artk
২৯ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, মঙ্গলবার ১৩ নভেম্বর ২০১৮, ৮:১৩ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম

‘খালেদার মামলার রায়ের তারিখ ঠিক হয়েছে সরকারের নির্দেশে’

স্টাফ রিপোর্টার | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ১৯১৫ ঘণ্টা, মঙ্গলবার ১৬ অক্টোবর ২০১৮ || সর্বশেষ সম্পাদনা: ২০৩৮ ঘণ্টা, মঙ্গলবার ১৬ অক্টোবর ২০১৮


‘খালেদার মামলার রায়ের তারিখ ঠিক হয়েছে সরকারের নির্দেশে’ - রাজনীতি

বিনা বিচারে সাজা দেয়ার উদ্দেশ্যে সরকারের নির্দেশে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জিয়া দাতব্য ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায়ের দিন ধার্য করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

তিনি বলেছেন, যুক্তিতর্ক এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায়ের দিন ধার্য করা ন্যায়বিচারের পরিপন্থী।

মঙ্গলবার বিকেলে উত্তরায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রবের বাসায় জাতীয় ঐক্য ফ্রন্টের বৈঠক শেষে বেরিয়ে সাংবাদিকদের কাছে এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন তিনি।

ফখরুল বলেন, “রায়ের যে তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে এটা একেবারেই সরকারের নির্দেশে করা হয়েছে। প্রথম থেকেই যে চেষ্টাটা করা হচ্ছে, বিনা বিচার, ন্যায় বিচার ছাড়াই দেশনেত্রীকে সাজা দেওয়ার সিদ্ধান্ত সরকার নিয়েছে। এখানে আদালতে সেটাই নিয়ে আসতে চায়।

তিনি বলেন, “এর মাধ্যমে প্রমাণিত হয় বাংলাদেশে বিচার ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে, সরকার যে নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছে এটা তারই একটি প্রমাণ।”

ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ মো. আখতারুজ্জামান মঙ্গলবার জিয়া দাতব্য ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে সোয়া তিন কোটি টাকা লেনদেনের মামলার রায় ঘোষণার ২৯ অক্টোবর দিন রেখেছেন।

এ মামলার শেষ পর্যায়ের কার্যক্রম চলছে ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতরে বসানো জজ আদালতের অস্থায়ী এজলাসে।

জিয়া এতিমখানা ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ড নিয়ে খালেদা জিয়া এ কারাগারেই বন্দি আছেন গত ফেব্রুয়ারি থেকে।

দাতব্য ট্রাস্টের মামলায় দোষী সাব্যস্ত হলে তার সাত বছর কারাদণ্ড হতে পারে।

মির্জা ফখরুল বলেন, “তার (খালেদা জিয়া) অনুপস্থিতিতে বিচারকার্য পরিচালনা করা, এটাও সম্পূর্ণ বেআইনি কাজ এবং তার অনুপস্থিতিতে বিচারের রায় ঘোষণা করাও সম্পূর্ণ বেআইনি।”

তিনি আরো বলেন, “যুক্তিতর্ক, আত্মপক্ষ সমর্থনসহ অন্যান্য বিষয়গুলো বাকি ছিল। কোনোটাই তারা নেয়নি। আমরা মনে করি এটা ন্যায় বিচারের পরিপন্থি। আমরা এটার প্রতিবাদ জানাচ্ছি।”

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, ‘আবারও বলছি, আমরা ন্যায়বিচার পাইনি। হাইকোর্ট বিভাগ থেকে আমরা আপিল বিভাগে যাব। এখন উচ্চ আদালতে যাওয়ার জন্য আজকের একটি অর্ডার এবং আগের একটি অর্ডার নিতে হবে যে আমাদের কোনো সুযোগই দেওয়া হচ্ছে না। আর্গুমেন্ট এবং যুক্তিতর্ক করার কোনো সুযোগ না দেওয়ার কারণে আমরা আজকের আদেশের বিরুদ্ধে আদালতে যাব।’

অপরদিকে দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন, ‘মামলার কার্যক্রম চালাতে কোনো বাধা নেই। উনারা যেহেতু বক্তব্য দিবেন না তাই বলা যায় তাদের কোনো বক্তব্য নেই। তাই আদালত রায়ের দিন ধার্য করুক। উভয়পক্ষের আবেদনের শুনানি শেষে আদালত রায়ের জন্য আগামী ২৯ অক্টোবর দিন ধার্য করেন।’

নিউজবাংলাদেশ.কম/এএইচকে

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য
এই বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত