artk
৪ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, শুক্রবার ১৯ অক্টোবর ২০১৮, ৬:০৩ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম

বিকল্পধারার মহাসচিব আবদুল মান্নানকে দুদকে তলব

স্টাফ রিপোর্টার | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ১৯০৬ ঘণ্টা, সোমবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ || সর্বশেষ সম্পাদনা: ২২৪১ ঘণ্টা, সোমবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮


বিকল্পধারার মহাসচিব আবদুল মান্নানকে দুদকে তলব - জাতীয়

৫১৮ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাৎ করার অভিযোগে বিকল্পধারা বাংলাদেশের মহাসচিব ও বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি লিমিটেডের (বিআইএফসি) সাবেক চেয়ারম্যান মেজর (অব.) আবদুল মান্নানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) তলব করা হয়েছে।

সোমবার দুদকের কার্যালয় থেকে দুদকের উপপরিচালক এসএম সাহিদুর রহমানের সই করা তলবি নোটিশে তাকে আগামি ২৭ সেপ্টেম্বর হাজির হওয়ার জন্য বলা হয়েছে। দুদক উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) প্রনব কুমার ভট্টাচার্য নিউজবাংলাদেশকে এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক একটি চিঠি দিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগকে (এফআইডি) প্রতিষ্ঠানটির এই বিষয়টি তুলে ধরে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ওই চিঠিতে বলা হয়, ২০১৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির মোট বকেয়া ঋণ প্রায় ৮৫৭ কোটি টাকা। এর ৯৩ শতাংশ অর্থাৎ ৭৯৭ কোটি টাকা খেলাপি। এর মধ্যে ৫১৮ কোটি টাকা প্রতিষ্ঠানটির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল মান্নানের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের। ২০০১ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত বিআইএফসিতে বিভিন্ন মেয়াদে চেয়ারম্যান হিসেবে আবদুল মান্নান দায়িত্বে ছিলেন।

প্রতিষ্ঠানের পর্ষদ পরিচালক পদে ছিলেন তার স্ত্রী উম্মে কুলসুম মান্নান। এছাড়া তার দুই মেয়ে ও কয়েকজন নিকটাত্মীয় ২০০৫ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত পরিচালক ছিলেন। বর্তমানে আবদুল মান্নান সানম্যান গ্রুপের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিআইএফসি থেকে নামে-বেনামে আবদুল মান্নান এবং তার পরিবারের সদস্য পরিচালক ও তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান ঋণের আড়ালে ৫১৮ কোটি টাকা বের করে নিয়েছে। যা সুদ-আসলে বর্তমানে ৯২৯ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। এঅনিয়মের দায়ভার ওই সময় স্বীকার করে চেয়ারম্যান ও তার স্ত্রী নিয়মবহির্ভূতভাবে উত্তোলিত অর্থ পরিশোধের প্রতিশ্রুতি ব্যাংলাদেশ ব্যাংককে দেন। ২০১৬ সালের মার্চ পর্যন্ত পাঁচ কিস্তিতে প্রায় ১২০ কোটি টাকা পরিশোধ করেন। বাকি অর্থ পরিশোধ করা হয়নি। এব্যাপারে প্রতিষ্ঠানটি (বিআইএফসি) থেকে বারবার তাগাদা দেয়ার পরও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

এছাড়া বিভিন্ন সময়ে আনুষ্ঠানিক এবং অনানুষ্ঠানিকভাবে অর্থ পরিশোধের অঙ্গীকার করলেও প্রতিশ্রুতির অর্থ ফেরত না দিয়ে নানা অজুহাতে কালক্ষেপণ করছেন সাবেক চেয়ারম্যান।

নিউজবাঙলাদেশ.কম/এমএজেড/এসডি

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য
এই বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত