artk
৬ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, সোমবার ২২ অক্টোবর ২০১৮, ১২:২৬ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম

কে এই সৌদি সাংবাদিক জামাল খাসোগি?

বিদেশ ডেস্ক | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ১১৪২ ঘণ্টা, বৃহস্পতিবার ১১ অক্টোবর ২০১৮


কে এই সৌদি সাংবাদিক জামাল খাসোগি? - বিদেশ

জামাল খাসোগি একজন নামকরা সাংবাদিক যিনি অনেক বড় বড় সংবাদ কভার করেছেন। এর মধ্যে আফগানিস্তানে সোভিয়েত অভিযান, ওসামা বিন লাদেনের উত্থান ইত্যাদি। অনেক বড় বড় সংবাদ প্রতিষ্ঠানের জন্য তিনি এসব খবর লেখেন।

গত বছর আমেরিকায় যান স্বেচ্ছা নির্বাসন নিয়ে এবং ওয়াশিংটন পোস্টে প্রতিমাসে কলাম লিখতেন যেখানে তিনি সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান সম্পর্কে সমালোচনামূলক লেখা লিখেছেন।

নিজের প্রথম কলামেই তিনি লেখেন যে, যুবরাজ সালমান বাদশাহ সালমানের স্থলাভিষিক্ত হলে জামাল খাসোগি ভিন্নমত পোষণের কারণে গ্রেপ্তার হওয়ার আতঙ্কে রয়েছেন বলে উল্লেখ করেন।

গুম হওয়ার মাত্র তিনদিন আগে বিবিসি নিউজ আওয়ার অনুষ্ঠানে তিনি বলেছিলেন, “যাদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে তারা শুধু বিদ্রোহী তা নয়, তাদের স্বাধীন মন রয়েছে।”

ইস্তাম্বুলের সৌদি দূতাবাসে তিনি প্রথম প্রবেশ করেন ২৮ সেপ্টেম্বর। সেসময় তার প্রাক্তন স্ত্রীর সাথে তার ডিভোর্স সংক্রান্ত কাগজপত্র তুলতে এসেছিলেন তিনি। খাসোগি এর পর ২ অক্টোবর দুপুরের দিকে আবার আসেন দূতাবাসে। স্থানীয় সময় দেড়টার দিকে তার অ্যাপয়নমেন্ট ছিল।

প্রথমবার তার সাথে খুব আন্তরিকতার সাথে ব্যবহার করা হয় বলে ঘনিষ্ঠদের জানিয়েছিলেন তিনি। কোন সমস্যা হবে না বললেও তিনি আশ্বস্ত করেছিলেন।

এতকিছুর পরও তিনি তার তুর্কী বান্ধবী হাতিস চেঙ্গিসকে নিজের দুটো মোবাইল ফোন দিয়ে গিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন, যদি তিনি কনস্যুলেট থেকে বের না হন তাহলে হাতিস যেন তুর্কী প্রেসিডেন্ট রেচেপ তায়েপ এরদোয়ানের একজন উপদেষ্টাকে ফোন করেন।

জামাল খাসোগির অপেক্ষার দূতাবাসের বাইরে ১০ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে অপেক্ষা করে থাকেন হাতিস চেঙ্গিস। কিন্তু তিনি ফিরে আসেননি।

খাসোগির অপেক্ষার দূতাবাসের বাইরে ১০ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে অপেক্ষা করে থাকেন হাতিস চেঙ্গিস। বুধবার সকালে তিনি সেখান থেকে ফিরে যান।

উল্লেখ্য, সৌদি আরবের সরকারবিরোধী সংবাদকর্মী জামাল খাশোগি। তাকে দেশটির শীর্ষ নেতাদের নির্দেশে হত্যা করা হয়েছে। তুরস্কের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তার বরাত দিয়ে মার্কিন দৈনিক নিউইয়র্ক টাইমস মঙ্গলবার এ খবর দিয়েছে।

এক প্রতিবেদনে নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, সৌদি থেকে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে গিয়ে ১৫ জনের একটি ঘাতক টিম ওই হত্যা মিশনে অংশ নেয়।

তারা সৌদি আরব থেকে ইস্তাম্বুলে পৌঁছেই দু'টি ইন্টারন্যাশনাল হোটেলে উঠে এবং সেখান থেকে সরাসরি ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটে চলে যায়। সাংবাদিক খাশোগি কনস্যুলেটে পৌঁছার আগেই তারা হত্যার জন্য সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করে এবং খাশোগি সেখানে প্রবেশের পর তারা তাকে হত্যা করে। হত্যার পর তার মরদেহ টুকরো টুকরো করে ফেলা হয়।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এমএস

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য
এই বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত