artk
৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, সোমবার ১৯ নভেম্বর ২০১৮, ১২:৪৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম

মিয়ানমারে এলে হাতে অস্ত্র তুলে নেব: আইসিসির প্রতি ‘বৌদ্ধ লাদেন’

বিদেশ ডেস্ক | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ২২৪৩ ঘণ্টা, সোমবার ১৫ অক্টোবর ২০১৮


মিয়ানমারে এলে হাতে অস্ত্র তুলে নেব: আইসিসির প্রতি ‘বৌদ্ধ লাদেন’ - বিদেশ

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) মিয়ানমারে প্রবেশ করলে অস্ত্র হাতে ঠেকানোর হুমকি দিয়েছেন স্বঘোষিত ‘বৌদ্ধ বিন লাদেন’ উগ্র জাতীয়তাবাদী সন্ন্যাসী অসিন উরাথু।

গত রোববার তিনি মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুনে সেনা-সমর্থিত সমাবেশে দেয়া এক ভাষণে এ হুমকি দেন। তিনি রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ানোয় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কঠোর সমালোচনাও করেন।

এর আগে বারবার ধর্ম নিয়ে ঘৃণাপূর্ণ ও অযাচিত বক্তব্য দিয়ে ধর্মীয় সাম্প্রদায়িকতা উসকে দেয়ার অভিযোগে উরাথুকে কোনো জনসভায় বক্তব্য দেয়া নিষিদ্ধ করেছিল মিয়ানমারের সন্ন্যাসীদের একটি কাউন্সিল। তবে গত মার্চে সেই নিষেধাজ্ঞা উঠে যায়। এরপরই এই প্রথম কোনো জনসভায় বক্তব্য দিলেন উরাথু। রোহিঙ্গা সংকটের কারণে মিয়ানমারের সেনাপ্রধানসহ ছয়জন শীর্ষ কর্মকর্তার বিচারের আহ্বানের জন্য তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমালোচনাও করেন।

এর আগে ঘৃণা ও উসকানি দিয়ে সহিংসতা ছড়ানোর অভিযোগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে উরাথুকে নিষিদ্ধ করা হয়।

রোহিঙ্গাদের ‘বাঙালি’ উল্লেখ করে উইরাথু বলেন, এই ‘বাঙালিরা’ বিশ্বের কাছে মিথ্যা বলে মিয়ানমারের স্থায়ী বাসিন্দা হতে চাচ্ছে।

উইথারু বলেন, ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত যেদিন মিয়ানমারে আসবে, সেদিনই আমি হাতে বন্দুক তুলে নেব।’ জাতিসংঘে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া ঠেকানোর জন্য উগ্র জাতীয়তাবাদী সন্ন্যাসী উরাথু চীন ও রাশিয়ার প্রশংসা করেন। তিনি দেশ দুটিকে ‘সত্যের পক্ষে দাঁড়ানো জাতীয়তাবাদী দানব’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

উথারু বলেন, ‘বাঙালিদের রোহিঙ্গা বলে বিশ্বের কাছে মিথ্যা বলবেন না। কারণ আপনারা মিয়ানমারে ইসলামীকরণ করতে চান। একটি ভুয়া গ্রুপ তৈরি করে আমাদের দেশকে ধ্বংস করবেন না।’ তিনি মিয়ানমারের সেনাপ্রধানের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান।

এই উরাথুকে নিয়ে টাইম ম্যাগজিন প্রচ্ছদ করেছিল ২০১৩ সালে। ‘দ্য ফেস অব বুদ্ধিস্ট টেরর’ শিরোনামে তারা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল তাকে নিয়ে।

তিনি নিজেই নিজেকে ‘বুদ্ধিস্ট লাদেন’ বলে ঘোষণা করেছিলেন।

ধর্মীয় উস্কানি ও ঘৃণা ছড়ানোর অভিযোগে মিয়ানমার তাকে ২৫ বছরের জেল দিয়েছিল। কিন্তু সুচির দল ক্ষমতায় আসার পর তিনি ছাড়া পান।

মিয়ারমার থেকে রোহিঙ্গাদের রোহিঙ্গা মুসলিমদের তাড়িয়ে দেয়ার পেছনে এই উরাথুই পেছন থেকে বড় ভূমিকা পালন করছে বলে বিশ্লষকরা মনে করেন।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এনডি

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য
এই বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত