artk
শুক্রবার, নভেম্বার ১৫, ২০১৯ ৬:১৭   |  ১,অগ্রহায়ণ ১৪২৬

স্টাফ রিপোর্টার

মঙ্গলবার, অক্টোবার ২৯, ২০১৯ ২:৪১

পুঁজিবাজারেও শুদ্ধি অভিযান চায় বিনিয়োগকারীরা

media

একটি অসাধু শ্রেণি অর্থ হাতিয়ে নিয়ে বারবার পুঁজিবাজারকে ধস নামিয়ে দিচ্ছে। ধসের কারণে নিঃস্ব বিনিয়োগকারীরা পুঁজি হারাচ্ছে। সম্ভর হারিয়ে তারা বাজারে বিনিয়োগ প্রতি মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। পাশাপাশি এই বাজাকে ক্যাসিনো সাথে তুলনা করছে। 

একটি অসাধু শ্রেণি অর্থ হাতিয়ে নিয়ে বারবার পুঁজিবাজারকে ধস নামিয়ে দিচ্ছে। ধসের কারণে নিঃস্ব বিনিয়োগকারীরা পুঁজি হারাচ্ছে। সম্ভর হারিয়ে তারা বাজারে বিনিয়োগ প্রতি মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। পাশাপাশি এই বাজাকে ক্যাসিনো সাথে তুলনা করছে। 

তাই ক্যাসিনো মার্কেটের মতো পুঁজিবাজারের বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি), ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই), চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই), ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) ও বিভিন্ন ইস্যু ম্যানেজারদের বিরুদ্ধে শুদ্ধি অভিযান পরিচালনা করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি বিশেষ দাবি জানিয়েছেন বিনিয়োগকারীদের প্রাণের সংগঠন বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদ।

মঙ্গলবার রাজধানী প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে এসব দাবি জানান নেতারা।

বিনিয়োগকারীদের ন্যায্য দাবী আদায়ে নিয়মতান্ত্রিক ভাবে আন্দোলন চালিয়ে আসছি জানিয়ে সংগঠনের সভাপতি মিজান উর রশিদ বলেন, আমরা ধারাবাহিক প্রতিবাদ কর্মসূচি হিসেবে মানববন্ধন, মিছিল, মিটিং, অনশন ও বিএসইসি, ডিএসই, বাংলাদেশ ব্যাংক ও এফবিসিসিআইয়ের সাথে আলোচনা করে বিভিন্ন দাবি-দাওয়া ও স্মারকলিপি পেশ করে আসছে। কিন্তু একটি চক্র বরাবর বিভিন্ন ইস্যুর অজুহাত দেখিয়ে আমাদের নেতাকর্মী ও বিনিয়োগকারীদের ওপর গ্রেফতার, হামলা, মামলা, গোয়েন্দা নজরদারী, মুচলেকা নেয়াসহ সব রকম হয়রানি করে আসছে। তাই প্রথমেই অতি শিগগির এসব হয়রানি বন্ধ দাবি জানাচ্ছি। 

আরও বলেন, সর্বশেষ চলতি বছরের ১৮ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে বাজারের সার্বিক প্রেক্ষাপট, সমস্যা ও সমাধান নিয়ে একটি স্মারকলিপি পেশ করি। কিন্তু পুঁজিবাজারে স্থায়ী স্থিতিশীলতা আজও ফিরে আসেনি। 

পুঁজিবাজারে নিয়ন্ত্রন সংস্থা থেকে শুরু করে অধিকাংশ স্টোক হস্তান্তরের প্রশ্নবিদ্ধ ভূমিকা, ডিএসই, সিএসই, আইসিবি, বিএসইসির এক শ্রেণির অসাধু কর্মকর্তার সীমাহীন দুর্নীতি ও লুটপাটে পুঁজিবাজার ধস করছে। এছাড়া অনৈতিক প্লেসমেন্ট বাণিজ্য ও দুর্বল কোম্পানির আইপিওতে তালিকাভুক্তির মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের সর্বশান্ত করা হয়েছে। এমন পরিস্থতিতে পুঁজিবাজারের সাথে যুক্ত দুর্নীতিবাজ ও অসাধু ব্যক্তিদের বাদ দিয়ে মেধাবী ও যোগ্যতা সম্পন্ন ব্যক্তিদের দিয়ে কমিশন পুনর্গঠনের দাবি জানান এই নেতা।

এসময় শিগগিরই বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যানসহ সকল কমিশনারদের অপসারণ করে সৎ, মেধাবী ও যোগ্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে কমিশন পুনঃগঠন করারা দাবি জানান সভাপতি মিজান উর রশিদ। 

একইসঙ্গে খন্দকার ইব্রাহিম খালেদের তদন্ত রিপোর্ট অনুযায়ী পুঁজিবাজার লুণ্ঠনকারীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করার আহবার করেন। পুঁজিবাজারের উন্নয়নে ডিএসইর বিপরীতে বাংলাদেশ স্টক এক্সচেঞ্জ নামে বিকল্প স্টক এক্সচেঞ্জ করার প্রস্তাব রাখেন। আর বাজারের ভয়াবহ পতনে ২০১০-২০১৯ সাল পর্যন্ত যে সকল বিনিয়োগকারীরা অসুস্থ্য হয়ে হার্ট এ্যাটাক করে আত্মহুতি দিয়েছে তাদের পরিবারসহ ক্ষতিগ্রস্থ বিনিয়োগকারীদের ক্ষতিপূরণ দেবার দাবি করেন তিনি। 

প্রেস ক্লাবের এই সংবাদ সম্মেলনে পুঁজিবাজারকে স্থিতিশীল ও বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে আরও বেশকিছু দাবি তুলে ধরেন মিজান উর রশিদ চৌধুরী। 

দাবিগুলো হলো- বাইব্যাক আইন পাস করতে হবে। বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে ইস্যুমূল্যের নিচে অবস্থান করা শেয়ারগুলো নিজ নিজ কোম্পানিকে ইস্যুমূল্যে শেয়ার বাইব্যাক করতে হবে; পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতার লক্ষ্যে আগামী ৩ বৎসর পর্যন্ত সকল ধরনের আইপিও, রাইট শেয়ার ইস্যু বন্ধ রাখতে হবে। প্লেসমেন্ট শেয়ারের অবৈধ বানিজ্য বন্ধ করতে হবে; বুক বিল্ডিং পদ্ধতি, ডাইরেক্ট লিষ্টিং পদ্ধতি বাতিল করতে হবে; সিসি আইনের বাস্তবায়ন করতে যে সকল কোম্পানির উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের ব্যক্তিগতভাবে ২ শতাংশ, সম্মিলিতভাবে ৩০ শতাংশ শেয়ার নেই, ওই সকল উদ্যোক্তা পরিচালক ও কোম্পানিগুলোকে শেয়ার ধারন করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে; কোম্পানি আইনে কোথাও জেড ক্যাটাগরি এবং ওটিসি মার্কেটের কথা উল্লেখ নেই। তাই শেয়ারের কোন বিভাজন করা যাবে না। ওটিসি মার্কেটে যে সকল কোম্পানি নিয়মিত এজিএম করে এবং ডিভিডেন্ট দেয় তাদের মূল মার্কেটে ফেরত আনতে হবে। যে সকল কোম্পানি এজিএম করে না, কোম্পানি বন্ধ আছে, সেই সকল কোম্পানির সম্পদ বিক্রি করে বিনিয়োগকারীদের টাকা ফেরত দিতে হবে; কোম্পানির ব্যবসা ভালো থাকা সত্ত্বেও যে সকল কোম্পানি নো ডিভিডেন্ট ঘোষণা করে বাজারকে অস্থিতিশীল করে, সে সকল কোম্পানিকে শাস্তির আওতায় আনতে হবে; কোন কোম্পানিকে দি লিষ্টিং করা যাবে না। সম্প্রতি দি লিষ্টিং হওয়া মর্ডান ডাইং ও রহিমা ফুড কোম্পানির শেয়ার হোল্ডারদেরকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে; কোন কোম্পানির বোর্ড মিটিংয়ে ডিভিডেন্ট ঘোষনার ৭ দিনের মধ্যেই এজিএম করতে হবে। দুই আড়াই মাস পরে নয়। পৃথিবীর কোন দেশেই দুই আড়াই মাস পরে এজিএম করার নিয়ম নেই; শেয়ারবাজারের উন্নয়নের স্বার্থে বহুজাতিক লাভজনক কোম্পানিগুলোকে পুঁজিবাজারে তালিকাভূক্ত করতে হবে। বহুজাতিক কোম্পানিগুলোকে ইন্ডিয়া এবং পাকিস্তানের ন্যায় বাধ্যতামূলক ভাবে তাদের বিনিয়োগের ৪৯ শতাংশ শেয়ারবাজারে অংশ গ্রহণ করতে হবে। কারণ বিদেশি কোম্পানিগুলো তাদের কোম্পানির স্বল্প কিছু সংখ্যক শেয়ার (২০-২৫) শতাংশ শেয়ার পুঁজিবাজারে তালিকাভূক্ত করে ৩০০ থেকে ৪০০ শতাংশ ডিভিডেন্ট দিয়ে এদেশের অর্থ বিদেশী কোম্পানিগুলো লুন্ঠন করে নিয়ে যাচ্ছে। এই লুন্ঠন প্রক্রিয়া বন্ধ করতে হবে; পুঁজিবাজারের প্রাণ মিচ্যুয়াল ফান্ডগুলোকে বাজারে সক্রিয় করে তাদের সঞ্চিত অর্থের ৮০ শতাংশ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে হবে; যে সমস্ত কোম্পানি তার মূলধন সংগ্রহের জন্য পুঁজিবাজারে আসবে ওই সমস্ত কোম্পানিকে পেইডআপ ক্যাপিট্যালের ৪০ শতাংশ পর্যন্ত আইপিও অনুমোদন দেওয়া যেতে পারে। তবে কোম্পানী প্লেসমেন্ট শেয়ারের টাকা কোন প্রকারেই কোম্পানির পেইডআপ ক্যাপিটাল হিসাবে দেখাতে পারবে না এবং কোম্পানি পুঁজিবাজারে আসার একমাস পূর্বে কোম্পানীর প্রসপেক্টস সমস্ত ব্রোকারেজ হাউস ডিএসই, সিএসই তে পাঠাতে হবে। সাংবাদিকদেরকে এবং বিনিয়োগকারীদের চাহিবা মাত্র কোম্পানি প্রসপেক্টস দিতে বাধ্য থাকিবে; পুঁজিবাজারে অর্থের যোগান বৃদ্ধির জন্য সহজশর্তে অর্থাৎ ৩ শতাংশ সুদে দশ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ দিতে হবে। যা আইসিবি, বিভিন্ন মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকার হাউজের মাধ্যমে ৫ শতাংশ হারে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা লোন হিসাবে বিনিয়োগের সুযোগ পাবে; বিনিয়োগকারীদের “বিনিয়োগ নিরাপত্তা আইন” অতিদ্রুত প্রনায়ন করতে হবে এবং তা বাস্তবায়ন করতে হবে; পুঁজিবাজারের এই ক্রান্তিকালে মার্জিন ঋণে জর্জরিত বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে এবং বাজারে আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য এই মুহুর্তে মার্জিন ঋণের আওতাভূক্তদের সুদ সম্পূর্ন মওকুফ করতে হবে; ফোর্স সেল বন্ধ করতে হবে। ইতোপূর্বে অর্থ মন্ত্রনালয় ও বিএসইসির নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও আজ পর্যন্ত যে সমস্ত ক্ষতিগ্রস্থ বিনিয়োগকারী মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউজ কর্তৃক ফোর্স সেল ও ট্রিগার সেলের শিকার হয়েছেন সে সমস্ত বিনিয়োগকারীর কোডে বিক্রিকৃত মূল্যে শেয়ার ক্রয় করে দিতে হবে।

এসময় সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল রাজ্জাকসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

 

যৌনকর্মে বাধ্য করায় ২ নারীসহ আটক ৪ বাণিজ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ চায় বাংলাদেশ ন্যাপ তদন্ত প্রতিবেদন: দায়ী তূর্ণা নিশীথার চালক ও গার্ড মন্ত্রীদের বক্তব্য পেঁয়াজের সিন্ডিকেটকে উস্কে দিচ্ছে: রিজভী কুয়েতের প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ পেঁয়াজের কেজি আড়াইশ বই কিনলে পেঁয়াজ ফ্রি প্রাতঃভ্রমণে বের হয়ে ট্রলিচাপায় প্রাণ হারালেন খাদ্য কর্মকর্তা ধূসর আকাশ, বিষাক্ত বাতাস স্বজনদের পরিকল্পনাতেই খুন হন সগিরা মোর্শেদ টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ রোহিঙ্গা নিহত ময়মনসিংহে কলেজ ছাত্রীকে অপহরণকালে আটক ১০ আরিফের সহায়তায় ফুটপাতে থাকা সেই শিশুদের সরিয়ে নিলো পুলিশ পেঁয়াজের কেজি ২০০ টাকা হবে কোনো দিন ভাবিনি: তোফায়েল মেলার প্রথম দিনেই আয়কর আদায় ৩২৩ কোটি টাকা প্রথম দিনেই প্রধানমন্ত্রীর আয়কর বিবরণী জমা রাঙার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা পেঁয়াজ নিয়ে মারামারি! সূচকে পতন লেনদেনও মন্দা জেএসসি প্রশ্নের ছবি তুলে পালানোর চেষ্টা, ২ কলেজছাত্রের দণ্ড চট্টগ্রামে দুই সিমেন্ট কারখানাকে জরিমানা অফিসে ইয়াবা সেবন ভূমি কর্মকর্তার দেশে সব ধরনের রেনিটিডিন বিক্রি স্থগিত সেন্টমার্টিনে ১১৯ রোহিঙ্গা আটক প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষা শুরু ১৭ নভেম্বর ৬৯ বার পেছাল সাগর-রুনি হত্যার তদন্ত প্রতিবেদন এবার সিগন্যালের ভুলে রংপুর এক্সপ্রেসে আগুন রংপুর এক্সপ্রেসের ইঞ্জিনসহ ৭ বগি লাইনচ্যুত, তিনটিতে আগুন ক্ষুদ্রঋণে দারিদ্র বিমোচন হয় না: প্রধানমন্ত্রী দুদকের হাতে আটক জনপ্রতিনিধিসহ ৫ সরকারি কর্মকর্তা