলিয়ান আল্পসের পাদদেশের ওরোরাল ভ্যালিতে ক্যাম্পিং করার। তাঁবুতে থাকা হবে, জঙ্গলের মধ্যে রান্না হবে, হাইকিং হবে, উঁচুনিচু পাহাড়ী রাস্তায় গাড়ি করে ঘোরা হবে। প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে প্রস্তুতি নেয়া। সিডনি থেকে সাজ্জাদ ভাই ড্রাইভ করে আসবে শুক্রবার বিকেলে, তারপরে আমাদের তুলে নিয়ে সোজা ক্যাম্পগ্রাউন্ডে। সাজ্জাদ ভাইয়ের ড্যাশিং হোন্ডা জ্যাজ-এ আমরা তিনজন, আর আমাদের মালসামানা। তিন বাক্সে ত্রিশ লিটার খাবার পানি, দুইটা আইস বক্সে নানারকম পানীয়, ঠাণ্ডা পানি, বরফ, ফ্রোজেন সসেজ, বার্গারের প্যাটি; দুইটা বিশ লিটারের বক্সে ব্রেড, ডিম, শশা-টমেটো, চা, কফি, বিস্কিট, চিপস, টুনার ক্যান, ব্রেড আর র‍্যাপস, ট্রেইল এ হাঁটার জন্যে ওটস এনার্জি বার, চিনেবাদাম, অ্যাপ্রিকট, আপেল; পোর্টেবল গ্যাসের চুলা, দুইটা তাঁবু, তিনটা স্লিপিং ব্যাগ, তাঁবুর নিচে দেবার শিট, থালা-বাসন, ছুরি-চামচ, সল্ট অ্যান্ড পেপার, তিনটা পোর্টেবল চেয়ার, একটা টেবিল। আর নিজেরদের একটা করে ব্যাগে জামা জুতো কাপড় এইগুলো তো আছেই। দুইদিনের ক্যাম্পিং, আর কাহিনী এত্ত বড়!

৩.
নামাজি (Namadgi - অ্যাবোরিজিনাল শব্দ) ন্যাশনাল পার্কের একটা অংশ হচ্ছে ওরোরাল ভ্যালি। বিশাল নামাজি পার্কের শুরু আর শেষ খুঁজে পাওয়া কঠিন। ক্যানবেরার দক্ষিণে পঞ্চাশ মিনিট ড্রাইভ করে থারওয়া গ্রাম পার হয়ে প্রথম “নামাজি পার্কে স্বাগতম” সাইনবোর্ড আর সাথে পাহাড়ের দেখা পাওয়া। অস্ট্রেলিয়ান আল্পস। সাজ্জাদ ভাইয়ের ক্ল্যাসিক কালেকশান থেকে “ইচ্ছে করে যাই চলে যাই অচিনপুর” বাজছে, আমি গানের সাথে গলা মেলাচ্ছি, আর সাব্বির ক্ষীণ থেকে ক্ষীণতর হয়ে আসা মোবাইল নেটওয়ার্ক ধরার চেষ্টা করছে। টমটম জিপিএস বেচারাও শেষমেষ হার মানলো। “ইউ হ্যাভ রিচড ইওর ডেসটিনেশন অন ইওর রাইট” বলার পরে আমরা ডানে তাকায়ে ধুধু মাঠ ছাড়া আর কিছুই দেখলাম না। সামনে এগিয়ে যাই, আইয়ুব বাচ্চু গাইতে থাকে - “সেই তারাভরা রাতে, আমি পারিনি বোঝাতে...”। তারাভরা রাতে পাশবিক কাহিনীর মুখোমুখি হতে হবে, তা যদি তখন বুঝতাম!

কিলো দুয়েক সামনে গিয়ে দেখা পাওয়া গেলো সত্যিকারের ক্যাম্পগ্রাউন্ডের। জঙ্গলের ভেতর গাছে ছাওয়া এক একর পরিমাণ জায়গা, একপাশে পাহাড় উঠে গেছে, আরেকপাশে ছোট একটা পানির ধারা। ফ্যাসিলিটি বলতে বেসিক একটা টয়লেট, আর ফায়ারউড দিয়ে জ্বালানোর জন্যে লোহার চুলা। যদিও ফায়ার ব্যান সাইন লটকানো ছিলো। অস্ট্রেলিয়ান বুশ ফায়ার বড় ভয়ানক জিনিস। ক্যাম্পগ্রাউন্ডে আমরা একা নই, আরো কয়েকটা গ্রুপ আছে। সবাই আমাদের আগেই চলে এসেছে। সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় পৌঁছে আমরাই সবচেয়ে লেইট। তাঁবু ফেলার জন্যে একটু কোনার দিকে একটা জায়গা বেছে নিলাম আমরা। সাজ্জাদ ভাইয়ের একটা সিঙ্গেল তাঁবু, আমি আর সাব্বির থাকবো একটু বড় আরেকটায়। আধা ঘন্টায় তাঁবু খাটানো শেষ, এরপরে বাকি সব জিনিস আনপ্যাক করতে করতে দিনের আলো ম্লান হয়ে আসে। আজ রাতে রান্নার ঝামেলা নেই, মাস্টারশেফ সাব্বির বাসা থেকে গামা গামা তিন বাটি ফ্রাইড রাইস নিয়ে এসেছে। তাঁবুর পাশে চেয়ার পেতে ক্রমশ অন্ধকার হয়ে আসা আকাশের নিচে বসে আমরা খাই, আর গল্প করি। সারাদিন যতই গরম থাকুক, পাহাড়ের পাদদেশে রাত্রি মানেই ঠাণ্ডা। সাজ্জাদ ভাই বলে “চা হবে নাকি?” বিউটেনের আগুনে জ্বাল দেয়া আর্ল গ্রে’তে আমরা আয়েস করে চুমুক দেই, কাল কি কি করবো তাই নিয়ে বিস্তর আলাপ আলোচনা চলতে থাকে।

পসাম। এরা বাচ্চাদের এভাবেই পিঠে নিয়ে চলাফেরা করে।৪.
পরদিন সক্কাল সক্কাল উঠে যাই। বার্গারের প্যাটি ভেঙ্গে হয়ে যায় গরুর কিমা, ওইটাকে ভাজা ভাজা করে ফেলেন সাজ্জাদ ভাই, সাথে স্ক্র্যাম্বল্ড এগ, রুটি, আর ব্ল্যাক কফি। বোতল কেটে বানানো মেকশিফট মগে কফিতে চুমুক দিয়ে নিজেদের ওয়েস্টার্ন সিনেমার চরিত্র মনে হয়। হাইকিং এর জন্যে সাজ বদলে তিনজন বেরিয়ে পড়ি। ব্যাকপ্যাকে শুকনো খাবারের ট্রেইল মিক্স, ঠাণ্ডা পানির বোতল, দুপুরের জন্যে টুনার ক্যান আর পাউরুটি। আগে থেকে ঠিক করে রাখা ট্রেইলের দিকে যাত্রা, প্রথমে গাড়িতে। ওরোরাল ভ্যালিতে নাসার একটা ট্র্যাকিং স্টেশান ছিলো, স্পেসক্রাফট ট্র্যাক করা আর ডাটা নেবার জন্যে। অ্যাপোলো-সয়ুজ প্রজেক্ট, কলাম্বিয়া স্পেশ শাটল সহ বেশ কয়েকটা মিশনে টেলিকমিউনিকেশান সাপোর্ট দিয়ে গেছে এই স্টেশান। ১৯৮৫ তে তাসমানিয়াতে সরিয়ে নেয়া হয়, এখন তাই ওখানটা শুধু একটা দর্শনীয় জায়গা। তবে বোঝা যায় ভারিক্কী কিছু একটা ছিলো এখানে। ট্র্যাকিং স্টেশানের পার্কিং এ গাড়ি রেখে আমরা হাঁটতে বেরিয়ে পড়ি। গাছের ছায়ায় একদল ক্যাঙ্গারু যথারীতি “আমনেরা কারা, কইত্তে আইলেন” ভঙ্গিতে আমাদের স্বাগত জানায়। ওদের পার হয়ে, বেশ কয়েকবার পথ হারিয়ে, সেলফি তুলে, জঙ্গল দেখে, প্রায় দশ কিলো পাহাড়ি রাস্তায় হেঁটে আমাদের জান ঠাণ্ডা হয়। ট্র্যাকিং স্টেশনে ফিরে এসে গাছের ছায়ায় অসম্ভব সুন্দর একটা কাঠের টেবিলে আমরা দুপুরের খাবারের বাক্স খুলে বসি। টুনা দিয়ে পাউরুটি কতটা স্বাদের হতে পারে, সেটা নতুন করে আবিষ্কার করি।

৫.
এখানে সেখান ঘুরে, আইসক্রিম খেয়ে, গান শুনে, নদীতে সাঁতার কেটে, ছবি তুলে, গাড়ি নিয়ে উঁচু থেকে উঁচুতে উঠে দিনের বাকি অর্ধেক পার করে সন্ধ্যে নামার মুখে আমরা ক্যাম্পগ্রাউন্ডে ফিরে আসি। জামাকাপড় বদলে ডিনারের প্রস্তুতি নেয়া শুরু। এই বেলায় তিন রকম ব্রেড, সাথে ভাজা সসেজ, শসা আর চেরি টমেটোর সালাদ। অনেকক্ষণ ধরে, তারিয়ে তারিয়ে খাই আমরা। তারপর কফি খাই। তারপর গল্প করি। ময়লা এখানে ফেলা যাবে না, সব ব্যাগে ভরে নিয়ে যেতে হবে। বড় কালো একটা ব্যাগ গাছে ঝুলিয়ে আমরা সব রাবিশ ওখানে জমা করি। চারখানা হট ডগ খেয়ে পেট ফুলে ঢোল, কয়েকটা বান রাবিশ ব্যাগেই ফেলে দিতে হলো। রাত ঘনিয়ে এলে, আরো একটু তারা দেখে তারা তিন জন টয়লেটমুখী হই। নিকশ কালো অন্ধকার, বাথরুমের টিনের দরজায় ছয় ইঞ্চি একটা হান্টসম্যানের দেখা পাওয়া যায়। ওদের রাজ্যে আমরাই তো আগন্তুক। বাথরুম সেরে তিন জন মিলে তাঁবুতে ফিরে চেয়ার গুটিয়ে শোয়ার প্রস্তুতি নেবো, হঠাৎ শুনি খসখস শব্দ। এদিক সেদিক আলো ফেলে রাবিশ ব্যাগের ওপর টর্চ পড়তেই দেখি এক অদ্ভুত প্রাণী মনের আনন্দে বার্গারের বান খাচ্ছে। মোটামুটি বড় সাইজের একটা Possum (পসাম)! টর্চের আলো চোখে পড়াতেও কোন ভ্রুক্ষেপ নেই। আমরা হুট হাট করি, তাও ব্যাটা যায় না। সাব্বির একটা ডাল ছুড়ে মারে, গায়ে গিয়ে পড়ে, নিতান্ত অনিচ্ছাসত্ত্বে একটু পিছু হটে। আমরা কাছে গিয়ে দেখি রাবিশ ব্যাগের মোটা পলিথিন এর মধ্যেই ফুটো করে ফেলেছে ধারালো নখ দিয়ে। এখন এই ব্যাগ নিয়ে আমরা কী করি? তাঁবুর কাছে রাখলে আবার হামলা করবে, আবার গাড়ির মধ্যে রাখলে ভেতরটা পুরো গন্ধ হয়ে যাবে। অনেকক্ষণ ব্রেইনস্টর্মিং করে ডাবল পলিথিন দিয়ে র‍্যাপ করে ওপরে মরটিন স্প্রে করে দেই- গন্ধে কাছে আসবে না এই ভেবে। তারপর তিন জন মিলে ব্যাগটাকে তাঁবু থেকে দূরে রেখে আসার জন্যে রওনা দেবো, দেখি পেছন পেছন আবার পসাম! টর্চের আলো পড়ায় চোখ দুটো লাল হয়ে জ্বলে ওঠে। আমি একটা ঢিল মারি, গায়ে লাগে না, ব্যাটা গাছের ওপরে চড়ে বসে। তাঁবু থেকে বেশ খানিকটা দূরে মরটিন মাখানো বস্তায় রাবিশ রেখে একটু নিশ্চিন্ত হয়ে আমরা ফিরে আসি। স্লিপিং ব্যাগের আরামদায়ক উষ্ণতায় সেঁধিয়ে যাই।

ওরোরাল ভ্যালির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য৬.
হালকা তন্দ্রার মত এসেছিলো। হঠাৎ ঘুম ভেঙ্গে যায়। ঘড়িতে সাড়ে বারোটা। মাটিতে শুয়ে থাকলে চারপাশে অনেককিছুর উপস্থিতি টের পাওয়া যায়। সাব্বিরের এপাশ থেকে ওপাশ ফেরা, অথবা পাশের তাঁবুতে সাজ্জাদ ভাইয়ের নড়াচড়ার শব্দ। বুঝতে পারি এসব কিছুতে ঘুম ভাঙ্গেনি। আমার মাথার বামে, তাঁবুর বাইরে একটা অদ্ভুত, জান্তব শব্দ শুরু হয়। “কট কট...কট কট কট...কট কট”। বিজাতীয় রাগে কিছু একটা গোঙ্গাচ্ছে। পসাম ফিরে এলো? নাকি অন্য কিছু? পসামের ধারালো নখের কথা মনে হয়, তাঁবুর ক্যানভাস ওর কাছে কতটা পলকা? বুঝতে পারি সাব্বিরের ঘুম ভেঙ্গে গেছে, আর সাজ্জাদ ভাইয়েরও। শব্দটা হতেই থাকে, নড়েচড়ে, এদিক-ওদিক যায়। ভয় লাগে, সত্যিকারের ভয়। স্লিপিং ব্যাগ এর ভেতর যতটা পারা যায় ঢুকে পড়ি, তাঁবুর পাশ থেকে সরে মাঝে এসে কান চেপে ধরে রাখি। দশ মিনিট, পনেরো মিনিট, কতক্ষণ হবে জানা নেই। দুঃস্বপ্ন ভাঙ্গার মত হঠাৎ শব্দটা বন্ধ হয়।

ইউক্যালিপটাসের পাতার ঝিরঝির শব্দে ঘুমের কোলে ঢলে পড়তে পড়তে ভাবি, পসাম এতো অসাম কেন?

৭.
সকালের ঝকমকে আলোয় রাতের ঘটনা নিয়ে আমরা হাসাহাসি করি। আর তো এখানে রাত কাটাতে হবে না, সাহসী হতে দোষ কি! ট্রিপল লেয়ার ব্যাগ, মরটিনের উৎকট গন্ধ- সব ছাপিয়ে পসাম ঠিকই এসছিলো বুঝতে পারি। রাবিশ ব্যাগ ফুটো করে বার্গার, চিপস আর ড্রিংকসের তলানি- সবই খেয়ে নিয়েছে ব্যাটা। তাও ভালো খুব বেশি ময়লা বের করেনি। তাঁবু গুটিয়ে, জিনিসপত্র গুছিয়ে আমরা নাস্তা বানাই। ক্যাম্পগ্রাউন্ডকে বিদায় জানিয়ে, সব গাড়িতে তুলে আমাদের এবারের গন্তব্য বুরুম্বা রকস- অ্যাপোলো রোড পার হয়ে পাথুরে এক পাহাড়চূড়ায়। কার পার্ক থেকে বুরুম্বা রকস পর্যন্ত তিন কিলো মাটির রাস্তা সাজ্জাদ ভাই নিখুঁত দক্ষতায় পাড়ি দেন। ফোর হুইল ড্রাইভের জন্যে যেটা ছেলেখেলা, টু-হুইলার এর জন্যে একটু কষ্টই বটে। বুরুম্বা রকসের চূড়ায় পৌঁছানোর রাস্তার দৈর্ঘ্য দেড় কিলো, তবে উচ্চতা প্রায় দুইশো মিটার। মাথার ওপরে আর দুইপাশে ঘন জঙ্গল, কখনও পাথুরে পাহাড়, নাম না জানা পাখির ডাক, তার মাঝে খাড়া উঠে যাওয়া সরু রাস্তা। হাঁফ ধরে যায়, হাঁটু প্রতিবাদ জানায়, কিন্তু রাস্তার সৌন্দর্যের কাছে পাত্তা পায় না। প্রায় আধা ঘন্টা লেগে যায় চূড়ায় পৌঁছাতে। সন্তর্পর্ণে বিশাল বড় পাথরের চাঁইয়ের ওপর দাঁড়িয়ে নিচের দিকে তাকাই। মাথা চক্কর দেয়। ওপর থেকে দেখা হাজারো গাছের সারি, পাহাড়ের ছক, অনেক দূরে ক্যানবেরার সীমারেখা, আর নীল আকাশের মিলেমিশে এক হয়ে যাওয়া। বড় একটা পাথরে পা ঝুলিয়ে বসে আমসত্ত্বের প্যাকেটটা বের করি। মোটের ওপর জীবনটা একেবারে মন্দ না!

লেখক: সদস্য, বিডি সাইক্লিস্ট। বাস করেন অস্ট্রেলিয়ায়

পশুর চেয়েও নিকৃষ্ট ধর্ষক: প্রধানমন্ত্রী করোনা ভাইরাসের কারণে হজে যাওয়া না হলে টাকা ফেরত: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী দাঙ্গা নয়, দিল্লিতে পরিকল্পিত গণহত্যা হয়েছে: মমতা ভারতের সম্মান তলিয়ে দিয়েছে মোদি সরকার: মমতা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে সুনামগঞ্জে এনামুল-রুপন ছয় দিনের রিমান্ডে পিরোজপুরে সাবেক ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা চলতি বছরই তিস্তা চুক্তির সম্ভাবনা: শ্রিংলা ঢাকা উত্তরের নির্বাচন বাতিল চেয়ে তাবিথের মামলা খুলনায় ছাত্রলীগ নেতাকে পিটিয়ে হত্যা অভিনেতা গোলাম মুস্তাফার জন্মদিন সোমবার আদালতে টাউট-বাটপার শনাক্তের নির্দেশ পাওয়ার ট্রলিকে ধাক্কা দিয়ে বিকল রেলইঞ্জিন কলকাতা সফরে এসে প্রবল বিক্ষোভের মুখে অমিত শাহ রোবট চালাবে গাড়ি! ভিপি নূরকে হত্যার হুমকি দেয়ার পর দুঃখ প্রকাশ টেকনাফে র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ৭ জন নিহত রাখাইনপ্রদেশে সেনাদের গুলিতে শিশুসহ ৫ রোহিঙ্গা নিহত ইস্কাটনে ভবনে আগুন: মায়ের পর চলে গেলেন রুশদির বাবাও চট্টগ্রামে একটি বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ২ দেশে প্রতিদিন যক্ষ্মায় মারা যায় ১৩০ জন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী করোনাভাইরাস আতঙ্কে আয়ারল্যান্ডের স্কুল বন্ধ ঘোষণা বিশিষ্ট সুরকার সেলিম আশরাফ আর নেই মোদীকে অতিথি হিসেবে সর্বোচ্চ সম্মান দেওয়া হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী মধুর যত জাদুকরী গুণ চিপসের প্যাকেটের ভিতর খেলনা নয়: হাইকোর্ট আমার গাড়িতেও অস্ত্র আছে কী না আমি জানি না: শামীম ওসমান ফ্র্যান্সেও করোনা, অনিশ্চিত কান চলচ্চিত্র উৎসব উপনির্বাচন: গাইবান্ধা-৩ আসনে প্রতীক বরাদ্দ গুজব ও গণপিটুনি রোধে হাইকোর্টের ৫ নির্দেশনা